উনি পুরা ফাঁইসা গেছে, ফোনালাপে রিসোর্টের নারীসঙ্গী Latest Update News of Bangladesh

বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] অথবা [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
মানুষ হওয়ার গল্প বরিশালে মেয়র সাদিকের সহযোগীতায় ছিন্নমূলদের খাওয়ালো সাংবাদিকরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নায়ক আলমগীর হাসপাতালে নলছিটিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ড্রেজার মালিককে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা ভোলায় জ্ঞাত রোগে ২o দিনে ৪o মহিষের মৃত্যু, আক্রান্ত আরও অর্ধশত করোনা: ভোলায় ইফতার নিয়ে শ্রমজীবী মানুষের পাশে ছাত্রলীগ স্বাস্থ্যবিধি না মানায় অপরাধে কাউখালীতে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা আমতলীতে দিন-দুপুরে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা গৌরনদী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ মুন্সী করোনা টিকার ২য় ডোজ নিলেন পটুয়াখালীতে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে বাক প্রতিবন্ধি শিশুকে ধর্ষণ, বৃদ্ধ গ্রেফতার




উনি পুরা ফাঁইসা গেছে, ফোনালাপে রিসোর্টের নারীসঙ্গী

উনি পুরা ফাঁইসা গেছে, ফোনালাপে রিসোর্টের নারীসঙ্গী

উনি পুরা ফাঁইসা গেছে, ফোনালাপে রিসোর্টের নারীসঙ্গী




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হকের রিসোর্টকাণ্ড নিয়ে বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে তার সেই নারীসঙ্গী জান্নাত আরা ঝর্ণার একটি ফোনালাপে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের স্থানীয় এক হেফাজত নেতার সঙ্গে ঘটনার দুই দিন পর প্রায় আট মিনিট ১১ সেকেন্ড কথা বলেন ঝর্ণা। ঘটনার দিন স্থানীয় জনতা তাদের ঘেরাও করার সময় কে কী বলেছিলেন এবং এর পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহও উঠে এসেছে তাদের কথোপকথনে।

 

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঝর্ণার এই কথোপকথনে স্পষ্ট হয় যে মাওলানা মামুনুল হক নারীসঙ্গীসহ আটক হওয়ার পর থেকে একধারে মিথ্যাচার করে চলেছেন। ওই নারীর সঙ্গে তার বৈধ কোনও সম্পর্ক ছিল না। এখন ‘সম্মান’ বাঁচাতে তিনি অকপটে একটার পর একটা মিথ্যা বলে চলছেন।

 

 

ঝর্ণার বোরকার রং নিয়ে যারা সংশয় প্রকাশ করেছিলেন, সেই বিষয়টিও পরিষ্কার করেছেন ঝর্ণা নিজেই। আলাপে ঝর্ণা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, মামুনুল হক কারও কারও কাছে তাকে না চেনার বিষয়ে বলেছেন। এতে তিনি বিপদে পড়ে যেতে পারেন বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন।

 

 

আলাপে মামলা করা প্রসঙ্গে ওই নারী বলেন, ‘আচ্ছা কীসের জন্য মামলা করবেন? এইটা মিটাবে কীভাবে? এটা তো সরকার, থানাতে গেলে তো ডকুমেন্ট চাইবে। তখন কীভাবে কী করবেন?’

 

 

নামের বিষয়ে জান্নাত আরা ঝর্ণা ওই হেফাজত নেতাকে বলেন, ‘এই বিষয়টা আমি ভালো করে আপনাকে ক্লিয়ার করতেছি। যেটা হচ্ছে যে হুজুর যখন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আসছিল, যখন হুজুর প্রথম… একদম প্রথম দফা তারা যখন জেরা করতেছিল, তখন সে বলছে আমার স্ত্রীর নাম হচ্ছে আমেনা তৈয়বা। ঠিক আছে। তারপর যখন তারা চলে গেল, টিএনও সাহেব আসলো, এসআই আসলো, সাংবাদিকদের সবগুলারে বের করে দিল, তখন আমি শুনতেছিলাম যে হুজুর বলছে যে এটা আমার সেকেন্ড ওয়াইফ। আমি বিয়ে করেছি আমি কোনো অবৈধ কিছু করি নাই। যখন তিনি সেকেন্ড ওয়াইফ বলছে তারপর আমাকে জেরা করা হইছে। এখন আমি কীভাবে ফেইক বলি। আমি তো তার বাবার নাম জানি না। আমি কী করে কী বলব, বলেন? আমাকে তো আলাদা জেরা করছে। এটা নিয়ে লাস্টে কী…’

