স্টাফ রিপোর্টার:
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা কড়াপুর গ্রামে নিজস্ব সম্পত্তিতে ভবন নির্মানের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একাধিক মামলা দায়ের করা হলে আদালত পর্যালোচনা করে এবং পুলিশ প্রতিবেদন, স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের রোয়েদাদনামা যাচাই বাছাই করে আলমগীর হোসেন কে ভবন নির্মান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে । ভবন নির্মান করার জন্য শোলনা এলাকার মৃত আঃ সত্তার হাওলাদারের ছেলে আলমগীর হোসেন আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন। এছাড়াও আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে পারুল বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছিলেন। পারুল বেগমের দায়ের করা মামলায় আদালত পর্যালোচনা ও প্রমানাদি গ্রহন করে আলমগীর হোসেনকেই ঘর নির্মান করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
জানা যায়, আলমগীর হোসেনের পিতা আঃ সত্তার হাওলাদার ১৯৫৮ সালে কিরন শশীদাস ও সেকান্দার আলীর নিকট থেকে পৃথক ২টি দলিলে রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়নের শোলনা গ্রামে ৩৪+৩৫ = ৬৯ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। দীর্ঘদিন ধরে সেখানেই বসবাস করে আসছেন।
পিতার মৃত্যুর পরে ওয়ারিশ সূত্রে ঐ জমির মালিক আলমগীর হোসেন ও তার স্বজনরা। এই জমি নিয়ে স্থানীয় পারুল বেগম ২০১৬ সালে আলমগীর হোসেনগংদের কে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেছিলেন। ঐ মামলায় আদালত আলমগীর হোসেনের পক্ষে রায় ঘোষনা করেন। স্থানীয় শালিসগণ ও আদালত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জমির মালিকানা ও দখলীয় সত্য প্রমানিত হওয়ায় আদালত উল্লেখিত রায় ঘোষনা করেন। এ রায়ের পরে আলমগীর হোসেনের বাড়িতে প্রতিপক্ষরা হামলা ভাংচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আলমগীর হোসেন। এ ঘটনায় চলতি মাসের ২৫ অক্টোবর এয়ারপোর্ট থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে। ডায়েরী নং ৯৬৪/১৮।
Reporter Name 
















