সংবাদ শিরোনাম:




ইভিএম প্রশিক্ষণে বাধা দেওয়ায় কাউন্সিলর প্রার্থী জাকির হোসেনকে নোটিশ

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 08:31:54 pm, Saturday, 21 July 2018
  • 16 সংবাদটি দেখা হয়েছে




 

স্টাফ রিপোর্টার: ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে ভোটারদের প্রশিক্ষণে বাধা দেওয়ার ঘটনায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ঠেলাগাড়ি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. জাকির হোসেনকে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

শনিবার (২১ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন খান।

সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও ইস্যুকৃত নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে ১২, ২০, ২১ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ১১টি কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। এ লক্ষ্যে ওয়ার্ডগুলোতে ভোটারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্যোগও নেওয়া হয়।

ধারাবাহিকতায় ১২ নম্বর ওয়ার্ডের নূরিয়া কিন্ডার গার্ডেন এবং কিশোর মজলিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সংলগ্ন এ আর এস বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচন কর্মকর্তারা শুক্রবার (২০ জুলাই) বিকেলে ভোটারদের প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়ে যান।

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রার্থী (আওয়ামী লীগ মনোনীত) জাকির হোসেন ও তার কর্মী সমর্থকরা প্রশিক্ষণ কাজে বিভিন্ন রকমের বাধা, হুমকি, ভয়ভীতি, অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করা, অবৈধ প্রভাব বিস্তার করা, অন্য প্রার্থীদের বিরুদ্ধ আচরণ করা এবং যন্ত্রপাতি ছিনিয়ে নিয়ে নষ্ট করার প্রচেষ্টা চালান। পাশাপাশি প্রার্থী নিজে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

সিটি নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন খান বলেন, প্রার্থী ও প্রার্থী সমর্থকদের এমন আচরণ সরকার এবং নির্বাচন কমিশনসহ রাষ্ট্রীয় কাজের বিরোধী এবং প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান পরিপন্থি।

এ লক্ষ্যে প্রার্থীর শাস্তির আওতায় আনাসহ প্রার্থিতা বাতিলের জন্য কেন নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ করা হবে না তা জানতে চিঠি পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাবসহ সশরীরে উপস্থিত হয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন-২০১৮ এর রিটার্নিং অফিসারের কাছে ব্যাখা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

HM Helal

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

ইভিএম প্রশিক্ষণে বাধা দেওয়ায় কাউন্সিলর প্রার্থী জাকির হোসেনকে নোটিশ

প্রকাশের সময় : 08:31:54 pm, Saturday, 21 July 2018

 

স্টাফ রিপোর্টার: ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে ভোটারদের প্রশিক্ষণে বাধা দেওয়ার ঘটনায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ঠেলাগাড়ি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. জাকির হোসেনকে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

শনিবার (২১ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন খান।

সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও ইস্যুকৃত নোটিশ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে ১২, ২০, ২১ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ১১টি কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। এ লক্ষ্যে ওয়ার্ডগুলোতে ভোটারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্যোগও নেওয়া হয়।

ধারাবাহিকতায় ১২ নম্বর ওয়ার্ডের নূরিয়া কিন্ডার গার্ডেন এবং কিশোর মজলিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সংলগ্ন এ আর এস বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচন কর্মকর্তারা শুক্রবার (২০ জুলাই) বিকেলে ভোটারদের প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়ে যান।

বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রার্থী (আওয়ামী লীগ মনোনীত) জাকির হোসেন ও তার কর্মী সমর্থকরা প্রশিক্ষণ কাজে বিভিন্ন রকমের বাধা, হুমকি, ভয়ভীতি, অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করা, অবৈধ প্রভাব বিস্তার করা, অন্য প্রার্থীদের বিরুদ্ধ আচরণ করা এবং যন্ত্রপাতি ছিনিয়ে নিয়ে নষ্ট করার প্রচেষ্টা চালান। পাশাপাশি প্রার্থী নিজে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

সিটি নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন খান বলেন, প্রার্থী ও প্রার্থী সমর্থকদের এমন আচরণ সরকার এবং নির্বাচন কমিশনসহ রাষ্ট্রীয় কাজের বিরোধী এবং প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান পরিপন্থি।

এ লক্ষ্যে প্রার্থীর শাস্তির আওতায় আনাসহ প্রার্থিতা বাতিলের জন্য কেন নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ করা হবে না তা জানতে চিঠি পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাবসহ সশরীরে উপস্থিত হয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন-২০১৮ এর রিটার্নিং অফিসারের কাছে ব্যাখা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।