বিজ্ঞপ্তি :
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প




যুবলীগে পদ পেতে দৌড়ঝাঁপ

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 01:30:40 am, Monday, 31 August 2020
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। ক্যাসিনো বিরোধী শুদ্ধি অভিযোনে সংগঠনটির প্রভাবশালী বেশকিছু নেতাকর্মীর নাম আসে। গ্রেপ্তার করে কয়েকজনকে জেলে পাঠানো হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলাও চলছে। শুদ্ধি অভিযানের মাঝেই ৭ম জাতীয় কংগ্রেসের মাধ্যমে বিতর্কিত, চাঁদাবাজ, দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্তদের বাদ দিয়ে দুই সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয়।

 

 

এদিকে করোনার কারণে এত দিন পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। পরিস্থিতি অনুকূলে আসায় বর্তমানে পূর্ণাঙ্গ কমিটিসহ বিভিন্ন ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতেই শুরু হয়েছে বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্তদের তোড়জোড়।

 

দলে ভিড়তে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত এবং অনুপ্রবেশকারীরা এখন বেশ তৎপর।

 

 

কেন্দ্র এবং রাজধানীর বিভিন্ন পর্যায়ের বিতর্কিত পদ প্রত্যাশীরা রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন। বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার পাশাপাশি তারা লবিং তদবির শুরু করেছেন। যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পর প্রধান দুটি সুপার ইউনিট হচ্ছে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ যুবলীগ। অভিযোগ রয়েছে, এই দুটি সংগঠনের নেতাকর্মীরাই সব থেকে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত।

 

ক্যাসিনো সম্পৃক্ততা, চাঁদাবাজি, জায়গা দখলসহ বহু অভিযোগ রয়েছে এই দুটি ইউনিটের নেতাদের বিরুদ্ধে। এমনকি মামলাও হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। গত কয়েকটি কমিটিতে এই দুটি শাখায় পদ নিতে কেউ কেউ মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করেছেন। বেশ কয়েকজন যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে এরই মধ্যে সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

 

ঢাকা মহানগর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা। ঢাকার রাজধানী ও নিউ রাজধানী সুপার মার্কেটে চাঁদাবাজির অভিযোগে র্যাবের হাতে আটক হয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ছাড়াও পান তিনি। ক্যাসিনো সংশ্লিষ্টতা ও দখলদারির অভিযোগ রয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সেলিমের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে দুদকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

 

 

ক্যাসিনো সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সহ-সভাপতি সরোয়ার হোসেন মনার বিরুদ্ধে। তিনি শুদ্ধি অভিযানে আটককৃত এনামুল হক আরমান এবং সাইদুর রহমান বাবুর সাথে পল্টনে একটি বিল্ডিংয়ে ক্যাসিনো পরিচালনা করতেন। ক্যাসিনোতে অর্থ লগ্নির অভিযোগ রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি মুরসালিন আহমেদের বিরুদ্ধে। তিনি রাজধানীর বিভিন্ন ক্যাসিনোতে অর্থ লগ্নি করে মুনাফা পেতেন। ফকিরাপুলের ইয়াংম্যানস ক্লাবের অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন স্বপনের বিরুদ্ধে। ক্যাসিনো থেকে আয়ের একটি অংশ পেতেন স্বপন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বকুল। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, এক সময় তিনি ফকিরেরপুলের ইয়াংম্যানস ক্লাবে জুয়ার আসর পরিচালনা করতেন।

 

 

দুদক সূত্র জানায়, দুদকের অনুসন্ধানের তালিকায় আরো রয়েছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান হোসেন খান, প্রকাশনা সম্পাদক একেএম শহিদুল হক রাসেল, অর্থ সম্পাদক সুভাষ হালদার, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ওরফে শফিক, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক তসলিম উদ্দিন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক কায়সার আহমেদ, উপ-প্রচার সম্পাদক শরিফুল ইসলাম দুর্জয়, সদস্য হেলাল আকবর চৌধুরী।

 

 

এছাড়া যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সহসভাপতি মুরসালিক আহমেদ, সরোয়ার হোসেন মনা, যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক সাঈদ, সোহরাব হোসেন স্বপন, যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান, গাজী সারওয়ার হোসেন বাবু, যুবলীগ ঢাকা উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পী, শাহাদাৎ হোসেন সেলিম, দক্ষিণের সদস্য জাকির হোসেন, এবং যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের বহিষ্কৃত সহসভাপতি এনামুল হক আরমান।

 

 

দুদক সূত্র আরো জানায়, দুদক যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে তাদের বিষয়ে খোঁজখবরের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, রিহ্যাব, রাজউক, সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চিঠি দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

 

 

কমিটি গঠন প্রসঙ্গে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন খান বলেন, আমরা আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের পরে সবকিছু চূড়ান্ত করা হবে।

 

 

নতুন কমিটিতে পদ পাওয়ার জন্য ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে জড়িতদেরসহ বিতর্কিত নেতাদের প্রয়াস প্রসঙ্গে নিখিল বলেন, আমরা তাদের সম্পর্কে সচেতন। আশা করি, কেউই সুযোগ পাবে না। আমরা একটি ভাল কমিটি গঠন করতে সক্ষম হব।

 

 

গত বছর ১৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে শুদ্ধি অভিযান শুরু করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এরই অংশ হিসেবে গত ৩০ সেপ্টেম্বর অনুসন্ধান দল গঠন করে দুদক। প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) সাঈদ মাহবুব খানকে তদারক কর্মকর্তা ও পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে প্রধান করে সাত সদস্যের অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়।

 

অনুসন্ধান দলের প্রাথমিক তদন্তের ফল হিসেবে শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপ্রদর্শিত ও অবৈধ সম্পদের তথ্য হাতে পায় প্রতিষ্ঠানটি। সে তালিকা অনুযায়ী, অনুসন্ধান শুরু করে সংস্থাটি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুবলীগে পদ পেতে দৌড়ঝাঁপ

প্রকাশের সময় : 01:30:40 am, Monday, 31 August 2020

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। ক্যাসিনো বিরোধী শুদ্ধি অভিযোনে সংগঠনটির প্রভাবশালী বেশকিছু নেতাকর্মীর নাম আসে। গ্রেপ্তার করে কয়েকজনকে জেলে পাঠানো হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলাও চলছে। শুদ্ধি অভিযানের মাঝেই ৭ম জাতীয় কংগ্রেসের মাধ্যমে বিতর্কিত, চাঁদাবাজ, দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্তদের বাদ দিয়ে দুই সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয়।

 

 

এদিকে করোনার কারণে এত দিন পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। পরিস্থিতি অনুকূলে আসায় বর্তমানে পূর্ণাঙ্গ কমিটিসহ বিভিন্ন ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতেই শুরু হয়েছে বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্তদের তোড়জোড়।

 

দলে ভিড়তে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত এবং অনুপ্রবেশকারীরা এখন বেশ তৎপর।

 

 

কেন্দ্র এবং রাজধানীর বিভিন্ন পর্যায়ের বিতর্কিত পদ প্রত্যাশীরা রাজনীতিতে সক্রিয় হচ্ছেন। বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার পাশাপাশি তারা লবিং তদবির শুরু করেছেন। যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পর প্রধান দুটি সুপার ইউনিট হচ্ছে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ যুবলীগ। অভিযোগ রয়েছে, এই দুটি সংগঠনের নেতাকর্মীরাই সব থেকে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত।

 

ক্যাসিনো সম্পৃক্ততা, চাঁদাবাজি, জায়গা দখলসহ বহু অভিযোগ রয়েছে এই দুটি ইউনিটের নেতাদের বিরুদ্ধে। এমনকি মামলাও হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। গত কয়েকটি কমিটিতে এই দুটি শাখায় পদ নিতে কেউ কেউ মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করেছেন। বেশ কয়েকজন যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে এরই মধ্যে সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

 

 

ঢাকা মহানগর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা। ঢাকার রাজধানী ও নিউ রাজধানী সুপার মার্কেটে চাঁদাবাজির অভিযোগে র্যাবের হাতে আটক হয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ছাড়াও পান তিনি। ক্যাসিনো সংশ্লিষ্টতা ও দখলদারির অভিযোগ রয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সেলিমের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে দুদকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

 

 

ক্যাসিনো সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সহ-সভাপতি সরোয়ার হোসেন মনার বিরুদ্ধে। তিনি শুদ্ধি অভিযানে আটককৃত এনামুল হক আরমান এবং সাইদুর রহমান বাবুর সাথে পল্টনে একটি বিল্ডিংয়ে ক্যাসিনো পরিচালনা করতেন। ক্যাসিনোতে অর্থ লগ্নির অভিযোগ রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি মুরসালিন আহমেদের বিরুদ্ধে। তিনি রাজধানীর বিভিন্ন ক্যাসিনোতে অর্থ লগ্নি করে মুনাফা পেতেন। ফকিরাপুলের ইয়াংম্যানস ক্লাবের অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন স্বপনের বিরুদ্ধে। ক্যাসিনো থেকে আয়ের একটি অংশ পেতেন স্বপন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বকুল। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, এক সময় তিনি ফকিরেরপুলের ইয়াংম্যানস ক্লাবে জুয়ার আসর পরিচালনা করতেন।

 

 

দুদক সূত্র জানায়, দুদকের অনুসন্ধানের তালিকায় আরো রয়েছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান হোসেন খান, প্রকাশনা সম্পাদক একেএম শহিদুল হক রাসেল, অর্থ সম্পাদক সুভাষ হালদার, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ওরফে শফিক, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক তসলিম উদ্দিন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক কায়সার আহমেদ, উপ-প্রচার সম্পাদক শরিফুল ইসলাম দুর্জয়, সদস্য হেলাল আকবর চৌধুরী।

 

 

এছাড়া যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সহসভাপতি মুরসালিক আহমেদ, সরোয়ার হোসেন মনা, যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক সাঈদ, সোহরাব হোসেন স্বপন, যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান, গাজী সারওয়ার হোসেন বাবু, যুবলীগ ঢাকা উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পী, শাহাদাৎ হোসেন সেলিম, দক্ষিণের সদস্য জাকির হোসেন, এবং যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের বহিষ্কৃত সহসভাপতি এনামুল হক আরমান।

 

 

দুদক সূত্র আরো জানায়, দুদক যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে তাদের বিষয়ে খোঁজখবরের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, রিহ্যাব, রাজউক, সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চিঠি দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

 

 

কমিটি গঠন প্রসঙ্গে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন খান বলেন, আমরা আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের পরে সবকিছু চূড়ান্ত করা হবে।

 

 

নতুন কমিটিতে পদ পাওয়ার জন্য ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে জড়িতদেরসহ বিতর্কিত নেতাদের প্রয়াস প্রসঙ্গে নিখিল বলেন, আমরা তাদের সম্পর্কে সচেতন। আশা করি, কেউই সুযোগ পাবে না। আমরা একটি ভাল কমিটি গঠন করতে সক্ষম হব।

 

 

গত বছর ১৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে শুদ্ধি অভিযান শুরু করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এরই অংশ হিসেবে গত ৩০ সেপ্টেম্বর অনুসন্ধান দল গঠন করে দুদক। প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) সাঈদ মাহবুব খানকে তদারক কর্মকর্তা ও পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে প্রধান করে সাত সদস্যের অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়।

 

অনুসন্ধান দলের প্রাথমিক তদন্তের ফল হিসেবে শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপ্রদর্শিত ও অবৈধ সম্পদের তথ্য হাতে পায় প্রতিষ্ঠানটি। সে তালিকা অনুযায়ী, অনুসন্ধান শুরু করে সংস্থাটি।