বিজ্ঞপ্তি :
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প




ঝালকাঠিতে দুপুর আড়াইটার আগেই স্কুল ছুটি !

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 04:15:52 pm, Monday, 14 January 2019
  • 3 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ঝালকাঠি প্রতিনিধি:স্কুলে এসে কোনো রকমে দু`-চারটি ক্লাস নেন শিক্ষকরা। এরপর দুপুর আড়াইটা বাজতেই গুটিগুটি পায়ে একে একে বেরিয়ে পড়েন শিক্ষকেরা। সে দিনের মতো স্কুল ছুটি। স্থানীয় বাসিন্দা ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ এমনটাই নাকি রেওয়াজ ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের ফুলহরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। ফলে প্রতিদিনেই কমছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা। ক্ষুদ্ধ অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।সরেজমিনে দুপুর পৌনে ৩টায় ফুলহরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, অফিস কক্ষসহ শ্রেণিকক্ষগুলোতে ঝুলছে তালা। বিদ্যালয়ের বারান্দায় কয়েকজন শিশু শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় শিশুরা হইচই করছে।

 

 

এ সময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বেশ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, সকাল ৯টা থেকে স্কুল শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু শিক্ষকরা এসে পৌঁছান বেলা ১০টা থেকে ১১টা নাগাদ।

 

ঘড়ির কাটায় আড়াইটা বাজলেই একে একে বাড়ি ফিরতে শুরু করেন শিক্ষকেরা। যদিও অন্য সব স্কুলের মতোই বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত পাঠদান চলার কথা। কিন্তু বেশিরভাগ দিনই দুপুরের খাওয়ার সময় হলেই স্কুল ছুটি দিয়ে বাড়ি চলে যাচ্ছেন শিক্ষকেরা।

 

 

তারা আরো বলেন, এলাকার লোকজন বহুবার স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে স্কুল সঠিক সময়ে খোলা ও যথাযথ পাঠদান যাতে হয় সেই আবেদনও জানিয়েছেন।

 

 

কিন্তু প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা এলাকাবাসীর কথা আমল নেননি।’ তবে স্কুলে কর্মরত শিক্ষকেরা এইসব অভিযোগ মানতে নারাজ।

 

 

এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক সনাতন চক্রবর্তী বলেন, প্রতিদিন নির্ধারিত সময়েই স্কুল ছুটি হয়। ওই দিন অফিসিয়াল কাজে সোয়া ৩টার দিকে আমি স্কুল থেকে চলে আসি।

 

কিন্তু অন্যান্য শিক্ষকদের নির্ধারিত সময় পর্যন্ত স্কুলে থাকার কথা ছিল।

 

 

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগে ছুটি দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। ঘটনাটি সত্য প্রমাণিত হলে ওই স্কুলের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ঝালকাঠিতে দুপুর আড়াইটার আগেই স্কুল ছুটি !

প্রকাশের সময় : 04:15:52 pm, Monday, 14 January 2019

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:স্কুলে এসে কোনো রকমে দু`-চারটি ক্লাস নেন শিক্ষকরা। এরপর দুপুর আড়াইটা বাজতেই গুটিগুটি পায়ে একে একে বেরিয়ে পড়েন শিক্ষকেরা। সে দিনের মতো স্কুল ছুটি। স্থানীয় বাসিন্দা ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ এমনটাই নাকি রেওয়াজ ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের ফুলহরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। ফলে প্রতিদিনেই কমছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা। ক্ষুদ্ধ অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।সরেজমিনে দুপুর পৌনে ৩টায় ফুলহরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, অফিস কক্ষসহ শ্রেণিকক্ষগুলোতে ঝুলছে তালা। বিদ্যালয়ের বারান্দায় কয়েকজন শিশু শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় শিশুরা হইচই করছে।

 

 

এ সময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বেশ কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, সকাল ৯টা থেকে স্কুল শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু শিক্ষকরা এসে পৌঁছান বেলা ১০টা থেকে ১১টা নাগাদ।

 

ঘড়ির কাটায় আড়াইটা বাজলেই একে একে বাড়ি ফিরতে শুরু করেন শিক্ষকেরা। যদিও অন্য সব স্কুলের মতোই বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত পাঠদান চলার কথা। কিন্তু বেশিরভাগ দিনই দুপুরের খাওয়ার সময় হলেই স্কুল ছুটি দিয়ে বাড়ি চলে যাচ্ছেন শিক্ষকেরা।

 

 

তারা আরো বলেন, এলাকার লোকজন বহুবার স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে স্কুল সঠিক সময়ে খোলা ও যথাযথ পাঠদান যাতে হয় সেই আবেদনও জানিয়েছেন।

 

 

কিন্তু প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা এলাকাবাসীর কথা আমল নেননি।’ তবে স্কুলে কর্মরত শিক্ষকেরা এইসব অভিযোগ মানতে নারাজ।

 

 

এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক সনাতন চক্রবর্তী বলেন, প্রতিদিন নির্ধারিত সময়েই স্কুল ছুটি হয়। ওই দিন অফিসিয়াল কাজে সোয়া ৩টার দিকে আমি স্কুল থেকে চলে আসি।

 

কিন্তু অন্যান্য শিক্ষকদের নির্ধারিত সময় পর্যন্ত স্কুলে থাকার কথা ছিল।

 

 

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগে ছুটি দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। ঘটনাটি সত্য প্রমাণিত হলে ওই স্কুলের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।