 

 

বোরকার রং নিয়ে যে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে সেই প্রসঙ্গে মামুনুল হকের সেই নারীসঙ্গী বলেন, ‘ব্লু কালারের ওপরের খিমারটা (হিজাব) ছিল, নিচের কালারটা ছিল কালো কালার। এইটা লাস্টে কী হইতে পারে? আপনার কী ধারণা হচ্ছে?’

 

 

উত্তরে সেই হেফাজত নেতা বলেন, ‘আমাদের ধারণা এখন মানে আমার যেইটা এখন… এগুলা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলেই আরও বেশি সমস্যা। হুজুরে এখন আসবে শুনছি, আমি যেভাবে পারছি যে হুজুর এই মুহূর্তে সোনারগাঁও না আসাটা ভালো। আসার দরকার নাই। যতটুকু হইছে হইছেই। কারণ এখানে ক্ষয়ক্ষতি তো কম হয় নাই। কারণ জিনিসটা আরও বাড়বে। মানে প্রশাসনের সঙ্গে আমরা যুদ্ধ কইরা এই মুহূর্তে পারব না। যতটুকু করছি ততটুকুই আল্লাহ উদ্ধার করতে পারছে দুই জনকে। এইটাই বেটার ছিল।’

 

 

কথোপকথনে জান্নাত আরা ঝর্ণা ওই হেফাজত নেতাকে বলেন, ‘আপনারা যা বলতেছেন, আমার মনে হইতেছে উনি (মামুনুল হক) পুরা নিজে ফাঁইসা গেছে।’

 

 

জবাবে হেফাজত নেতাকে বলতে শোনা যায়, ‘এখন আমরা এত মর্মাহত, এত কষ্টে আছি। ভাবছি, উনি তো বিপদেই আছে, উনি কেমন কষ্টে আছে। এখন আমরা কিছু করতে পারতেছি না। আমি হ্যাং হয়ে গেছি। বুঝছেন না? আর আপনি কোনো সমস্যা নাই তো না?’

 

 

জবাবে ঝর্ণা বলেন, ‘এখন কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু আপনাদের মুখ দিয়ে যা শুনতেছি এভাবে যদি বলে তাহলে তো আমি আমার মানে প্রবলেমে পড়ে যাবো।’

 

 

ঝর্ণা ও হুজুরদের বক্তব্যে যেন ‘অমিল’ না থাকে উল্লেখ করে ওই নারী আরও বলেন, ‘আমার কথা আর হুজুরের কথা এক থাকতে হবে। কিন্তু সে এখন একেকজনের কাছে একেক কথা বলতেছে। সেইগুলা ফাঁসও হয়ে যাইতেছে। তাহলে আমার কথা আর তার কথা কি এক থাকবে? উনি একসঙ্গে কেন অটল থাকতে পারল না? টিএনও সাহেব যখন বলল, যখন ওসি সাহেবকে বলল, আমি রেকর্ড করে রাখতে পারি নাই। তখন সাংবাদিক ছিল না। তখন উনি যখন এই কথাগুলো বলল, তখন উনি এই কথাগুলোর ওপর অটল থাকলেই তো হয়ে যেত। সত্যর জানেন সবসময় না জয় হয়, আর মিথ্যার সবসময় অপমৃত্যু হয়। উনি কেন মিথ্যার আশ্রয় নিলো?’

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares