বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




রোহিঙ্গা নিয়ে দুশ্চিন্তা বেইজিংকে জানাতে চায় ঢাকা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 10:28:06 pm, Sunday, 23 June 2019
  • 3 সংবাদটি দেখা হয়েছে




অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘ দিনের অবস্থানের ফলে এ অঞ্চলে ‘মৌলবাদ ও অনিশ্চয়তা’ সৃষ্টির জন্য নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন চীন সফরে বেইজিংকে জানাতে চায় বাংলাদেশ।২৩ জুন, রবিবার আগামী ১-৫ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফর নিয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এমন কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।

তিনি বলেন, ‘যদি এ সমস্যা (রোহিঙ্গা সংকট) দীর্ঘ দিন ধরে সমাধানহীন অবস্থায় থেকে যায়, তাহলে এ অঞ্চলে মৌলবাদের উত্থান হতে পারে। যদি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পায়, পুরো অঞ্চল জুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। আর এ অঞ্চলে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে নিজেদের প্রত্যাশিত লক্ষ্য অর্জনে চীন সমস্যায় পড়তে পারে।’

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুটি অগ্রাধিকার তালিকায় থাকবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলোও থাকবে। চীন মিয়ানমারে অনেক বিনিয়োগ করছে। তারা বাংলাদেশেও বিনিয়োগ করছে। কিন্তু এ অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা না থাকলে বিনিয়োগ কোনো কাজে আসবে না। আমরা চীনকে এটা বোঝাবো। যতোটা সম্ভব বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমারের ভালোর জন্য এ অঞ্চলে শান্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি অনুসারে দুই বছরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফেরানোর ব্যাপারে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ চায় প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া পুনরায় সক্রিয় করার ব্যাপারে চীন মিয়ানমারকে চাপ দেবে।’

প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ এবারের বেইজিং সফরে নিজেদের ‘কৌশলগত অংশদারিত্বকে’ নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ ও চীন।২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রধানমন্ত্রী শি জিংপিংয়ের ঢাকা সফরে চীনের নেয়া উদ্যোগ বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে (বিআরআই) বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়। এই বিআরআই কাঠামোর মাধ্যমে চীন নিজেদের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা অন্যান্য দেশের সাথে ভাগাভাগি করতে চায় এবং সেই সাথে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার সাথে যোগাযোগ বাড়াতে চায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

রোহিঙ্গা নিয়ে দুশ্চিন্তা বেইজিংকে জানাতে চায় ঢাকা

প্রকাশের সময় : 10:28:06 pm, Sunday, 23 June 2019

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘ দিনের অবস্থানের ফলে এ অঞ্চলে ‘মৌলবাদ ও অনিশ্চয়তা’ সৃষ্টির জন্য নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন চীন সফরে বেইজিংকে জানাতে চায় বাংলাদেশ।২৩ জুন, রবিবার আগামী ১-৫ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফর নিয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এমন কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।

তিনি বলেন, ‘যদি এ সমস্যা (রোহিঙ্গা সংকট) দীর্ঘ দিন ধরে সমাধানহীন অবস্থায় থেকে যায়, তাহলে এ অঞ্চলে মৌলবাদের উত্থান হতে পারে। যদি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পায়, পুরো অঞ্চল জুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। আর এ অঞ্চলে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে নিজেদের প্রত্যাশিত লক্ষ্য অর্জনে চীন সমস্যায় পড়তে পারে।’

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুটি অগ্রাধিকার তালিকায় থাকবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলোও থাকবে। চীন মিয়ানমারে অনেক বিনিয়োগ করছে। তারা বাংলাদেশেও বিনিয়োগ করছে। কিন্তু এ অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা না থাকলে বিনিয়োগ কোনো কাজে আসবে না। আমরা চীনকে এটা বোঝাবো। যতোটা সম্ভব বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমারের ভালোর জন্য এ অঞ্চলে শান্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি অনুসারে দুই বছরের মধ্যে রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফেরানোর ব্যাপারে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ চায় প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া পুনরায় সক্রিয় করার ব্যাপারে চীন মিয়ানমারকে চাপ দেবে।’

প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ এবারের বেইজিং সফরে নিজেদের ‘কৌশলগত অংশদারিত্বকে’ নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ ও চীন।২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রধানমন্ত্রী শি জিংপিংয়ের ঢাকা সফরে চীনের নেয়া উদ্যোগ বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে (বিআরআই) বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়। এই বিআরআই কাঠামোর মাধ্যমে চীন নিজেদের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা অন্যান্য দেশের সাথে ভাগাভাগি করতে চায় এবং সেই সাথে এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার সাথে যোগাযোগ বাড়াতে চায়।