বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না লালমোহন পশুর হাটের ক্রেতা-বিক্রেতারা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 03:36:18 pm, Sunday, 19 July 2020
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




লালমোহন প্রতিনিধি॥ ভোলার লালমোহন উপজেলায় প্রায় ২০টি স্থানে বসছে কোরবানির পশুর হাট। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই চলছে প্রতিটি গবাদি পশুর হাটগুলো। করোনা মহামারীতে প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুর তালিকায়ও যোগ হচ্ছে নতুন নতুন নাম।

 

 

সরেজমিনে লালমোহন, হরিগঞ্জ, চতলা বাজার, রায়চাঁদ, লর্ডহার্ডিঞ্জ, মঙ্গলসিকদার বাজার গিয়ে দেখা যায় একটু একটু করে জমতে শুরু করেছে পশুর হাট। তবে মহামারি করোনার কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ক্রেতা কম। উপজেলার সব পশুর হাটগুলোতে দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গাদাগাদি করে কেনাকাটা করছে ক্রেতা-বিক্রেতারা। বেশিরভাগ ক্রেতা-বিক্রেতার মুখে নেই মাস্ক। সীমিত পরিসরে ও সামাজিক দূরত্বসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুরহাট পরিচালনার কথা থাকলেও কিছুই মানা হচ্ছে না এখানে।

 

 

হাটে গরু কিনতে আসা আব্দুল মালেক ও গনি বেপারি নামের দু’জন ক্রেতা জানান, আমরা দুপুরের দিকে এসেছি। হাটের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আমাদের উপজেলায় করোনা বলতে কিছুই নেই। এভাবে চলতে থাকলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা আমাদের উপজেলার জন্য বিপদজনক। স্থানীয় সচেতনমহলের দাবি কর্তৃপক্ষ যেন বিষয়টি নজরে আনেন।

 

 

তবে প্রতিটি হাটের ইজারাদার বলেন, অবশ্যই আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানা প্রয়োজন, আমরা চেষ্টাও করছি। কিন্তু অনেক ক্রেতা-বিক্রেতা আমাদের কথা শুনছেন না, তারা না বুঝলে আমরা আর করার কি আছে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে অনেকে মনে করেন।

 

 

সচেতনমহলের দাবি বিষয়টি লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান রুমি স্যার যেন প্রতিটি পশুরহাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট পরিচালনা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

 

 

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: হাবিবুল হাসান রুমির সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না লালমোহন পশুর হাটের ক্রেতা-বিক্রেতারা

প্রকাশের সময় : 03:36:18 pm, Sunday, 19 July 2020

লালমোহন প্রতিনিধি॥ ভোলার লালমোহন উপজেলায় প্রায় ২০টি স্থানে বসছে কোরবানির পশুর হাট। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করেই চলছে প্রতিটি গবাদি পশুর হাটগুলো। করোনা মহামারীতে প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুর তালিকায়ও যোগ হচ্ছে নতুন নতুন নাম।

 

 

সরেজমিনে লালমোহন, হরিগঞ্জ, চতলা বাজার, রায়চাঁদ, লর্ডহার্ডিঞ্জ, মঙ্গলসিকদার বাজার গিয়ে দেখা যায় একটু একটু করে জমতে শুরু করেছে পশুর হাট। তবে মহামারি করোনার কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ক্রেতা কম। উপজেলার সব পশুর হাটগুলোতে দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গাদাগাদি করে কেনাকাটা করছে ক্রেতা-বিক্রেতারা। বেশিরভাগ ক্রেতা-বিক্রেতার মুখে নেই মাস্ক। সীমিত পরিসরে ও সামাজিক দূরত্বসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুরহাট পরিচালনার কথা থাকলেও কিছুই মানা হচ্ছে না এখানে।

 

 

হাটে গরু কিনতে আসা আব্দুল মালেক ও গনি বেপারি নামের দু’জন ক্রেতা জানান, আমরা দুপুরের দিকে এসেছি। হাটের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আমাদের উপজেলায় করোনা বলতে কিছুই নেই। এভাবে চলতে থাকলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা আমাদের উপজেলার জন্য বিপদজনক। স্থানীয় সচেতনমহলের দাবি কর্তৃপক্ষ যেন বিষয়টি নজরে আনেন।

 

 

তবে প্রতিটি হাটের ইজারাদার বলেন, অবশ্যই আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানা প্রয়োজন, আমরা চেষ্টাও করছি। কিন্তু অনেক ক্রেতা-বিক্রেতা আমাদের কথা শুনছেন না, তারা না বুঝলে আমরা আর করার কি আছে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে অনেকে মনে করেন।

 

 

সচেতনমহলের দাবি বিষয়টি লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান রুমি স্যার যেন প্রতিটি পশুরহাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট পরিচালনা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

 

 

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: হাবিবুল হাসান রুমির সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।