সংবাদ শিরোনাম:




লঞ্চঘাটে দোকানিকে মারধর

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 05:35:08 pm, Saturday, 11 May 2019
  • 3 সংবাদটি দেখা হয়েছে




নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল একতলা লঞ্চঘাটের এক দোকানির ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেছে একদল যুবক। শুক্রবার সন্ধ্যারাতে বোন্দরোডস্থ একতলা লঞ্চঘাটে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।হামলাকার শিকার ব্যক্তির নাম মো. মামুন। তিনি একতলা লঞ্চঘাটের প্রবেশপথের পাশের পসরা সাজিয়ে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে- শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর চরের বাসিন্দা সেলিমের ছেলে রিফাত অন্তত ২০ থেকে ২৫ যুবক নিয়ে দোকানি মামুনের ওপর হামলা করে। একপর্যায়ে তারা মামুনকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। দোকানিকে মারধরের প্রাক্কালে নিজেদের লাঠির আঘাতে রিফাতের সহযোগীর মাথা ফেটে গেলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

মারধরের শিকার মামুন জানিয়েছেন- রিফাতসহ অন্তত ১০ যুবক দীর্ঘদিন যাবত তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। কিন্তু এই চাঁদা না দেওয়ায় সন্ধ্যার দিকে এসে ফের দাবি করেন। তখন দোকানে ছিটানে পানির ফোটা তাদের শরীরে পড়লে ক্ষুব্ধ হয়ে গালিগালাজ করে। এসময় গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে এক দফা মারধর করে চলে যায়।

পরবর্তীতে অন্তত ২০ থেকে ২৫ জন যুবক নিয়ে এসে হামলা করে। একপর্যায়ে তাকেসহ কর্মচারীকে মারধর করে। এতে আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন মামুন।এসময় খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও কাউকে আটক করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ফাঁড়ি পুলিশের সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আলমগীর হোসেন বরিশালটাইমসকে বলছেন- ঘটনাস্থলে গিয়ে এক যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় পেয়ে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।কিন্তু এই ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

লঞ্চঘাটে দোকানিকে মারধর

প্রকাশের সময় : 05:35:08 pm, Saturday, 11 May 2019

নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল একতলা লঞ্চঘাটের এক দোকানির ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেছে একদল যুবক। শুক্রবার সন্ধ্যারাতে বোন্দরোডস্থ একতলা লঞ্চঘাটে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।হামলাকার শিকার ব্যক্তির নাম মো. মামুন। তিনি একতলা লঞ্চঘাটের প্রবেশপথের পাশের পসরা সাজিয়ে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে- শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর চরের বাসিন্দা সেলিমের ছেলে রিফাত অন্তত ২০ থেকে ২৫ যুবক নিয়ে দোকানি মামুনের ওপর হামলা করে। একপর্যায়ে তারা মামুনকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। দোকানিকে মারধরের প্রাক্কালে নিজেদের লাঠির আঘাতে রিফাতের সহযোগীর মাথা ফেটে গেলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

মারধরের শিকার মামুন জানিয়েছেন- রিফাতসহ অন্তত ১০ যুবক দীর্ঘদিন যাবত তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। কিন্তু এই চাঁদা না দেওয়ায় সন্ধ্যার দিকে এসে ফের দাবি করেন। তখন দোকানে ছিটানে পানির ফোটা তাদের শরীরে পড়লে ক্ষুব্ধ হয়ে গালিগালাজ করে। এসময় গালিগালাজের প্রতিবাদ করলে এক দফা মারধর করে চলে যায়।

পরবর্তীতে অন্তত ২০ থেকে ২৫ জন যুবক নিয়ে এসে হামলা করে। একপর্যায়ে তাকেসহ কর্মচারীকে মারধর করে। এতে আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন মামুন।এসময় খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও কাউকে আটক করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ফাঁড়ি পুলিশের সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আলমগীর হোসেন বরিশালটাইমসকে বলছেন- ঘটনাস্থলে গিয়ে এক যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় পেয়ে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।কিন্তু এই ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।