বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




প্রতি ১০ রোহিঙ্গার মধ্যে ৯ জনই বাস করেন বাংলাদেশে

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 12:04:21 am, Saturday, 22 August 2020
  • 6 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গারা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আগমনের মাত্রা বেড়ে যায়। ইউএনএইচসিআর ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ নিবন্ধন অনুযায়ী, কক্সবাজারে ওই সময়ের পর প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে আসে। ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে,বর্তমানে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিবন্ধিত প্রতি ১০ জন রোহিঙ্গার মধ্যে ৯ জনই বাস করেন বাংলাদেশে।

 

 

শুক্রবার (২১ আগস্ট) ইউএনএইচসিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

 

রোহিঙ্গা সংকটের পরিপূর্ণ সমাধান আছে মিয়ানমারে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়— ‘অ্যাডভাইজরি কমিশন অন রাখাইন স্টেটের’ সব সুপারিশ পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমেই এটি সম্ভব।

 

 

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে প্রয়োজন সর্বস্তরের অংশগ্রহণ, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে নতুন করে কার্যকরী আলোচনার সূত্রপাত এবং এর পাশাপাশি দুই পক্ষের মধ্যে আস্থা তৈরির পদক্ষেপ বলেও জানায় ইউএনএইচসিআর।

 

 

এসবের জন্য প্রয়োজন মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের চলাফেরার ওপরে বিধি-নিষেধ প্রত্যাহার, অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদেরকে তাদের নিজ গ্রামে ফেরার সুব্যবস্থা এবং রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয়ে একটি পরিষ্কার রোডম্যাপ।

 

 

ইউএনএইচসিআর জানায়, বাংলাদেশ ও বিশ্বের অন্যান্য দেশে আশ্রয়রত রোহিঙ্গাদের মানসিক শক্তি ও প্রত্যয় গত তিন বছর ধরে কাজ করছে মানবিক কর্মকাণ্ডের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে। এই মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্থানীয় বাংলাদেশি জনগণের প্রতিও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সহযোগিতার হাত। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাহস ও মনোবলকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে আমরা কাজ করে যাবো, যেন পৃথিবী তাদের ভুলে না যায়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

প্রতি ১০ রোহিঙ্গার মধ্যে ৯ জনই বাস করেন বাংলাদেশে

প্রকাশের সময় : 12:04:21 am, Saturday, 22 August 2020

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গারা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আগমনের মাত্রা বেড়ে যায়। ইউএনএইচসিআর ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ নিবন্ধন অনুযায়ী, কক্সবাজারে ওই সময়ের পর প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে আসে। ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে,বর্তমানে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিবন্ধিত প্রতি ১০ জন রোহিঙ্গার মধ্যে ৯ জনই বাস করেন বাংলাদেশে।

 

 

শুক্রবার (২১ আগস্ট) ইউএনএইচসিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

 

রোহিঙ্গা সংকটের পরিপূর্ণ সমাধান আছে মিয়ানমারে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়— ‘অ্যাডভাইজরি কমিশন অন রাখাইন স্টেটের’ সব সুপারিশ পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমেই এটি সম্ভব।

 

 

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে প্রয়োজন সর্বস্তরের অংশগ্রহণ, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে নতুন করে কার্যকরী আলোচনার সূত্রপাত এবং এর পাশাপাশি দুই পক্ষের মধ্যে আস্থা তৈরির পদক্ষেপ বলেও জানায় ইউএনএইচসিআর।

 

 

এসবের জন্য প্রয়োজন মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের চলাফেরার ওপরে বিধি-নিষেধ প্রত্যাহার, অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদেরকে তাদের নিজ গ্রামে ফেরার সুব্যবস্থা এবং রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয়ে একটি পরিষ্কার রোডম্যাপ।

 

 

ইউএনএইচসিআর জানায়, বাংলাদেশ ও বিশ্বের অন্যান্য দেশে আশ্রয়রত রোহিঙ্গাদের মানসিক শক্তি ও প্রত্যয় গত তিন বছর ধরে কাজ করছে মানবিক কর্মকাণ্ডের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে। এই মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্থানীয় বাংলাদেশি জনগণের প্রতিও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সহযোগিতার হাত। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সাহস ও মনোবলকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে আমরা কাজ করে যাবো, যেন পৃথিবী তাদের ভুলে না যায়।