সংবাদ শিরোনাম:




নগরীতে শ্রমিকদের হটিয়ে সড়ক দখলে নিলো বিএম কলেজ শিক্ষার্থীরা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 08:51:39 pm, Saturday, 23 March 2019
  • 3 সংবাদটি দেখা হয়েছে




নিজস্ব প্রতিবেদক:বরিশাল-বানারীপাড়া আঞ্চলিক সড়কের গড়িয়ারপাড়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় অভিযুক্ত দুর্জয় পরিবহনের চালক জলিলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আন্দোলনে নেমে সড়ক অবরোধ ও গাড়ি ভাঙচুর করেছে শ্রমিকরা।শনিবার (২৩ মার্চ) সকাল থেকে ৯টা পর্যন্ত এমন তাণ্ডব চালায় শ্রমিকরা। এসময় বরিশাল রুটের সকল পরিবহন বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করতে থাকে।দু’একটি মাহিন্দ্র চলাচলের চেষ্টা করলে তা ভাঙচুর করা হয়। যদিও আলফা টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কামাল হোসেন লিটন মোল্লার হস্তক্ষেপে শ্রমিকরা আন্দোলন পরিহার করে বাস-মাহিন্দ্রা চলাচল স্বাভাবিক করে।

কিন্তু বর্তমানে আবারও পরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের আন্দোলনের পরপরই সেখানে ঘাতক বাস চালকের বিচারের দাবি নিয়ে সড়ক অবরোধ করে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সরকারি ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষার্থীরা। বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা নথুল্লাবাদ টার্মিনালের মূল সড়ক দখলে নিয়ে উই ওয়ান্ট জাস্টিজ, বোন হত্যার বিচার চাই, নিরাপদ সড়ক চাই-প্রভৃতি শ্লোগান দিতে থাকে।এর আগে সকাল ১০টায় বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বরিশাল সিটি কর্পেরারেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। সড়ক অবেরাধের সংবাদ শুনে তিনি ছুটে যান নথুল্লাবাদ।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করে বলেন, আমিও চা্ই দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। তবে সহিষ্ণু আন্দোলনের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করতে হবে। মেয়র উল্লেখ করেন, চারদিকে নির্বাচন চলছে। এই আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারীরা ভিন্ন ইস্যু তৈরি করতে পারে। সে কারণে সহিংসতা পরিহার করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করেছেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) বরিশাল জেলার সদস্য সচিব ডা: মনিষা চক্রবর্তী।ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন- উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) হাবিবুর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন, এয়ারপোর্ট থানা ও কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিপুল পরিমাণ পুলিশ সদস্য।কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম জানান, আমরা শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করছি। আশা করি স্বল্প সময়ের মধ্যে সড়ক স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

নগরীতে শ্রমিকদের হটিয়ে সড়ক দখলে নিলো বিএম কলেজ শিক্ষার্থীরা

প্রকাশের সময় : 08:51:39 pm, Saturday, 23 March 2019

নিজস্ব প্রতিবেদক:বরিশাল-বানারীপাড়া আঞ্চলিক সড়কের গড়িয়ারপাড়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় অভিযুক্ত দুর্জয় পরিবহনের চালক জলিলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আন্দোলনে নেমে সড়ক অবরোধ ও গাড়ি ভাঙচুর করেছে শ্রমিকরা।শনিবার (২৩ মার্চ) সকাল থেকে ৯টা পর্যন্ত এমন তাণ্ডব চালায় শ্রমিকরা। এসময় বরিশাল রুটের সকল পরিবহন বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করতে থাকে।দু’একটি মাহিন্দ্র চলাচলের চেষ্টা করলে তা ভাঙচুর করা হয়। যদিও আলফা টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কামাল হোসেন লিটন মোল্লার হস্তক্ষেপে শ্রমিকরা আন্দোলন পরিহার করে বাস-মাহিন্দ্রা চলাচল স্বাভাবিক করে।

কিন্তু বর্তমানে আবারও পরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকদের আন্দোলনের পরপরই সেখানে ঘাতক বাস চালকের বিচারের দাবি নিয়ে সড়ক অবরোধ করে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সরকারি ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষার্থীরা। বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা নথুল্লাবাদ টার্মিনালের মূল সড়ক দখলে নিয়ে উই ওয়ান্ট জাস্টিজ, বোন হত্যার বিচার চাই, নিরাপদ সড়ক চাই-প্রভৃতি শ্লোগান দিতে থাকে।এর আগে সকাল ১০টায় বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বরিশাল সিটি কর্পেরারেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। সড়ক অবেরাধের সংবাদ শুনে তিনি ছুটে যান নথুল্লাবাদ।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করে বলেন, আমিও চা্ই দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। তবে সহিষ্ণু আন্দোলনের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করতে হবে। মেয়র উল্লেখ করেন, চারদিকে নির্বাচন চলছে। এই আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারীরা ভিন্ন ইস্যু তৈরি করতে পারে। সে কারণে সহিংসতা পরিহার করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করেছেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) বরিশাল জেলার সদস্য সচিব ডা: মনিষা চক্রবর্তী।ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন- উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) হাবিবুর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন, এয়ারপোর্ট থানা ও কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিপুল পরিমাণ পুলিশ সদস্য।কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম জানান, আমরা শিক্ষার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করছি। আশা করি স্বল্প সময়ের মধ্যে সড়ক স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে।