ভোলার শিবপুরে চাঁদা না পেয়ে ঘর উত্তোলনে বাঁধা Latest Update News of Bangladesh

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন পদক্ষেপ বরিশালে গৌরনদীতে তেলবাহী লরিতে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেল ফিলিং স্টেশন কলাপাড়ায় খাল দখলে কৃষকের দুর্ভোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি বানারীপাড়ায় নির্মাণ শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু, খাল থেকে মরদেহ উদ্ধার ফ্যাক্ট চেকিং ছাড়া সংবাদ প্রকাশে কঠোর সতর্কবার্তা তথ্যমন্ত্রীর প্রাথমিক শিক্ষায় গতি আনতে শনিবারেও পাঠদান শুরু দোয়া, তাওবা ও মানবকল্যাণের আহ্বানে শেষ চরমোনাই মাহফিল হাম পরিস্থিতিতে চিকিৎসাসেবা সচল রাখতে ছুটি বাতিল রাত আটটার পর বন্ধ থাকবে দেশের দোকানপাট-শপিংমল জ্বালানি সংকট: আমদানিনির্ভর দেশগুলো বিশেষ ঝুঁকির মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম




ভোলার শিবপুরে চাঁদা না পেয়ে ঘর উত্তোলনে বাঁধা

ভোলার শিবপুরে চাঁদা না পেয়ে ঘর উত্তোলনে বাঁধা




ভোলা প্রতিনিধি:ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের ৮নং ওয়ার্ডে, চাঁদা না পেয়ে ঘর উত্তোলনে বার বার বাঁধা দিচ্ছে স্থানীয় ভূমিদসু্যুরা। এলাকাবাসীরা জানান, ওই এলাকার মোঃ হাদিসের ছেলে প্রবাসী মাহে আলম রতন পুর মৌজায়, এসএ ১৩৮ ও ১৫৮নং খতিয়ানের ৮শতাংশ জমিতে পৈত্রিক সূত্রে মালিক হয়ে গত ৫ মাস আগে একটি ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করে।

কিছুদিন পূর্বে মাহে আলমের নগদ টাকা ও জমির উপর লোলুপ দৃষ্টি পরে স্থানীয় ভূমিদস্যু চক্রের মূল হোতা মৃত আছমত আলী মিয়ার ছেলে মানিক মিয়ার। মানিকের সাথে যোগ দেয় তার ছেলে মনির হোসেন ও বহিরাগত আরো ২ ভূমিদস্যু খলিল হাওলাদারের ছেলে কুদ্দুস হাওলাদার ও কালুমিয়ার ছেলে বশির উদ্দিন। জানাগেছে, গত ৫মাস যাবৎ মাহে আলম তার ঘর উত্তোলনের কাজে প্রায় ২০ লাখ টাকা ইনভেষ্ট করারপর হটাৎ করে উল্লেখিত ৪ ভূমিদস্যু নির্মান কাজে বাঁধা দিয়ে বলে, তারা এখানে জমি পাবে। তারা আরো বলে, সামনের দিকে ঘর উত্তোলনের কাজ করাতে হলে তাদেরকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা প্রদান করতে হবে।

এ ব্যাপারে মাহে আলম গংরা এলাকার গন্যমান্যদের একাধিকবার অবগত করলেও এ পর্যন্ত কোন প্রকার সুফল মেলেনি তাদের ভাগ্যে। অন্য দিকে চাঁদাবাজরা কয়েক দিন পর পর ঘর নির্মান কাজে বাঁধা দেয়াতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তাদের ক্রয় করা ইট, বালু, রড, সিমেন্টসহ লাখ লাখ টাকার নির্মান সামগ্রী। এ ব্যাপারা স্থানীয়রা আরো জানান, মাহে আলমের ঘর নির্মানের স্থানটিতে ইতিপূর্বে সুপারী বাগান ছিল। মাহে আলম গংরা প্রায় ২শত বছর যাবৎ এ জমিটি ভোগ দখল করে আসছে। বর্তমানে এক মাত্র ৫লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে বার বার নির্মান কাজে বাঁধা দিচ্ছে উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD