শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
ডেস্ক রিপোর্ট ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সম্ভাব্য সহিংসতা ও নাশকতা ঠেকাতে সরকার ব্যাপক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে সামনে রেখে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা সাত দিন সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করে।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ভোটের চার দিন আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে নামবে। ভোটের দিন এবং ভোটের পরবর্তী দুই দিন পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবে। এ সময় ভোটকেন্দ্র, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তর, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা প্রায় পৌনে ১৩ কোটি। ৩০০টি আসনে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে দুই লাখ ৬০ হাজারের মতো ভোটকক্ষ থাকবে। প্রাথমিক সভায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১৩ থেকে ১৮ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য রাখার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তায় সাত লাখের বেশি সদস্য দায়িত্বে থাকবেন। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির সদস্য থাকবেন সাড়ে পাঁচ লাখের মতো। সশস্ত্রবাহিনীর সদস্য থাকবেন ৯০ হাজারের বেশি। পাশাপাশি পুলিশ, র্যাব, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্টগার্ডের সদস্যরাও মোতায়েন থাকবেন।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল ঘোষণার পরদিন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হন। পরবর্তীতে দুইটি নির্বাচনি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলে সিইসি, নির্বাচন কমিশনার, সচিবসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা ও দপ্তরগুলোর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়।
তফসিল ঘোষণার আগে দুই দফা এবং তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। ওইসব বৈঠকের সিদ্ধান্তের আলোকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই পরিপত্র জারি করে।
Leave a Reply