এসআই হাফিজের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন |

রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
পটুয়াখালীতে টাকা না পেয়ে স্বর্ণের দোকানে যা ঘটালেন আ’লীগ নেতা ! রাজাপুরে অসহায় রহিমার মুখে হাসি ফোটালেন ছবির ভোলার দৌলতখানে ঢাকাগামী লঞ্চের ধাক্কায় নারী যাত্রীর পা বিচ্ছিন্ন বাড়তি চমক দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জ্যাকলিন জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে যুবককে হত্যা, রক্তমাখা কুড়াল উদ্ধার শেখ হাসিনা উন্নয়নবান্ধব সরকার প্রধান:নাজিরপুরে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বরিশাল নগরীতে পারভেজ আকন বিপ্লবের স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত লালমোহনে জমিতে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত বরিশাল নগরীতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বরিশালে মোবাইল কিনে না দেয়ায় স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা




এসআই হাফিজের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

এসআই হাফিজের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন




উৎকোচের বিনিময়ে মামলার প্রধান আসামীকে বাদ দেয়ার অভিযোগে
কলাপাড়া প্রতিনিধি:
উৎকোচ নিয়ে মামলার মূল আসামীকে এজাহার থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ এনে মহিপুর থানার এস আই হাফিজের বিরুদ্ধে কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের নেতা সাংবাদিক অনন্ত মুখার্জী সংবাদ সম্মেলন করেছেন। কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে শনিবার বেলা ১১ টার দিকে এ সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অনন্ত মুখার্জী দাবি করেন, টাকার বিনিময়ে পুলিশ প্রভাবশালী এক নেতার পক্ষে গিয়ে দিনের আলোর মত পরিস্কার একটি সন্ত্রাসী ঘটনাকে ধামাচাপা দিয়েছে। হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাকে মামলা তুলে নেয়ার জন্যও। মামলা করে এখন তিনি স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মামলা পুনরায় তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বিচার দাবী করেছেন ভুক্তভোগি ওই আওয়ামী লীগ নেতা।

অন্যথায় সংখ্যালঘু এই নেতা আত্মহুতি দেয়ার হুমকি দিয়েছেন। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন সন্ত্রাসী হামলার শিকার কয়েকজন ব্যবসায়ী। এ মামলার খরচ বাবদ বিভিন্ন সময়ে এস আই হাফিজুর রহমান কয়েক দফায় দুই লক্ষাধিক টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রদানকালে অনন্ত মুখার্জী সাংবাদিকদের জানান, তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা এবং একজন সংবাদকর্মী হয়েও একই দলের একজন প্রভাবশালী নেতা দ্বারা সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন। জানা যায়, জমির মালিকানা দাবী করে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও ধুলাসার আলহাজ্ব জালাল উদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মহিবুর রহমান মুহিবের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশতাধিক মটর সাইকেল যোগে ২০১৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধায় কুয়াকাটা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত পৌর আওয়ামী লীগ নেতা সাংবাদিক অনন্ত মুখাজীর মলিকানাধীন অন্যন্যা ফার্মেসীসহ ৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর, লুটপাট চালায়। এসময় ওই সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ীদের মারধরের ঘটনাও ঘটে। এমন সন্ত্রাসী হামলার খবর পেয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ও সাধারণ মানুষ ক্ষব্ধ হয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে স্ব-স্ত্রীসহ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মহিবুর রহমান মুহিবকে। মুহিবুর রহমান মুহিবকে গ্রেফতার ও বিচারের আস্বাসে পরিস্থিতি শান্ত করেন মহিপুর থানা পুলিশ ও লতাচাপলী ইউপি চেয়ারম্যান আনছার উদ্দিন মোল্লা।

সন্ত্রাসী ঘটনায় ব্যবহ্নত ২৭টি মটর সাইকেল জব্দ করে পুলিশ। এ হামলায় গুরুতর আহত হয় সাংবাদিক অনন্ত মুখার্জী, ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাগর মোল্লা, ভ্যান চালক হানিফ গাজী। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় অনন্ত মুখার্জী বাদি হয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও আলহাজ্ব জালাল উদ্দিন কলেজের অধ্যক্ষসহ ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করে মহিপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলার তদন্ত ভার দেওয়া হয় এস আই মোঃ হাফিজুর রহমানকে। এ ঘটনায় জেলা উপজেলা আওয়ামী লীগসহ জেলা আইন শৃংখলা মিটিংয়েও এ হামলার ঘটনায় মুহিবুর রহমান মুহিবের সম্পৃক্তার প্রমাণ মিলে। অনন্ত মুখার্জীসহ উপস্থিত ব্যবসায়িরা সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন এস আই হাফিজুর রহমান বিবাদীর কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে এজাহারভুক্ত মামলার প্রধান আসামীকে বাদ দিয়ে আদালতে সাদামাটা একটি তদন্ত রির্পোট দাখিল করেন। সেখানে কুয়াকাটায় কোন সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেনি এবং এ মামলা থেকে মুহিবুর রহমানকে অব্যাহতি চেয়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মহিবুর রহমান যেখানে নিজেই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের কাছে সমযোতা চায় এবং ঘটনার পর পরই মহিপুর থানার ওসি মিজানুর রহমান ২০১৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ৯০৬নং জিডিতে মুহিবের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেছেন।

সেখানে তারা কিভাবে এর উল্টো রিপোর্ট দেন প্রশ্ন রাখেন সাংবাদিক অনন্ত মুখার্জী। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকসহ হাজার হাজার মানুষকে মিথ্যা বানিয়ে দিয়েছে মহিপুর থানার এস আই হাফিজুর রহমান এনমটাই দাবি করেছেন তিনি। এমনকি ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা মটর সাইকেল গুলো মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে সন্ত্রাসীদের ফেরৎ দেওয়া হয়। একজন ঘুষখোর পুলিশ সদস্যকে কিভাবে জেলা পুলিশ পুরস্কারে ভূষিত করেন এমন প্রশ্ন রাখেন অনন্ত মুখার্জী। সাংবাদিক সম্মেলনে এস আই হাফিজের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণসহ মামলার পুণরায় তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি দাবি করেন ভুক্তভোগি অনন্ত মুখার্জীসহ উপস্থিত ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই হাফিজুর রহমান বলেন, আমার তদন্তে মুহিবুর রহমান’র সরাসরি কোন সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। আমি কারো নিকট থেকে কোন টাকা পয়সা গ্রহন করিনি। অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares