মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 01:25:36 am, Wednesday, 7 October 2020
  • 3 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে সাতক্ষীরার আশাশুনির পল্লীতে শিশু শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুকে (৭) ধর্ষণের অভিযোগে তরিকুল ইসলাম (১৮) নামে একজনের বিরদ্ধে মামলা করেছেন শিশুটির মা। সোমবার দুপুরে উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাসিমাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

ভিকটিম শিশুটির মা মাসুরা পারভীন বলেন, তরিকুল আমার স্বামী পরিত্যক্তা ফুফু শাশুড়ির ছেলে। আমার ঘরের পরেই তাদের ঘর। সোমবার দুপুরে সে মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে আমার মেয়েকে তার ঘরে নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর মেয়ের ডাক-চিৎকার শুনে তরিকুলের ঘরের মধ্যে গেলে সে আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এসময় মেয়েটি বিবস্ত্র অবস্থায় কান্নাকাটি করছিল। গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় ওই রাতেই আমি মেয়েটির চিকিৎসার জন্য আশাশুনি হাসপাতালে নিয়ে আসি।

 

 

তিনি জানান, তরিকুলের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে হাসপাতালে চিকিৎসক ডা. শহিদুল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হয় ভিকটিমকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষা করলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

 

 

অপরদিকে, একইদিনে আশাশুনি সদরের আদালতপুর গ্রামে ৩য় শ্রেণির এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে থানায় আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

 

মামলার বাদী আদালতপুর গ্রামের ইটভাটা শ্রমিক ফারুক মোল্যার স্ত্রী শরিফা খাতুন।

 

 

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকালে দুর্গাপুর প্রাইমারি স্কুলের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী পাশের বাড়ির শিশুদের সাথে খেলছিল। এ সময় পাশের বাড়ির ইসলাম গাজী অন্য শিশুদের বাড়িতে যেতে বলে শিশু মেয়েটিকে নিয়ে রান্নাঘরে নিয়ে তার উপর যৌন নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে শিশুটি চিৎকার করলে ইসলাম গাজী তাকে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

 

 

এ ঘটনায় আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. গোলাম কবীর জানান, শিশু দুটির মায়েদের অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন আইনে পৃথক দুটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

 

 

তিনি বলেন, প্রথম ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ও দ্বিতীয় ভিকটিমকে জবানবন্দী দিতে সাতক্ষীরা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : 01:25:36 am, Wednesday, 7 October 2020

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে সাতক্ষীরার আশাশুনির পল্লীতে শিশু শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুকে (৭) ধর্ষণের অভিযোগে তরিকুল ইসলাম (১৮) নামে একজনের বিরদ্ধে মামলা করেছেন শিশুটির মা। সোমবার দুপুরে উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাসিমাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

ভিকটিম শিশুটির মা মাসুরা পারভীন বলেন, তরিকুল আমার স্বামী পরিত্যক্তা ফুফু শাশুড়ির ছেলে। আমার ঘরের পরেই তাদের ঘর। সোমবার দুপুরে সে মোবাইলে ছবি দেখানোর কথা বলে আমার মেয়েকে তার ঘরে নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর মেয়ের ডাক-চিৎকার শুনে তরিকুলের ঘরের মধ্যে গেলে সে আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এসময় মেয়েটি বিবস্ত্র অবস্থায় কান্নাকাটি করছিল। গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় ওই রাতেই আমি মেয়েটির চিকিৎসার জন্য আশাশুনি হাসপাতালে নিয়ে আসি।

 

 

তিনি জানান, তরিকুলের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে হাসপাতালে চিকিৎসক ডা. শহিদুল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হয় ভিকটিমকে যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষা করলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

 

 

অপরদিকে, একইদিনে আশাশুনি সদরের আদালতপুর গ্রামে ৩য় শ্রেণির এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে থানায় আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

 

মামলার বাদী আদালতপুর গ্রামের ইটভাটা শ্রমিক ফারুক মোল্যার স্ত্রী শরিফা খাতুন।

 

 

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ঘটনার দিন বিকালে দুর্গাপুর প্রাইমারি স্কুলের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী পাশের বাড়ির শিশুদের সাথে খেলছিল। এ সময় পাশের বাড়ির ইসলাম গাজী অন্য শিশুদের বাড়িতে যেতে বলে শিশু মেয়েটিকে নিয়ে রান্নাঘরে নিয়ে তার উপর যৌন নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে শিশুটি চিৎকার করলে ইসলাম গাজী তাকে ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

 

 

এ ঘটনায় আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. গোলাম কবীর জানান, শিশু দুটির মায়েদের অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন আইনে পৃথক দুটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

 

 

তিনি বলেন, প্রথম ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ও দ্বিতীয় ভিকটিমকে জবানবন্দী দিতে সাতক্ষীরা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।