সংবাদ শিরোনাম:




বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 10:16:52 pm, Monday, 16 August 2021
  • 0 সংবাদটি দেখা হয়েছে




বরগুনা প্রতিনিধি॥ বরগুনার সদর উপজেলার ৫ নম্বর আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো: সিয়াম (১৫) নামের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

 

 

সে উপজেলার ৫ নম্বর ইউনিয়নের পুরাকাটা গ্রামের মো: জসিমের একমাত্র ছেলে এবং জর্জিয়া মডেল হাই স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র।

 

 

সিয়ামের বাবা মো: জসীম বলেন, আমি দূরে থাকার কারণে স্কুল শিক্ষকদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি আমার ছেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরগুনা জেলা হাসপাতালে পথে রয়েছে। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে এসে দেখি আমার ছেলে জীবিত নেই।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও সহপাঠী মো: আরিফ হোসেন বলেন, হঠাৎ চিৎকার শুনতে পাই এবং ছুটে গিয়ে ভবনের ছাদে বৈদ্যুতিক তারের সাথে ঝুলতে দেখি। লাঠির মাধ্যমে তার থেকে তাকে সরাতে সক্ষম হই আমি। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি।

 

 

বরগুনা সদর হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডাক্তার সুব্রত ভৌমিক বলেন, শিক্ষার্থীকে আনতে অনেক সময় নিয়েছে। অনেক চেষ্টা করার পরেও তাকে বাঁচাতে সক্ষম হয়নি আমরা।

 

 

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে এম তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দিয়েছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

প্রকাশের সময় : 10:16:52 pm, Monday, 16 August 2021

বরগুনা প্রতিনিধি॥ বরগুনার সদর উপজেলার ৫ নম্বর আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো: সিয়াম (১৫) নামের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

 

 

সে উপজেলার ৫ নম্বর ইউনিয়নের পুরাকাটা গ্রামের মো: জসিমের একমাত্র ছেলে এবং জর্জিয়া মডেল হাই স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র।

 

 

সিয়ামের বাবা মো: জসীম বলেন, আমি দূরে থাকার কারণে স্কুল শিক্ষকদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি আমার ছেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরগুনা জেলা হাসপাতালে পথে রয়েছে। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে এসে দেখি আমার ছেলে জীবিত নেই।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও সহপাঠী মো: আরিফ হোসেন বলেন, হঠাৎ চিৎকার শুনতে পাই এবং ছুটে গিয়ে ভবনের ছাদে বৈদ্যুতিক তারের সাথে ঝুলতে দেখি। লাঠির মাধ্যমে তার থেকে তাকে সরাতে সক্ষম হই আমি। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি।

 

 

বরগুনা সদর হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডাক্তার সুব্রত ভৌমিক বলেন, শিক্ষার্থীকে আনতে অনেক সময় নিয়েছে। অনেক চেষ্টা করার পরেও তাকে বাঁচাতে সক্ষম হয়নি আমরা।

 

 

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে এম তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দিয়েছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।