বিধবা ভাতা পাচ্ছেন মেম্বারের স্ত্রী-দুই শ্যালিকা |

বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০৩:০৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি ভয়েস অব বরিশালকে জানাতে ই-মেইল করুন- inbox.voiceofbarishal@gmail.com অথবা hmhalelbsl@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।*** প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে!! বরিশাল বিভাগের সমস্ত জেলা,উপজেলা,বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড ও ক্যাম্পাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! ফোন: ০১৭৬৩৬৫৩২৮৩




বিধবা ভাতা পাচ্ছেন মেম্বারের স্ত্রী-দুই শ্যালিকা

বিধবা ভাতা পাচ্ছেন মেম্বারের স্ত্রী-দুই শ্যালিকা

বিধবা ভাতা পাচ্ছেন মেম্বারের স্ত্রী-দুই শ্যালিকা




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ ফেনীর ফুলগাজীর দরবারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার কামরুজ্জামান কামরুল নিজেকে মৃত দেখিয়ে স্ত্রী সালমা তাহিনুরকে পাইয়ে দিচ্ছেন বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা। একইভাবে ভাতা পাচ্ছেন তার দুই শ্যালিকা উম্মে রুমান ও উম্মে কুলসুম।

 

 

এছাড়া ছেলে নাভিদুল হাসানের পিতৃপরিচয় গোপন করে তাকেও প্রতিবন্ধী ভাতা পাইয়ে দিচ্ছেন কামরুল মেম্বার। শ্বশুর নুরেজ্জমান ও শাশুড়ি বিবি আয়েশা পাচ্ছেন বয়স্ক ভাতা, বউয়ের বড় ভাই আনিসুজ্জামানের জন্য ব্যবস্থা করে দিয়েছেন প্রতিবন্ধী ভাতা।

 

 

গ্রামের অসহায় মানুষদের ঠকিয়ে এভাবেই সরকারের ভাতাসেবা নিয়ে দুর্নীতি করছেন মেম্বার কামরুজ্জামান। অভিযোগ এসেছে, পরিবারের বাইরে যারা ভাতা সুবিধা ভোগ করছেন তারাও কামরুজ্জামানের পছন্দের। অর্থাৎ তার পছন্দের মানুষ হলেই মিলবে ভাতা কার্ড।

 

 

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ মজুমদার অভিযোগ করেন, ওয়ার্ডে এমন অনেকে আছেন ভাতা পাবার যোগ্য কিন্তু পাচ্ছেন না। এমনও অভিযোগ রয়েছে, এক বছরের টাকা দেওয়ার শর্তে কিছু লোককে বয়স্ক ভাতা কার্ড দিয়েছেন কামরুজ্জামান।

 

 

অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রসঙ্গে অভিযুক্ত কামরুজ্জামান কামরুল জানান, ওয়ার্ডের সব প্রাপ্য ব্যক্তিকে ভাতা কার্ড দেওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের জন্য তা গ্রহণ করেছেন তিনি। নিজের সন্তানকে প্রতিবন্ধী লিপিবদ্ধ করা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০১৮ সালের পূর্বে সে রিকশা থেকে পড়ে হাত ভেঙে ছিল তাই প্রতিবন্ধী কার্ড পেয়েছে।

 

 

শ্যালিকা উম্মে কুলসুম ও উম্মে রুমানের স্বামী যথাক্রমে মো. কাইয়ুম এবং জিয়া উদ্দিন চৌধুরীকে জীবিত থেকেও মৃত দেখানো প্রসঙ্গে দুই বোন বলেন, ভাতা কীভাবে পাচ্ছেন তা জানেন না। তারা ভাতার আবেদন করেননি।

 

 

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হারুন মিয়া জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৭ জনের একটি যাচাই ও বাছাই কমিটির মাধ্যমে ভাতা কার্ডের জন্য নাম চূড়ান্ত হয়। কমিটিতে ১২ জন মেম্বার ছাড়াও ইউএনওর প্রতিনিধি, উপজেলা পরিষদের প্রতিনিধি, সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রতিনিধি এবং পরিষদের সচিব রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কমিটিতে সভাপতি হিসেবে থাকেন।

 

 

সমাজসেবা কার্যালয় সূত্র জানায়, উপজেলায় মোট সাত হাজার ৭১৭ জন ভাতা সুবিধা ভোগ করছেন। এরমধ্যে বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন চার হাজার ২৩ জন, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা পাচ্ছেন এক হাজার ৯৬০ জন, প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন এক হাজার ৭৩৪ জন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *










Facebook

Shares
© ভয়েস অব বরিশাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Developed BY: AMS IT BD
Shares