বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




ভোলায় ৫ হাজার জেলে পরিবারের চরম হতাশা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 07:38:22 pm, Monday, 1 April 2019
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভোলা প্রতিনিধি:দ্বীপ জেলা ভোলার ঐতিহ্যবাহী ইলিশা ও রাজাপুর দুটি ইউনিয়নের প্রায় মানুষ ভয়াল মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙ্গনে সর্বস্ব হারিয়ে তাদের শেষ উপায় প্রধানমন্ত্রী এবং ভোলা-১ আসনের এমপি সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের প্রচেষ্টায় নদীভাঙ্গন এলাকাটি সিসি ব্লকের মাধ্যমে রোধ করা হয়।এই দুটি ইউনিয়নে এখন প্রায় ৫হাজার জেলে পরিবার রয়েছে। তাদের একমাত্র আয়ের উৎসব নদীতে জাল ফেলে মাছ শিকার করা। কিন্তু পূর্বে ইলিশা ফেরিঘাটের পাশে ছোট একটি খাল ছিল, নদীতে জেলেরা মাছ শিকার করে তাদের জাল নৌকা ও ট্রলার ওই খালে নোঙ্গর করতেন।

নদীভাঙ্গন রক্ষায় সিসি ব্লকের মাধ্যমে বাধঁ নির্মিত হলে ওই খালটিও সিসি-ব্লকের অন্তর্ভুক্ত হওয়াতে জেলেদের নৌকা ও ট্রলার সিসি ব্লকের উপরে কিংবা পাশে নোঙ্গর করতে হয়। এতে দেখা যায় নৌকা-ট্রলারগুলো দিন দিন ভেঙ্গে যাচ্ছে।সোমবার (১এপিল) দুপুরে দিকে ওই দুটি ইউনিয়নের কয়েক’শ জেলেরা সিসি ব্লকের উপর দাড়িয়ে নৌকা ও ট্রলার রাখার খাল খননের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও তোফায়েল আহমেদ এমপি এবং প্রশাসনের কাছে সাংবাদিকদের মাধ্যমে এ জোর দাবি জানান জেলে পরিবার।

ভুক্তভুগী জেলেরা বলেন, ভোলার গণ মানুষের নেতা এবং যার সু-নজরে ইলিশা-রাজাপুর ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ মেঘনার কড়াল গ্রাস থেকে রক্ষা পেয়েছে তিনিই তোফায়েল আহমেদ এমপি। যার ঋণ আমরা কোনদিন শোধ করতে পারবো না। তার কাছে আমাদের আরেকটি দাবি রয়েছে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা জংশনের কালুপুর ও রাজাপুর এর সিমানাবর্তী কালুপুর মৌজায় আনুমানিক ৩০০ মিটার খাল খনন করে আমাদের অসহায় জেলেদের নৌকা ও ট্রলারগুলো যেন নোঙ্গর করতে পারি তার সু-ব্যবস্থা তিনি করবেন।

এর আগে ফেরিঘাটের পাশে একটি খাল ছিল ওই খালে সকল জেলেরা নৌকা ও ট্রলার নোঙ্গও করতেন, কিন্তু সেই খালটিও সিসি ব্লক দিয়ে বাঁধ দেয়াতে নৌকা-ট্রলার রাখার কোন জায়গা নেই। সিসি ব্লকের ওপর এবং পাশে নোঙ্গর করলে নৌকা ট্রলার ভেঙ্গে যায়।গতকাল রোববার (৩১ মার্চ) রাতে ঝড়ের কবলে পরে জেলেদের অনেক নৌক-ট্রলার ভেঙ্গে যায় এবং প্রবল বাতাসের কবলে ছুটে গিয়ে নদীতে ডুবে গেছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জামাল কোম্পানী, তাহের ভুলাই, রহিজল মিয়া, আলম মিঝি, সাহাবুদ্দিন ফরাজী, মিলন মালতিয়া, ঈমন মাঝি, রহিম মাঝি, গাজী বেপারী, কালাম বেপারী, ইউসুফ মাঝি, মহসিন মাঝি, মাইনউদ্দিন মীর, নিরব মাঝি, জশিম বেপারী, দুলাল পাটোয়ারীসহ স্থানীয় কয়েক’শ জেলে। এবিষয়ে ইলিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাছনাইন আহমেদ হাছান মিয়া জানান, আসলেই একটি খাল খনন করা জরুরী তা না হলে জেলেদের নৌকা-ট্রলার রাখার কষ্টকর হয়ে যায় এবং যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে ঝড় তুফান আসলে।ভোলা জেলা প্রশাসক মো. মাসুদ আলম সিদ্দিক জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি তাদের নৌকা ও ট্রলার রাখার ব্যবস্থা করা হবে। হয়তো কিছুদিন সময় লাগবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

