বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




২০৫০ সালে ভয়াবহ তাপপ্রবণ দেশের তালিকায় ছয়ে বাংলাদেশ

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 12:52:48 pm, Tuesday, 27 January 2026
  • 4 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ডেস্ক রিপোর্ট ॥ ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম চরম তাপপ্রবণ দেশে পরিণত হতে পারে বাংলাদেশ—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণা। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো না গেলে আগামী ২৫ বছরে চরম তাপে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হতে পারে।

গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, বৈশ্বিক উষ্ণতা শিল্প-পূর্ব সময়ের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রায় ৪১ শতাংশ মানুষ অসহনীয় তাপপ্রবাহের মধ্যে বসবাস করবে।

তাপপ্রবাহের ঝুঁকি নিরূপণে ব্যবহার করা হয়েছে ‘কুলিং ডিগ্রি ডেইজ’ (সিডিডি) সূচক। বছরে ৩ হাজারের বেশি সিডিডি থাকা অঞ্চলগুলোকে চরম তাপপ্রবণ হিসেবে ধরা হয়েছে।

এই সূচক অনুযায়ী, চরম তাপে বসবাসকারী জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষ দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ফিলিপাইন।

গবেষণার প্রধান লেখক ড. জেসুস লিজানা বলেন, বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলে তাপমাত্রা ইতোমধ্যেই মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাপপ্রবাহের কারণে দেশে হিটস্ট্রোক, হৃদযন্ত্রের সমস্যা ও কিডনি রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়বে।

গবেষণায় আরও বলা হয়, নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে শীতলীকরণের চাহিদা দ্রুত বাড়বে, যা ‘কুলিং ট্র্যাপ’ তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ শীতলীকরণের জন্য বেশি জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার হলে জলবায়ু পরিবর্তন আরও ত্বরান্বিত হবে।

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখতে না পারলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

২০৫০ সালে ভয়াবহ তাপপ্রবণ দেশের তালিকায় ছয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : 12:52:48 pm, Tuesday, 27 January 2026

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম চরম তাপপ্রবণ দেশে পরিণত হতে পারে বাংলাদেশ—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণা। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ‘নেচার সাসটেইনেবিলিটি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো না গেলে আগামী ২৫ বছরে চরম তাপে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হতে পারে।

গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, বৈশ্বিক উষ্ণতা শিল্প-পূর্ব সময়ের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রায় ৪১ শতাংশ মানুষ অসহনীয় তাপপ্রবাহের মধ্যে বসবাস করবে।

তাপপ্রবাহের ঝুঁকি নিরূপণে ব্যবহার করা হয়েছে ‘কুলিং ডিগ্রি ডেইজ’ (সিডিডি) সূচক। বছরে ৩ হাজারের বেশি সিডিডি থাকা অঞ্চলগুলোকে চরম তাপপ্রবণ হিসেবে ধরা হয়েছে।

এই সূচক অনুযায়ী, চরম তাপে বসবাসকারী জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষ দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ফিলিপাইন।

গবেষণার প্রধান লেখক ড. জেসুস লিজানা বলেন, বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলে তাপমাত্রা ইতোমধ্যেই মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাপপ্রবাহের কারণে দেশে হিটস্ট্রোক, হৃদযন্ত্রের সমস্যা ও কিডনি রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়বে।

গবেষণায় আরও বলা হয়, নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে শীতলীকরণের চাহিদা দ্রুত বাড়বে, যা ‘কুলিং ট্র্যাপ’ তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ শীতলীকরণের জন্য বেশি জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার হলে জলবায়ু পরিবর্তন আরও ত্বরান্বিত হবে।

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখতে না পারলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।