যে শহরের ৯৩ শতাংশ পকেটমারই নারী! Latest Update News of Bangladesh

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
জুলাইয়ে শুরু, আগস্টে শেষ হবে এইচএসসি পরীক্ষা, সূচি প্রকাশ অব্যবহৃত সরকারি ২০০টি বহুতল ভবন হবে হাসপাতাল, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ প্রচারে শিক্ষার্থীদের পাট ব্যাগ দেবে সরকার দুই দিনব্যাপী সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন যাচাই শুরু সৌদিতে পৌঁছালেন ২০ হাজার ৫৬৩ জন হজযাত্রী, নিহত একজন হরমুজ সংকট মোকাবিলায় লন্ডনে বিশ্ব শক্তির জরুরি বৈঠক ইরান ইস্যুতে নতুন কূটনৈতিক মোড়, যুদ্ধবিরতি বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র গৌরনদীতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে মুখোমুখী ছাত্রদল-যুবদল, বিএনপির অফিস ভাঙচুর সংরক্ষিত নারী আসনে শক্তিশালী প্রতিনিধিত্বে বিএনপির নতুন তালিকা বিচার ব্যবস্থায় আস্থা ফিরলেই কমবে মব ভায়োলেন্স: প্রধানমন্ত্রী




যে শহরের ৯৩ শতাংশ পকেটমারই নারী!

যে শহরের ৯৩ শতাংশ পকেটমারই নারী!




অনলাইন ডেস্ক:

পকেটমারার কাজটা কঠিন হলেও এতে বেশ পরিপক্ক শহরটির নারীরা। আর এই কাজে তারা এতটাই দক্ষ যে পুরুষদের থেকে ৯৩ ভাগ এগিয়ে আছে তারা। বলছিলাম ভারতের রাজধানী দিল্লির কথা।

ভারতের সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স এর তথ্য মতে, শহরটির ২০১৭ সালে ৯৩ শতাংশেরও বেশি পকেটমার ছিল নারী। আগের বছর এই হার ছিল ৯১ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে নারী পকেটমারের সংখ্যা আরও বেড়েছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক হাজার ২২২ জন নারী ও ৮৯ পুরুষ পকেটমারকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার হওয়া নারীদের বেশির ভাগের বয়স ১৮ থেকে ৪০। দিল্লির ১৪০টি মেট্রো স্টেশনে সাদা পোশাকে নারী পুলিশ মোতায়েন করে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল।

সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের মতে, ছদ্মবেশ নেয়া সহজ হওয়ায় পুরুষের চেয়ে নারীরাই বেশি হারে পকেটমার হচ্ছে। তারা প্রায় সময়েই ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে ছদ্মবেশ ধারণ করে।

এছাড়া অনেকে নারীদের পকেটমার হিসেবে সন্দেহ করে না। আর এই সুযোগটা নিয়েই তারা দিল্লির স্টেশনগুলোতে পকেট মেরে থাকে।

সংস্থাটির মতে, পকেটমারার জন্য নারীদের বিরুদ্ধে সাধারণত অভিযোগ করেন না ভুক্তভোগীরা।

গত বছর পকেটমারের পর ৬৮ লাখ রুপি উদ্ধার করে আসল মালিকের কাছে ফেরত দেয়া হয়। কিন্তু অভিযুক্ত পকেটমারদের বিরুদ্ধে মাত্র ১৮টি মামলা হয়েছে। বাকিরা নারীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চায়নি।

ভুক্তভোগীদের এই না চাওয়াকে নারীদের পকেটমার হওয়ার অন্যতম কারণ মনে করে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD