বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




নির্বাচনে সেনাবাহিনী যেভাবে দায়িত্ব পালন করবে

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 06:42:42 pm, Sunday, 25 November 2018
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




অনলাইন ডেস্ক:একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন হচ্ছে৷ তবে তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে৷ প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা জানিয়েছেন, ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে৷প্রধান নির্বাচন কমিশনার এখনো অবশ্য নিশ্চিত করেননি যে, ঠিক কবে থেকে সেনা মোতায়েন করা হবে এবং তারা মাঠে কতদিন থাকবে৷ নির্বাচনের পরেও সেনাবাহিনী থাকবে কিনা আর তারা কিভাবে কাজ করবে, তারা কি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে, নাকি টহলের দায়িত্বেও থাকবে- এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি৷ তবে এর আগে তফসিল ঘোষণার সময় জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় সেনা মোতায়েন করা হবে৷

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম গেল শুক্রবার জানান, ‘সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে সব দায়িত্ব কমিশন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দিয়েছে৷ তিনিই দিনক্ষণ ঠিক করবেন ও যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবেন৷ আর এ নিয়ে তিনিই আপডেট জানাবেন৷’

বিএনপি’র প্রাধান্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে৷ এর মানে হলো, সেনাবাহিনী নির্বাচনের জন্য স্বাধীনভাবে প্রয়োজনীয় টহল, আটকসহ আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে৷ কিন্তু প্রধান নির্বাচন কমিশনার ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে সেনা মোতায়েনের যে কথা বলেছেন, তা তাদের দাবি পূরণ করে না বলে জানিয়েছেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী৷

তিনি বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার যা বলেছেন, তা হলো, সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় ক্যাম্প করে অবস্থান করবে৷ নির্বাচন কমিশন চাইলে তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে৷ তারা টহল দেবে না অথবা তাদের ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ারও দেয়া হচ্ছে না ৷

তিনি দাবি করেন, ‘পোলিং, প্রিসাইডিং বা রিটার্নিং অফিসাররা যদি সেনাবাহিনীকে সহায়তার জন্য কোনও পরিস্থিতিতে ডাকেন, তবে তারা কাজ করবেন৷ কিন্তু নির্বাচন কমিশনই তো তাদের দলীয় কমিশনে পরিণত হয়েছে৷ পোলিং, প্রিসাইডিং বা রিটার্নিং অফিসার তো তাদেরই লোক৷ তাহলে এই সেনা মোতায়েন করে কি কোনও কাজ হবে?’

বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯-১৩১ ধারা এবং ‘এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় সেনাবাহিনী সিভিল প্রশাসনকে তাদের চাহিদা মতো সহায়তা করতে পারে৷

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘সিভিল প্রশাসনকে সহায়তার যে বিধান, তাতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই৷ তবে বিএনপি যা চাইছে যে, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ার দিতে হবে, তা সংবিধান বা আইনে নেই৷ এটা সংবিধান ও আইনবিরোধী৷ পৃথিবীর কোনও দেশে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ার দেয়া হয় না৷ বিএনপি সব সময়ই সংবিধানবিরোধী অবস্থান নেয়৷ তারা সংবিধান মানতে চায় না৷’

বাংলাদেশে ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচন ছাড়া আর সব নির্বাচনেই সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেব নিয়োজিত ছিল৷ নির্বাচন কমিশনে কথা বলে জানা গেছে, এবারও সেনাবাহিনীর সদস্যরা জেলা, উপজেলা ও মহানগরে সুবিধাজনক জায়গায় অবস্থান করবে৷ নির্বাচন কমিশন সহায়তা চাইলে তারা মুভ করবে৷

সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন-এর প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘বিএনপি বা আরও কিছু বিরোধী রাজনৈতিক দল যেভাবে সেনাবাহিনীকে নির্বাচনের সময় ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ার দেয়ার দাবি করছে, তা সংবিধান ও আইন সমর্থন করে না৷ তবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা ক্যাম্পে বসে থাকলেও কোনও সুফল পাওয়া যাবে না৷ তাদের যদি স্বাধীনভাবে টহলের ক্ষমতা দেয়া হয়, তাহলে সেটা অনেক কাজে দেবে৷ তাদের মুভমেন্টের কারণে অপরাধী ও সমাজবিরোধীরা ভয়ে থাকত৷’

তিনি আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনী কাজ করবে নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী৷ এখন যদি পোলিং, প্রিসাইডিং বা রিটার্নিং অফিসাররা নিরপেক্ষ না হন, তাহলে কী হবে? তাদের নিরপেক্ষতার ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করছে৷’

এদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে যখন সেনাবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমতা দেয়ার দাবি জানিয়েছিল, তখন নির্বাচন কমিশন স্পষ্টই জানিয়ে দেয় যে, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমতা দেয়ার কোনও সুযোগ নেই৷ নির্বাচনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কত সেনাসদস্য মোতায়েন করা হবে, একটি উপজেলা, জেলা বা মহানগরে কতজন থাকবেন, তা এখনো চূড়ান্ত নয়৷

প্রসঙ্গত, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সাভার সেনানিবাসে গত সপ্তাহের এক অনুষ্ঠানে বলেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পেলে পেশাদারিত্বের সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করবে৷ সেনাবাহিনী অতীতেও পেশাদারিত্বের সাথে এই দায়িত্ব পালন করেছে৷ অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে সেনাবাহিনী৷

সূত্র: ডয়চে ভেলে

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

নির্বাচনে সেনাবাহিনী যেভাবে দায়িত্ব পালন করবে

প্রকাশের সময় : 06:42:42 pm, Sunday, 25 November 2018

অনলাইন ডেস্ক:একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন হচ্ছে৷ তবে তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে৷ প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা জানিয়েছেন, ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে৷প্রধান নির্বাচন কমিশনার এখনো অবশ্য নিশ্চিত করেননি যে, ঠিক কবে থেকে সেনা মোতায়েন করা হবে এবং তারা মাঠে কতদিন থাকবে৷ নির্বাচনের পরেও সেনাবাহিনী থাকবে কিনা আর তারা কিভাবে কাজ করবে, তারা কি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে, নাকি টহলের দায়িত্বেও থাকবে- এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি৷ তবে এর আগে তফসিল ঘোষণার সময় জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় সেনা মোতায়েন করা হবে৷

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম গেল শুক্রবার জানান, ‘সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে সব দায়িত্ব কমিশন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দিয়েছে৷ তিনিই দিনক্ষণ ঠিক করবেন ও যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবেন৷ আর এ নিয়ে তিনিই আপডেট জানাবেন৷’

বিএনপি’র প্রাধান্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে৷ এর মানে হলো, সেনাবাহিনী নির্বাচনের জন্য স্বাধীনভাবে প্রয়োজনীয় টহল, আটকসহ আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে৷ কিন্তু প্রধান নির্বাচন কমিশনার ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে সেনা মোতায়েনের যে কথা বলেছেন, তা তাদের দাবি পূরণ করে না বলে জানিয়েছেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী৷

তিনি বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার যা বলেছেন, তা হলো, সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় ক্যাম্প করে অবস্থান করবে৷ নির্বাচন কমিশন চাইলে তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে৷ তারা টহল দেবে না অথবা তাদের ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ারও দেয়া হচ্ছে না ৷

তিনি দাবি করেন, ‘পোলিং, প্রিসাইডিং বা রিটার্নিং অফিসাররা যদি সেনাবাহিনীকে সহায়তার জন্য কোনও পরিস্থিতিতে ডাকেন, তবে তারা কাজ করবেন৷ কিন্তু নির্বাচন কমিশনই তো তাদের দলীয় কমিশনে পরিণত হয়েছে৷ পোলিং, প্রিসাইডিং বা রিটার্নিং অফিসার তো তাদেরই লোক৷ তাহলে এই সেনা মোতায়েন করে কি কোনও কাজ হবে?’

বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯-১৩১ ধারা এবং ‘এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় সেনাবাহিনী সিভিল প্রশাসনকে তাদের চাহিদা মতো সহায়তা করতে পারে৷

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘সিভিল প্রশাসনকে সহায়তার যে বিধান, তাতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই৷ তবে বিএনপি যা চাইছে যে, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ার দিতে হবে, তা সংবিধান বা আইনে নেই৷ এটা সংবিধান ও আইনবিরোধী৷ পৃথিবীর কোনও দেশে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ার দেয়া হয় না৷ বিএনপি সব সময়ই সংবিধানবিরোধী অবস্থান নেয়৷ তারা সংবিধান মানতে চায় না৷’

বাংলাদেশে ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচন ছাড়া আর সব নির্বাচনেই সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেব নিয়োজিত ছিল৷ নির্বাচন কমিশনে কথা বলে জানা গেছে, এবারও সেনাবাহিনীর সদস্যরা জেলা, উপজেলা ও মহানগরে সুবিধাজনক জায়গায় অবস্থান করবে৷ নির্বাচন কমিশন সহায়তা চাইলে তারা মুভ করবে৷

সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন-এর প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘বিএনপি বা আরও কিছু বিরোধী রাজনৈতিক দল যেভাবে সেনাবাহিনীকে নির্বাচনের সময় ম্যাজিষ্ট্রেসি পাওয়ার দেয়ার দাবি করছে, তা সংবিধান ও আইন সমর্থন করে না৷ তবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা ক্যাম্পে বসে থাকলেও কোনও সুফল পাওয়া যাবে না৷ তাদের যদি স্বাধীনভাবে টহলের ক্ষমতা দেয়া হয়, তাহলে সেটা অনেক কাজে দেবে৷ তাদের মুভমেন্টের কারণে অপরাধী ও সমাজবিরোধীরা ভয়ে থাকত৷’

তিনি আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনী কাজ করবে নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী৷ এখন যদি পোলিং, প্রিসাইডিং বা রিটার্নিং অফিসাররা নিরপেক্ষ না হন, তাহলে কী হবে? তাদের নিরপেক্ষতার ওপরও অনেক কিছু নির্ভর করছে৷’

এদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে যখন সেনাবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমতা দেয়ার দাবি জানিয়েছিল, তখন নির্বাচন কমিশন স্পষ্টই জানিয়ে দেয় যে, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিষ্ট্রেসি ক্ষমতা দেয়ার কোনও সুযোগ নেই৷ নির্বাচনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কত সেনাসদস্য মোতায়েন করা হবে, একটি উপজেলা, জেলা বা মহানগরে কতজন থাকবেন, তা এখনো চূড়ান্ত নয়৷

প্রসঙ্গত, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ সাভার সেনানিবাসে গত সপ্তাহের এক অনুষ্ঠানে বলেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পেলে পেশাদারিত্বের সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করবে৷ সেনাবাহিনী অতীতেও পেশাদারিত্বের সাথে এই দায়িত্ব পালন করেছে৷ অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে সেনাবাহিনী৷

সূত্র: ডয়চে ভেলে