‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’ ধর্ষককে…

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 02:43:44 am, Thursday, 10 September 2020
  • 3 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করে চলে যাওয়ার সময় ধর্ষককে ঝাপটে ধরে চিৎকার দেন ধর্ষিতা তরুণী (২০)। পরে বাড়ির লোকজন ধর্ষককে আটক করে রাতভর বেঁধে রাখে।

 

এ ঘটনায় ধর্ষকের পরিবার ঘটনা ধামাচাপা দিতে সালিসে বিচারের চেষ্টাকালে পুলিশ গিয়ে আজ বুধবার সকালে ধষর্ককে আটক করে। মামলার পর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ধর্ষিতাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

কাল বৃহস্পতিবার ধর্ষককে আদালতে পাঠনো হবে। এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইলের হালিউড়া গ্রামে।

 

 

স্থানীয় সূত্র, ধর্ষিতার পরিবার ও পুলিশ জানায়, উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের পাঁচরুখি গ্রামের মৃত সুনু মিয়ার ছেলে মো. ইমরানের (২৫)-এর সাথে মোবাইলে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে পাশের খারুয়া ইউনিয়নের হালিউড়া গ্রামের এক তরুণীর। এক পর্যায়ে গতকাল মঙ্গলবার রাতে তরুণীর বাড়িতে যায় ইমরান।

 

এসময় বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ করেন তিনি। ধর্ষণের পর ইমরান চলে যেতে চাইলে তরুনী ধস্তাধস্তি করে ঝাপটে ধরে তাকে। পরে বিয়ের কথা বললে অস্বীকার করে ইমরান।

 

এ অবস্থায় পরিবারের লোকজন তাকে ধরে বাঁশের খুটির সাথে বেঁধে রাখে। সকালে গ্রাম্য সালিসকারীরা ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে সালিসের আয়োজন করার চেষ্টাকালে খবর পায় পুলিশ।

 

এ সময় নান্দাইল থানার উপপরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম একদল পুলিশসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে সালিসের আয়োজন থেকে তরুনী ও অভিযুক্ত ধর্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

 

 

নান্দাইল থানার ওসি তদন্ত আবুল হাসেম জানান, নির্যাতনের শিকার তরুণীকে বাদী করে মামলা গ্রহন করা হয়েছে। তরুণীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) অভিযুক্ত ইমরানকে আদালতে পাঠানো হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’ ধর্ষককে…

প্রকাশের সময় : 02:43:44 am, Thursday, 10 September 2020

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করে চলে যাওয়ার সময় ধর্ষককে ঝাপটে ধরে চিৎকার দেন ধর্ষিতা তরুণী (২০)। পরে বাড়ির লোকজন ধর্ষককে আটক করে রাতভর বেঁধে রাখে।

 

এ ঘটনায় ধর্ষকের পরিবার ঘটনা ধামাচাপা দিতে সালিসে বিচারের চেষ্টাকালে পুলিশ গিয়ে আজ বুধবার সকালে ধষর্ককে আটক করে। মামলার পর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ধর্ষিতাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

কাল বৃহস্পতিবার ধর্ষককে আদালতে পাঠনো হবে। এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইলের হালিউড়া গ্রামে।

 

 

স্থানীয় সূত্র, ধর্ষিতার পরিবার ও পুলিশ জানায়, উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের পাঁচরুখি গ্রামের মৃত সুনু মিয়ার ছেলে মো. ইমরানের (২৫)-এর সাথে মোবাইলে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে পাশের খারুয়া ইউনিয়নের হালিউড়া গ্রামের এক তরুণীর। এক পর্যায়ে গতকাল মঙ্গলবার রাতে তরুণীর বাড়িতে যায় ইমরান।

 

এসময় বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণ করেন তিনি। ধর্ষণের পর ইমরান চলে যেতে চাইলে তরুনী ধস্তাধস্তি করে ঝাপটে ধরে তাকে। পরে বিয়ের কথা বললে অস্বীকার করে ইমরান।

 

এ অবস্থায় পরিবারের লোকজন তাকে ধরে বাঁশের খুটির সাথে বেঁধে রাখে। সকালে গ্রাম্য সালিসকারীরা ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে সালিসের আয়োজন করার চেষ্টাকালে খবর পায় পুলিশ।

 

এ সময় নান্দাইল থানার উপপরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম একদল পুলিশসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে সালিসের আয়োজন থেকে তরুনী ও অভিযুক্ত ধর্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

 

 

নান্দাইল থানার ওসি তদন্ত আবুল হাসেম জানান, নির্যাতনের শিকার তরুণীকে বাদী করে মামলা গ্রহন করা হয়েছে। তরুণীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) অভিযুক্ত ইমরানকে আদালতে পাঠানো হবে।