শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
ডেস্ক রিপোর্ট ॥ দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সংকট বাড়ায় জনজীবনে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। লোডশেডিংয়ের কারণে ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা ও কৃষি খাতে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে কি না তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক সমস্যা তৈরি হলেও আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তিনি জানান, আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সরবরাহ অর্ধেকে নেমে এসেছে। একইভাবে বাঁশখালীর এসএস বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, ২৬ এপ্রিল থেকে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের আমদানিকৃত বিদ্যুৎ পুনরায় জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ২৮ এপ্রিলের পর বাঁশখালীর আইপিপি ইউনিট থেকে ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা বলেন, এই দুই উৎস থেকে প্রায় ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হলে সংকট অনেকটাই কমে আসবে। এছাড়া বন্ধ থাকা আরএনপিএন ইউনিট চালু করা গেলে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রায় দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্ভব হবে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন বলেন, তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করা হলে সাময়িক স্বস্তি মিললেও এতে উৎপাদন ব্যয় ও সরকারি ভর্তুকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
Leave a Reply