ভোলায় ৫ হাজার জেলে পরিবারের চরম হতাশা

প্রকাশের সময় : 07:38:22 pm, Monday, 1 April 2019

ভোলা প্রতিনিধি:দ্বীপ জেলা ভোলার ঐতিহ্যবাহী ইলিশা ও রাজাপুর দুটি ইউনিয়নের প্রায় মানুষ ভয়াল মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙ্গনে সর্বস্ব হারিয়ে তাদের শেষ উপায় প্রধানমন্ত্রী এবং ভোলা-১ আসনের এমপি সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের প্রচেষ্টায় নদীভাঙ্গন এলাকাটি সিসি ব্লকের মাধ্যমে রোধ করা হয়।এই দুটি ইউনিয়নে এখন প্রায় ৫হাজার জেলে পরিবার রয়েছে। তাদের একমাত্র আয়ের উৎসব নদীতে জাল ফেলে মাছ শিকার করা। কিন্তু পূর্বে ইলিশা ফেরিঘাটের পাশে ছোট একটি খাল ছিল, নদীতে জেলেরা মাছ শিকার করে তাদের জাল নৌকা ও ট্রলার ওই খালে নোঙ্গর করতেন।

নদীভাঙ্গন রক্ষায় সিসি ব্লকের মাধ্যমে বাধঁ নির্মিত হলে ওই খালটিও সিসি-ব্লকের অন্তর্ভুক্ত হওয়াতে জেলেদের নৌকা ও ট্রলার সিসি ব্লকের উপরে কিংবা পাশে নোঙ্গর করতে হয়। এতে দেখা যায় নৌকা-ট্রলারগুলো দিন দিন ভেঙ্গে যাচ্ছে।সোমবার (১এপিল) দুপুরে দিকে ওই দুটি ইউনিয়নের কয়েক’শ জেলেরা সিসি ব্লকের উপর দাড়িয়ে নৌকা ও ট্রলার রাখার খাল খননের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও তোফায়েল আহমেদ এমপি এবং প্রশাসনের কাছে সাংবাদিকদের মাধ্যমে এ জোর দাবি জানান জেলে পরিবার।

ভুক্তভুগী জেলেরা বলেন, ভোলার গণ মানুষের নেতা এবং যার সু-নজরে ইলিশা-রাজাপুর ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ মেঘনার কড়াল গ্রাস থেকে রক্ষা পেয়েছে তিনিই তোফায়েল আহমেদ এমপি। যার ঋণ আমরা কোনদিন শোধ করতে পারবো না। তার কাছে আমাদের আরেকটি দাবি রয়েছে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা জংশনের কালুপুর ও রাজাপুর এর সিমানাবর্তী কালুপুর মৌজায় আনুমানিক ৩০০ মিটার খাল খনন করে আমাদের অসহায় জেলেদের নৌকা ও ট্রলারগুলো যেন নোঙ্গর করতে পারি তার সু-ব্যবস্থা তিনি করবেন।

এর আগে ফেরিঘাটের পাশে একটি খাল ছিল ওই খালে সকল জেলেরা নৌকা ও ট্রলার নোঙ্গও করতেন, কিন্তু সেই খালটিও সিসি ব্লক দিয়ে বাঁধ দেয়াতে নৌকা-ট্রলার রাখার কোন জায়গা নেই। সিসি ব্লকের ওপর এবং পাশে নোঙ্গর করলে নৌকা ট্রলার ভেঙ্গে যায়।গতকাল রোববার (৩১ মার্চ) রাতে ঝড়ের কবলে পরে জেলেদের অনেক নৌক-ট্রলার ভেঙ্গে যায় এবং প্রবল বাতাসের কবলে ছুটে গিয়ে নদীতে ডুবে গেছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জামাল কোম্পানী, তাহের ভুলাই, রহিজল মিয়া, আলম মিঝি, সাহাবুদ্দিন ফরাজী, মিলন মালতিয়া, ঈমন মাঝি, রহিম মাঝি, গাজী বেপারী, কালাম বেপারী, ইউসুফ মাঝি, মহসিন মাঝি, মাইনউদ্দিন মীর, নিরব মাঝি, জশিম বেপারী, দুলাল পাটোয়ারীসহ স্থানীয় কয়েক’শ জেলে। এবিষয়ে ইলিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাছনাইন আহমেদ হাছান মিয়া জানান, আসলেই একটি খাল খনন করা জরুরী তা না হলে জেলেদের নৌকা-ট্রলার রাখার কষ্টকর হয়ে যায় এবং যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে ঝড় তুফান আসলে।ভোলা জেলা প্রশাসক মো. মাসুদ আলম সিদ্দিক জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি তাদের নৌকা ও ট্রলার রাখার ব্যবস্থা করা হবে। হয়তো কিছুদিন সময় লাগবে।