সংবাদ শিরোনাম:




ভাঙা পা রেখে শিশুর ভালো পায়ে প্লাস্টার

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 02:42:51 pm, Friday, 11 October 2019
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




নিজস্ব প্রতিনিধি॥ ডিউটিরত ডাক্তার জরুরি বিভাগে উপস্থিত না থাকায় ওয়ার্ডবয়ের ভুল চিকিৎসার শিকার হয়েছে প্রীতম নামে চার বছরের এক শিশু। তার ভাঙা পা রেখে ভালো পায়ে প্লাস্টার করা হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ হাসপাতালে।

জানা গেছে, বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকালে খালিয়াজুরী উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের পাথরা গ্রামে পরিতোষ সরকার তার চার বছরের শিশুসন্তান প্রীতমের ডান পা ভাঙ্গা অবস্থায় মোহনগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন।

প্রীতমের ডান পা ভাঙ্গা চিকিৎসায় প্লাস্টারের জন্য জরুরি বিভাগে পাঠান ডা. সুবির সরকার। সেখানে ডিউটিরত ডা. তানবীর হাসান জরুরি বিভাগে উপস্থিত না থাকায় ওয়ার্ডবয় জামাল মিয়া বিষয়টি লক্ষ্য না করেই রোগীর ভাঙ্গা পা রেখে ভালো পা প্লাস্টার করে দেয়। রাতে শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে নিয়ে তার বাবা মোহনগঞ্জ হাসপাতালে পুনরায় আসেন। জরুরি বিভাগের ময়না নামে চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারী প্রীতমের ভালো পায়ের প্লাস্টার খুলে ভাঙ্গা পা প্লাস্টার করে দেয়।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ শামছুর আলম বলেন, শিশুটিকে ভুল চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

ভাঙা পা রেখে শিশুর ভালো পায়ে প্লাস্টার

প্রকাশের সময় : 02:42:51 pm, Friday, 11 October 2019

নিজস্ব প্রতিনিধি॥ ডিউটিরত ডাক্তার জরুরি বিভাগে উপস্থিত না থাকায় ওয়ার্ডবয়ের ভুল চিকিৎসার শিকার হয়েছে প্রীতম নামে চার বছরের এক শিশু। তার ভাঙা পা রেখে ভালো পায়ে প্লাস্টার করা হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ হাসপাতালে।

জানা গেছে, বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকালে খালিয়াজুরী উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের পাথরা গ্রামে পরিতোষ সরকার তার চার বছরের শিশুসন্তান প্রীতমের ডান পা ভাঙ্গা অবস্থায় মোহনগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন।

প্রীতমের ডান পা ভাঙ্গা চিকিৎসায় প্লাস্টারের জন্য জরুরি বিভাগে পাঠান ডা. সুবির সরকার। সেখানে ডিউটিরত ডা. তানবীর হাসান জরুরি বিভাগে উপস্থিত না থাকায় ওয়ার্ডবয় জামাল মিয়া বিষয়টি লক্ষ্য না করেই রোগীর ভাঙ্গা পা রেখে ভালো পা প্লাস্টার করে দেয়। রাতে শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে নিয়ে তার বাবা মোহনগঞ্জ হাসপাতালে পুনরায় আসেন। জরুরি বিভাগের ময়না নামে চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারী প্রীতমের ভালো পায়ের প্লাস্টার খুলে ভাঙ্গা পা প্লাস্টার করে দেয়।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ শামছুর আলম বলেন, শিশুটিকে ভুল চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।