দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় বাস নদীতে, ২৩ মরদেহ হস্তান্তর Latest Update News of Bangladesh

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
Latest Update Bangla News 24/7 আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩
সংবাদ শিরোনাম:
তেল আবিবের আকাশে ঝাঁকে ঝাঁকে রহস্যময় কাক, মহাপ্রলয়ের ইঙ্গিত! শহিদদের স্মরণে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় বাস নদীতে, ২৩ মরদেহ হস্তান্তর শ্রদ্ধা, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় আয়োজনে স্বাধীনতা উদ্‌যাপন ঝালকাঠিতে ৪২ লাখ টাকার ব্রিজে ধস, অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয়দের রিকশায় আগমনেই নজর কাড়লেন বিসিসি’র নতুন প্রশাসক শিরিন আন্তর্জাতিক বাজারে ঊর্ধ্বগতি হলেও দেশে কমলো সোনার দাম স্বাধীনতা দিবস পালনের আহ্বান জানিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির ট্রাম্পের আলোচনায় ইরানের কঠিন শর্তে নতুন চ্যালেঞ্জ সচিবালয়ে স্বাধীনতা দিবসের ডাকটিকিট উন্মোচন, আজই মন্ত্রিসভা




দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় বাস নদীতে, ২৩ মরদেহ হস্তান্তর

দৌলতদিয়ায় ফেরিতে ওঠার সময় বাস নদীতে, ২৩ মরদেহ হস্তান্তর




ডেস্ক রিপোর্ট ॥ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়া যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাস থেকে এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে অব্যাহত রয়েছে যৌথ উদ্ধার অভিযান।

বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ নদীর তলদেশ থেকে বাসটি উত্তোলন করে। বাসটি ওপরে তোলার আগ পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়। এরপর রাতভর অভিযান চালিয়ে সকাল ৮টা পর্যন্ত আরও ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

হস্তান্তরকৃত ২৩ জনের পরিচয়: রেহেনা আক্তার(৬১) স্বামী- মৃত ইসমাঈল হোসেন খান, গ্রাম- ভবানীপুর, লালমিয়া সড়ক, রাজবাড়ী পৌরসভা, মর্জিনা খাতুন (৫৬) স্বামী- মো: আবু বক্কর সিদ্দিক, গ্রাম- মজমপুর, ওয়ার্ড নং-১৮, কুষ্টিয়া পৌরসভা, কুষ্টিয়া, রাজীব বিশ্বাস (২৮) পিতা- হিমাংশু বিশ্বাস, গ্রাম+ডাকঘর – খাগড়বাড়ীয়া, থানা- কুষ্টিয়া সদর, জহুরা অন্তি (২৭) পিতা- মৃত ডা: আবদুল আলীম, গ্রাম- সজ্জনকান্দা, ৫ নং ওয়ার্ড, রাজবাড়ী পৌরসভা, কাজী সাইফ (৩০) পিতা- কাজী মুকুল, গ্রাম- সজ্জনকান্দা, ৫ নং ওয়ার্ড, রাজবাড়ী পৌরসভা, মর্জিনা আক্তার(৩২) স্বামী- রেজাউল করিম, গ্রাম- চর বারকিপাড়া, ইউপি- ছোট ভাকলা, উপজেলা- গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী,

ইস্রাফিল (৩) পিতা- দেলোয়ার হোসেন, গ্রাম- ধুশুন্দু, ইউপি- সমাজপুর, উপজেলা-খোকসা, কুষ্টিয়া, সাফিয়া আক্তার রিন্থি(১২), পিতা-রেজাউল করিম, গ্রাম- চর বারকিপাড়া, ইউপি- ছোট ভাকলা, উপজেলা- গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী, ফাইজ শাহানূর(১১) পিতা- বিল্লাল হোসেন, গ্রাম- ভবানীপুর, ইউপি- বোয়ালিয়া, উপজেলা-কালুখালী, রাজবাড়ী, তাজবিদ(৭) পিতা- কেবিএম মুসাব্বির, ৫ং ওয়ার্ড, সজ্জনকান্দা, রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী, আরমান খান(৩১), পিতা- আরব খান, পশ্চিম খালখোলা, উপজেলা- বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ী। (গাড়ির চালক), নাজমিরা @ জেসমিন(৩০), স্বামী- আব্দুল আজিজ, গ্রাম- বেলগাছি, ইউপি- মদেন্দ্রপুর, উপজেলা-কালুখালী, রাজবাড়ী, লিমা আক্তার(২৬) পিতা- সোবাহান মন্ডল, গ্রাম-রামচন্দ্রপুর, ইউপি- মিজানপুর, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী,

জোস্ন্যা (৩৫) স্বামী- মান্নান মন্ডল, গ্রাম- বড় চর বেনি নগর, ইউপি- মিজানপুর, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী, মুক্তা খানম(৩৮) স্বামী- মৃত জাহাঙ্গীর আলম, পিতা- সিদ্দিকুর রহমান, গ্রাম- নোয়াধা, ইউপি- আমতলী, উপজেলা- কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ, নাছিমা (৪০) স্বামী- মৃত নূর ইসলাম, গ্রাম-মথুয়ারাই, ইউপি-পলাশবাড়ী, উপজেলা-পার্বতীপুর , দিনাজপুর, আয়েশা আক্তার সুমা(৩০), স্বামী- মো: নুরুজ্জামান, গ্রাম- বাগধুনিয়া পালপাড়া, উপজেলা-আশুলিয়া, ঢাকা জেলা, সোহা আক্তার(১১) পিতা- সোহেল মোল্লা, গ্রাম- রাজবাড়ী পৌরসভা, রাজবাড়ী, আয়েশা সিদ্দিকা(১৩)পিতা- গিয়াসউদ্দিন রিপন, গ্রাম + ইউপি- সমসপুর, উপজেলা-খোকসা, কুষ্টিয়া, আরমান(৭ মাস), পিতা- নুরুজ্জামান, গ্রাম- খন্দকবাড়িয়া, ইউপি- কাচেরকোল, উপজেলা-শৈলকুপা, ঝিনাইদহ, আব্দুর রহমান(৬) পিতা-আব্দুল আজিজ, গ্রাম- মহেন্দ্রপুর, ইউপি-রতনদিয়া, উপজেলা- কালুখালী, রাজবাড়ী, সাবিত হাসান(৮) পিতা- শরিফুল ইসলাম, গ্রাম- আগমারাই, ইউপি-দাদশি, রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ী, আহনাফ তাহমিদ খান (২৫) পিতা- ইসমাইল হোসেন খান, গ্রাম-ভবানীপুর, ৮নং ওয়ার্ড, রাজবাড়ী সদর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে সরাসরি নদীতে পড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে বাসটি পানির নিচে তলিয়ে গেলে যাত্রীরা বের হওয়ার সুযোগ পাননি।

দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ৪৫ আসনের বিপরীতে ৫০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। জেলা পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌ পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন যৌথভাবে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ঘাট এলাকায় নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনরা ভিড় জমিয়ে অপেক্ষা করছেন। অনেকেই প্রিয়জনের খোঁজে কান্নায় ভেঙে পড়েন। পুরো এলাকা জুড়ে শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে উদ্ধার অভিযান পর্যবেক্ষণ করছেন।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, নদীর স্রোত ও গভীরতা উদ্ধার কাজে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবুও নিখোঁজদের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে।

এ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ফেরিঘাটে যানবাহন ওঠানামার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD