বিক্রি হচ্ছে ভোলায় রং মেশানো পঁচা মাছ

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 01:11:10 am, Wednesday, 23 January 2019
  • 6 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ইমতিয়াজুর রহমান।।ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার দক্ষিণ আইচা বাজারে বিক্রি হচ্ছে রং মেশানো নানা প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ। ক্রেতারা তাজা মনে করে এসব মাছ কিনে নিচ্ছেন।

২২ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকালে উপজেলার দক্ষিণ আইচা বাজারে ঝুড়িভর্তি রং মেশানো চেউয়া/ দরগি মাছ প্রকাশ্যে গাড়িতে তুলতে দেখা গেছে স্থানীয় একাধিক মাছ ব্যাবসায়ীকে।

 

 

স্থানীয় মাছ বিক্রেতা সবুজ বলেন, ‘এই বাজারের কেউ মাছে রং মেশান না। অন্যতম পাইকারি মাছের বাজার চর কচ্ছপিয়া মৎস্য ঘাটের অসাধু কিছু ব্যবসায়ী পঁচা মাছে ক্ষতিকর লাল রং মিশিয়ে বিক্রি করছেন। আমরা সেখান থেকে কিনে এই বাজারে বিক্রি করছি।’

 

 

ওই বাজারে নিয়মিত বাজার করেন আসরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘শুধু রং মেশানো নয়! এখানে ক্রেতাদেরও ঠকানো হয়। পচা মাছকে তাজা রাখতেই ওই কাজ করা হয়। তবে মাছের বাজারে কোনও দিন খাদ্য দফতরের লোকজনকে অভিযান করতে দেখিনি। বাধ্য হয়েই আমাদের এই বিষ মেশানো খাবার খেতে হয়।’

 

 

চর মানিকা ইউনিয়ন মৎস্যলীগের সভাপতি মান্নান দালাল বলনে, ‘আমাদের বাজারে এ ধরনের কাজ হয় না। তবে কয়েকজন অসাধু ব্যবসায়ী ওই কাজ করেন বলে শুনেছি।

 

 

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার বলেন, ‘এ উপজেলা মৎস্য ঘাটগুলোসহ বিভিন্ন হাটবাজারে ক্ষতিকর রং মেশানো মাছ বিক্রি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

 

চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ সিরাজ উদ্দিন বলেন, ‘বিষাক্ত রং মেশানো মাছ খেলে নানা ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে। ক্যানসারের ঝুঁকিও থাকে।

 

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

বিক্রি হচ্ছে ভোলায় রং মেশানো পঁচা মাছ

প্রকাশের সময় : 01:11:10 am, Wednesday, 23 January 2019

ইমতিয়াজুর রহমান।।ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার দক্ষিণ আইচা বাজারে বিক্রি হচ্ছে রং মেশানো নানা প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ। ক্রেতারা তাজা মনে করে এসব মাছ কিনে নিচ্ছেন।

২২ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকালে উপজেলার দক্ষিণ আইচা বাজারে ঝুড়িভর্তি রং মেশানো চেউয়া/ দরগি মাছ প্রকাশ্যে গাড়িতে তুলতে দেখা গেছে স্থানীয় একাধিক মাছ ব্যাবসায়ীকে।

 

 

স্থানীয় মাছ বিক্রেতা সবুজ বলেন, ‘এই বাজারের কেউ মাছে রং মেশান না। অন্যতম পাইকারি মাছের বাজার চর কচ্ছপিয়া মৎস্য ঘাটের অসাধু কিছু ব্যবসায়ী পঁচা মাছে ক্ষতিকর লাল রং মিশিয়ে বিক্রি করছেন। আমরা সেখান থেকে কিনে এই বাজারে বিক্রি করছি।’

 

 

ওই বাজারে নিয়মিত বাজার করেন আসরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘শুধু রং মেশানো নয়! এখানে ক্রেতাদেরও ঠকানো হয়। পচা মাছকে তাজা রাখতেই ওই কাজ করা হয়। তবে মাছের বাজারে কোনও দিন খাদ্য দফতরের লোকজনকে অভিযান করতে দেখিনি। বাধ্য হয়েই আমাদের এই বিষ মেশানো খাবার খেতে হয়।’

 

 

চর মানিকা ইউনিয়ন মৎস্যলীগের সভাপতি মান্নান দালাল বলনে, ‘আমাদের বাজারে এ ধরনের কাজ হয় না। তবে কয়েকজন অসাধু ব্যবসায়ী ওই কাজ করেন বলে শুনেছি।

 

 

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার বলেন, ‘এ উপজেলা মৎস্য ঘাটগুলোসহ বিভিন্ন হাটবাজারে ক্ষতিকর রং মেশানো মাছ বিক্রি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

 

চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ সিরাজ উদ্দিন বলেন, ‘বিষাক্ত রং মেশানো মাছ খেলে নানা ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে। ক্যানসারের ঝুঁকিও থাকে।