বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




এখনো শুরু হয়নি বাঁধ মেরামত

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 02:26:51 am, Wednesday, 3 June 2020
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ আমপানের জেরে ডায়মন্ড হারবার ১ ও ২ ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় হুগলি নদীর বাঁধে ধস নেমেছে। কোথাও এখনও ধস না নামলেও, বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে নদীবাঁধ। সামনেই পুর্ণিমার কোটাল।

তার আগে বাঁধ মেরামতি না করলে জোয়ারের জল ঢুকে এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

 

 

দিন কয়েক আগে আমপানের দাপটে ডায়মন্ড হারবার ১ ব্লকের হাঁড়া ও সুলতানপুর গ্রামের কাছে প্রায় ২০০ মিটার জুড়ে হুগলি নদীর বাঁধে ধস নামে। ডায়মন্ড হারবার পুরসভা এলাকায় নুনগোলা পাড়ার পাশে নদী বাঁধে ধস নেমে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।

নুরপুর পঞ্চায়েতের পশ্চিম ভবানীপুর স্লুইজ গেটের কাছে এবং উত্তর নুরপুর ও শ্রীফলতলা গ্রামের কাছেও প্রায় এক হাজার ফুট বাঁধে ধস নেমেছে। কোথাও কোথাও আমপানের পর ভাঙা বাঁধে জোয়ারের জলের ধাক্কায় আবার ধস নেমেছে।

কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাঁধ সারাতে উদ্যোগী হচ্ছে না সেচ দফতর। সামনের কোটালের আগে বাঁধ সংস্কারের কাজ না শুরু হলে যে কোনও মুহুর্তে এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের।

নুরপুর এলাকা বাসিন্দা দেবদূত মণ্ডল বলেন, ‘‘ধস নামা বাঁধে এখনও কাজ শুরু করেনি সেচ দফতর। এই পরিস্থিতিতে কোটালের জোয়ারে সুকদেবপুর, শিমুলবেঁড়ে, নিলা, ভবানীপুর, মকুন্দপুর-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

ডায়মন্ড হারবার ১-এর বিডিও মিলনতীর্থ সামন্ত বলেন, ‘‘আমপানের জেরে হাঁড়া ও সুলতানপুর গ্রামের কাছে হুগলি নদীর বাঁধে প্রায় ৩০০ মিটার ধস নেমেছে।

ঝড়ের পরেই ওই বাঁধ পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। বিষয়টি সেচ দফতরকে জানানোর পর মেরামতির কাজ শুরু করেছে।

ডায়মন্ড হারবার ২-এর বিডিও নাজিরউদ্দিন সরকারি বলেন, ‘‘বাঁধে ধসের কথা মহকুমা শাসক ও সেচ দফতরকে জানিয়েছি।

ডায়মন্ড হারবার সেচ দফতরের সহকারি বাস্তুকার কৌশিক সাহা বলেন, ‘‘ধস নামা বাঁধগুলি দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।’’সুত্র, আনন্দবাজার

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

এখনো শুরু হয়নি বাঁধ মেরামত

প্রকাশের সময় : 02:26:51 am, Wednesday, 3 June 2020

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ আমপানের জেরে ডায়মন্ড হারবার ১ ও ২ ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় হুগলি নদীর বাঁধে ধস নেমেছে। কোথাও এখনও ধস না নামলেও, বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে নদীবাঁধ। সামনেই পুর্ণিমার কোটাল।

তার আগে বাঁধ মেরামতি না করলে জোয়ারের জল ঢুকে এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

 

 

দিন কয়েক আগে আমপানের দাপটে ডায়মন্ড হারবার ১ ব্লকের হাঁড়া ও সুলতানপুর গ্রামের কাছে প্রায় ২০০ মিটার জুড়ে হুগলি নদীর বাঁধে ধস নামে। ডায়মন্ড হারবার পুরসভা এলাকায় নুনগোলা পাড়ার পাশে নদী বাঁধে ধস নেমে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।

নুরপুর পঞ্চায়েতের পশ্চিম ভবানীপুর স্লুইজ গেটের কাছে এবং উত্তর নুরপুর ও শ্রীফলতলা গ্রামের কাছেও প্রায় এক হাজার ফুট বাঁধে ধস নেমেছে। কোথাও কোথাও আমপানের পর ভাঙা বাঁধে জোয়ারের জলের ধাক্কায় আবার ধস নেমেছে।

কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাঁধ সারাতে উদ্যোগী হচ্ছে না সেচ দফতর। সামনের কোটালের আগে বাঁধ সংস্কারের কাজ না শুরু হলে যে কোনও মুহুর্তে এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের।

নুরপুর এলাকা বাসিন্দা দেবদূত মণ্ডল বলেন, ‘‘ধস নামা বাঁধে এখনও কাজ শুরু করেনি সেচ দফতর। এই পরিস্থিতিতে কোটালের জোয়ারে সুকদেবপুর, শিমুলবেঁড়ে, নিলা, ভবানীপুর, মকুন্দপুর-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

ডায়মন্ড হারবার ১-এর বিডিও মিলনতীর্থ সামন্ত বলেন, ‘‘আমপানের জেরে হাঁড়া ও সুলতানপুর গ্রামের কাছে হুগলি নদীর বাঁধে প্রায় ৩০০ মিটার ধস নেমেছে।

ঝড়ের পরেই ওই বাঁধ পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। বিষয়টি সেচ দফতরকে জানানোর পর মেরামতির কাজ শুরু করেছে।

ডায়মন্ড হারবার ২-এর বিডিও নাজিরউদ্দিন সরকারি বলেন, ‘‘বাঁধে ধসের কথা মহকুমা শাসক ও সেচ দফতরকে জানিয়েছি।

ডায়মন্ড হারবার সেচ দফতরের সহকারি বাস্তুকার কৌশিক সাহা বলেন, ‘‘ধস নামা বাঁধগুলি দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।’’সুত্র, আনন্দবাজার