রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ পরিকল্পনায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়। বিবিসির প্রতিবেদনে ওয়াশিংটন পোস্টের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এটি কোনো পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ বা দখল পরিকল্পনা নয়। বরং বিশেষ বাহিনী ও পদাতিক সেনাদের সমন্বয়ে সীমিত সময়ের ঝটিকা অভিযান পরিচালনার সম্ভাবনা বিবেচনায় রাখা হয়েছে। অভিযানের মেয়াদ নিয়ে মতভেদ রয়েছে— কেউ বলছেন কয়েক সপ্তাহ, আবার অন্য সূত্রের মতে কয়েক মাস পর্যন্ত চলতে পারে।
বর্তমানে উপসাগরীয় অঞ্চলে অগ্রসরমান মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোতে চার হাজারের বেশি মেরিন সেনা অবস্থান করছে। একই সঙ্গে ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্যারাট্রুপাররা প্রস্তুত রয়েছে এবং অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর বিষয়েও আলোচনা চলছে।
মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, সম্ভাব্য স্থল অভিযান যুদ্ধের নতুন ও বিপজ্জনক অধ্যায় শুরু করতে পারে। ইরানের উন্নত ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং প্রবল প্রতিরোধের মুখে মার্কিন বাহিনী বড় ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে খার্গ দ্বীপকে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে, যেখান দিয়ে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হয়। হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখার কৌশলগত লক্ষ্যেই এ পরিকল্পনা করা হতে পারে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব সম্ভাব্য সব বিকল্প প্রস্তুত রাখা, তবে এর অর্থ এই নয় যে স্থল হামলার সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ মার্কিন সেনা নিহত ও প্রায় ৩০০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
Leave a Reply