সংবাদ শিরোনাম:




বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডকে সংগ্রাম কমিটির সতর্কবার্তা !

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 03:45:40 am, Monday, 5 November 2018
  • 36 সংবাদটি দেখা হয়েছে




থানা প্রতিনিধি:
গতকাল বরিশাল পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদ ও চরকাউয়া নদী ভাঙ্গন রোধে সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে ১ ঘন্টা অবস্থান ধর্মঘট পালন করে। বিগত ৩০ বছর যাবত কীর্তনখোলা নদী ভাঙ্গনের ফলে চরকাউয়ার বেশ কয়েকটি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গত ৩ বছরে এ ভাঙ্গন ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা চরকাউয়া নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং মিষ্টি ভাষায় ওয়াদা দিয়ে তাদের দায়িত্ব শেষ করেন। কখনোই কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন না। পূর্বাঞ্চলের জনগন অত্র পরিষদের ব্যানারে ৪ দফা (১) জরুরী অবস্থা ঘোষিত ৮টি পয়েন্টে অনতিবিলম্বে কাজ শুরু করা (২) চরকাউয়া খেয়াঘাট হতে জনতার হাট পর্যন্ত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ (৩) মোহাম্মদপুর সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে ডুবুচর ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে অপসারণ করা ও (৪) বাস্তুভিটাহারা নদী ভাঙ্গুলিদের স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবীতে আন্দোলন শুরু করেন এবং গত ২৪ অক্টোবর ২০১৮ তারিখ চরকাউয়া খেয়াঘাটে নৌকা, বাস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল কলেজ বন্ধ রেখে মানব বন্ধন কর্মসূচী পালন করেন।

গত ৩ মাস পূর্বে জনতার হাট ও পামের হাট এলাকার ৪টি পয়েন্টে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেও অদ্যাবধি কাজ শুরু করেন নাই। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ইতিবাচক মতামত দেয়া সত্বেও বরিশালে নির্বাহী প্রকৌশলী অফিস কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব আবু সাঈদ (মোবাইল- ০১৭১৬-২৪৩৭৪৩) এর সাথে আলোচনায় সন্তুষ্ট না হতে পেরে তৎক্ষণাৎ অফিসের মেঝেতে বসে গিয়ে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন। বরিশাল জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ আহবায়ক মোঃ মুনাওয়ারুল ইসলাম অলির নেতৃত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য সচিব ও ইউপি সদস্য মোঃ মজিবুর রহমান হালিম মুন্সী, আলহাজ্ব কেরামতআলী হাওলাদার, মোহাম্মদ মানিক মৃধা, মোঃ আলতাফ হোসেন মাস্টার, মৌলভী নুরুল ইসলাম, এ কে এম হান্নান বাবুল মুন্সি, শংকর দাস, কাওছার হোসেন মনির মোল্লা, জাকির হোসেন তালুকদার, রফিকুল ইসলাম পান্না সিকদার, শফিকুল ইসলামসহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ। নির্বাহী প্রকৌশলী আগামী ১০ দিনের মধ্যে পামের হাট ও জনতার হাট এলাকায় জরুরী ভিত্তিতে কাজ শুরু করার ওয়াদা দিলে ১ ঘন্টা পরে নেতৃবৃন্দ অবস্থান ধর্মঘট প্রত্যাহার করেন এবং আগামী ১০ দিনের মধ্যে কাজ শুরু না হলে পূর্বাঞ্চলের কয়েক হাজার লোক নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেরাও করা হবে বলে ঘোষণা করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডকে সংগ্রাম কমিটির সতর্কবার্তা !

প্রকাশের সময় : 03:45:40 am, Monday, 5 November 2018

থানা প্রতিনিধি:
গতকাল বরিশাল পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন পরিষদ ও চরকাউয়া নদী ভাঙ্গন রোধে সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে ১ ঘন্টা অবস্থান ধর্মঘট পালন করে। বিগত ৩০ বছর যাবত কীর্তনখোলা নদী ভাঙ্গনের ফলে চরকাউয়ার বেশ কয়েকটি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গত ৩ বছরে এ ভাঙ্গন ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা চরকাউয়া নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং মিষ্টি ভাষায় ওয়াদা দিয়ে তাদের দায়িত্ব শেষ করেন। কখনোই কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন না। পূর্বাঞ্চলের জনগন অত্র পরিষদের ব্যানারে ৪ দফা (১) জরুরী অবস্থা ঘোষিত ৮টি পয়েন্টে অনতিবিলম্বে কাজ শুরু করা (২) চরকাউয়া খেয়াঘাট হতে জনতার হাট পর্যন্ত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ (৩) মোহাম্মদপুর সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে ডুবুচর ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে অপসারণ করা ও (৪) বাস্তুভিটাহারা নদী ভাঙ্গুলিদের স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবীতে আন্দোলন শুরু করেন এবং গত ২৪ অক্টোবর ২০১৮ তারিখ চরকাউয়া খেয়াঘাটে নৌকা, বাস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল কলেজ বন্ধ রেখে মানব বন্ধন কর্মসূচী পালন করেন।

গত ৩ মাস পূর্বে জনতার হাট ও পামের হাট এলাকার ৪টি পয়েন্টে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেও অদ্যাবধি কাজ শুরু করেন নাই। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ইতিবাচক মতামত দেয়া সত্বেও বরিশালে নির্বাহী প্রকৌশলী অফিস কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব আবু সাঈদ (মোবাইল- ০১৭১৬-২৪৩৭৪৩) এর সাথে আলোচনায় সন্তুষ্ট না হতে পেরে তৎক্ষণাৎ অফিসের মেঝেতে বসে গিয়ে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন। বরিশাল জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ আহবায়ক মোঃ মুনাওয়ারুল ইসলাম অলির নেতৃত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য সচিব ও ইউপি সদস্য মোঃ মজিবুর রহমান হালিম মুন্সী, আলহাজ্ব কেরামতআলী হাওলাদার, মোহাম্মদ মানিক মৃধা, মোঃ আলতাফ হোসেন মাস্টার, মৌলভী নুরুল ইসলাম, এ কে এম হান্নান বাবুল মুন্সি, শংকর দাস, কাওছার হোসেন মনির মোল্লা, জাকির হোসেন তালুকদার, রফিকুল ইসলাম পান্না সিকদার, শফিকুল ইসলামসহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ। নির্বাহী প্রকৌশলী আগামী ১০ দিনের মধ্যে পামের হাট ও জনতার হাট এলাকায় জরুরী ভিত্তিতে কাজ শুরু করার ওয়াদা দিলে ১ ঘন্টা পরে নেতৃবৃন্দ অবস্থান ধর্মঘট প্রত্যাহার করেন এবং আগামী ১০ দিনের মধ্যে কাজ শুরু না হলে পূর্বাঞ্চলের কয়েক হাজার লোক নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘেরাও করা হবে বলে ঘোষণা করেন।