ঝালকাঠি প্রতিনিধি॥ করোনাকালীন এ দুর্যোগে অসহায় কর্মীদের পাশে নেই ঝালকাঠি জেলা বিএনপির নেতারা। ফলে অনেক কর্মীই বিএনপি নামক দলকে ভুলতে বসেছে। ক্ষোভ আর অনাগ্রহ নিয়ে কেউ কেউ দলও ছাড়ছেন।
এদিকে করোনাভাইরাসে আতঙ্ক, উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে মানুষ। এমতাবস্থায় কোনো দুস্থ ও অসহায় মানুষ যেন না খেয়ে থাকে সে ব্যাপারে জরুরিভাবে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সরকারের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবেও ত্রাণসামগ্রী নিয়েও মানুষের দ্বারে ছুটছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
সরকার ও আওয়ামী লীগ ঘরবন্দী মানুষের পাশে থাকলেও দেখা মিলছে না বিএনপি নেতাকর্মীদের। এমন কি কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো সহযোগিতাও করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
জানা গেছে, জেলায় জাতীয় পার্টির চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। তবু কোনো ধরনের সক্রিয়তা নেই। দুঃসময়ে বা দুর্যোগেও কেউ কারো পাশে থাকছেন না। জেলা নেতাদের সঙ্গে কর্মীদের দূরত্ব বাড়ছে। ফলে তৃণমূলে জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে দলটি।
কাঁঠালিয়া গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. হারুন অর রশিদ বলেন, মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে সরকার কিন্তু বিএনপি কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেনা। এমনকি দলীয় কর্মীদেরও খোঁজখবর রাখছেন না জেলার নেতারা।
তবে এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদি হাসান খান বাপ্পী বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দল থেকে ত্রাণসামগ্রী দিতে না পারলেও নিজ নিজ উদ্যোগে দেয়ার চেষ্টা করেছি।
ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তফা কামাল মন্টু বলেন, করোনাকালে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো সহযোগিতা না করায় নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন তৃণমূলের অনেক কর্মী। এছাড়া সাংগঠনিক কার্যক্রম না থাকায় সক্রিয় কর্মীরাও ঝিমিয়ে পড়েছেন।
Reporter Name 















