বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




বানারীপাড়ায় রাস্তার ওপরেই তৈরি হচ্ছে নিষিদ্ধ বৌ গাড়ি!

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 12:50:37 am, Tuesday, 3 September 2019
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




মো. সুজন মোল্লা,বানারীপাড়া,বরিশাল থেকে: বানারীপাড়ায় পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র ব্যাস্ততম এলাকা,বাস স্ট্যান্ড ও উপজেলা পরিষদের সামনের প্রধান সড়কের ওপরে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে নিষিদ্ধ বৌ গাড়ি। সরেজমিনে দেখাগেছে বাসস্ট্যান্ড এলাকেই আনোয়ার হোসেন,জামাল,সুমন,মিলন ও সালেক নামের ৫জন মালিকের ওর্য়াকসপে নিয়ম নীতির কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে মালিকরা অবৈধ এ গাড়িগুলো তৈরি করছেন দিনের পর দিন।

উপজেলায় বৌ গাড়ি তৈরির ৬টি ওয়ার্কসপের মধ্যে ৫টি পৌর শহরের মধ্যে অপর একটি সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের আহম্মদাবাদ বেতাল ক্লাব সংলগ্ন বাবুর ওয়ার্কসপ। এদের মধ্যে কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানাগেছে ৬টি ওয়ার্কসপে প্রতিমাসে গড়ে ১৮/২০ গাড়ি তৈরি হয়। আর নিষিদ্ধ এ গাড়ি তৈরি করতে বিশেষ জায়গা ম্যানেজ করেই তাদের কাজ করতে হচ্ছে।

বৌ নামক গাড়িগুলো তৈরিকরা নিষিদ্ধ হলেও ম্যানেজ প্রক্রিয়ার ফলে ছোট্ট এই পৌর শহরের সড়কে প্রতিদিনই নেমে পরে নতুন কোন বৌ গাড়ি। একটি পরিসংখ্যান ও বানারীপাড়া রিক্সা,ভ্যান ও বৌ গাড়ির শ্রমিক সংগঠন থেকে জানাগেছে বর্তমানে পৌর শহরে ভোরের আলো নামতে না নামতেই প্রায় ৫শতাধিক গাড়ি নেমে পরে। এদের মধ্যে বৌ গাড়ির সংখ্যাই বেশি। আরও রয়েছে ব্যাটারি চালিত রিক্সা,ভ্যান,ম্যাজিক গাড়ি,সম্পূর্ণ ভাবে অবৈধ ও নিষিদ্ধ টমটম ও ট্রলি।

ছোট্ট এ শহরে ৫ শতাধিক গাড়ির আসা-যাওয়ায় সম সময়ই প্রধান সড়কে জ্যাম লেগেই থাকে। ফলে চরম দূর্ভোগে পড়েন শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধরা। অপরদিকে সড়কে এতো বিপুল পরিমান গাড়ি চলাচল করলেও বরিশাল বিভাগের যেকোন এলাকার চেয়ে এখানকার চালকরা দিগুন ভাড়া আদায় করে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। আর এ কারেনই এখানকার সড়কে এতো পরিমান গাড়ি চলছে। আর প্রতিদিনই কোন না কোন দূর্ঘটনা লেগেই আছে। জানাগেছে কোন প্রকার জবাবদিহিতা না থাকার ফলে এ উপজেলার হালকা যানবাহনের চালক বা মালিকদের লাগাম টানা সম্ভব হচ্ছেনা।

নাগ কান ও গলা বিশেষজ্ঞদের মতে হালকা যানবাহনে ডিজিটাল হর্ণ লাগানোর ফলে পথচারিসহ যাত্রীদের শ্রবণশক্তি দিনের পর দিন মারাত্বক ঝুঁকির দিকে পতিত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে কোমলমতি শিশুরা।

এদিকে সড়কের ওপরে বসে বৌ গাড়ি তৈরি করা হলেও প্রসাশনের দিক থেকে প্রকার নজরদারি না থাকায় যে কোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এখানকার সাধারণ মানুষ। সরেজমিনে ২ সেপ্টেম্বর সকালে বাস স্ট্যান্ড লাগোয়া সড়কের ওপরে বসে একজন বৌ গাড়ি তৈরির শ্রমিক বিদ্যুতের লাইন সংযুক্ত মেশিন দিয়ে গাড়ির ঝালাই দিচ্ছিলেন আর ঝালাইয়ের আগুনের ফুলকিগুলো গিয়ে মানুষের গায়ে পড়ছিলো। তার পরেও সড়কে বসে গাড়ি তৈরির কাজ থেমে থাকেনি। এই অনিয়মের প্রতিকার চান এখানকার ভূক্তভোগী এলাকাবাসী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

বানারীপাড়ায় রাস্তার ওপরেই তৈরি হচ্ছে নিষিদ্ধ বৌ গাড়ি!

প্রকাশের সময় : 12:50:37 am, Tuesday, 3 September 2019

মো. সুজন মোল্লা,বানারীপাড়া,বরিশাল থেকে: বানারীপাড়ায় পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র ব্যাস্ততম এলাকা,বাস স্ট্যান্ড ও উপজেলা পরিষদের সামনের প্রধান সড়কের ওপরে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে নিষিদ্ধ বৌ গাড়ি। সরেজমিনে দেখাগেছে বাসস্ট্যান্ড এলাকেই আনোয়ার হোসেন,জামাল,সুমন,মিলন ও সালেক নামের ৫জন মালিকের ওর্য়াকসপে নিয়ম নীতির কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে মালিকরা অবৈধ এ গাড়িগুলো তৈরি করছেন দিনের পর দিন।

উপজেলায় বৌ গাড়ি তৈরির ৬টি ওয়ার্কসপের মধ্যে ৫টি পৌর শহরের মধ্যে অপর একটি সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের আহম্মদাবাদ বেতাল ক্লাব সংলগ্ন বাবুর ওয়ার্কসপ। এদের মধ্যে কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানাগেছে ৬টি ওয়ার্কসপে প্রতিমাসে গড়ে ১৮/২০ গাড়ি তৈরি হয়। আর নিষিদ্ধ এ গাড়ি তৈরি করতে বিশেষ জায়গা ম্যানেজ করেই তাদের কাজ করতে হচ্ছে।

বৌ নামক গাড়িগুলো তৈরিকরা নিষিদ্ধ হলেও ম্যানেজ প্রক্রিয়ার ফলে ছোট্ট এই পৌর শহরের সড়কে প্রতিদিনই নেমে পরে নতুন কোন বৌ গাড়ি। একটি পরিসংখ্যান ও বানারীপাড়া রিক্সা,ভ্যান ও বৌ গাড়ির শ্রমিক সংগঠন থেকে জানাগেছে বর্তমানে পৌর শহরে ভোরের আলো নামতে না নামতেই প্রায় ৫শতাধিক গাড়ি নেমে পরে। এদের মধ্যে বৌ গাড়ির সংখ্যাই বেশি। আরও রয়েছে ব্যাটারি চালিত রিক্সা,ভ্যান,ম্যাজিক গাড়ি,সম্পূর্ণ ভাবে অবৈধ ও নিষিদ্ধ টমটম ও ট্রলি।

ছোট্ট এ শহরে ৫ শতাধিক গাড়ির আসা-যাওয়ায় সম সময়ই প্রধান সড়কে জ্যাম লেগেই থাকে। ফলে চরম দূর্ভোগে পড়েন শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধরা। অপরদিকে সড়কে এতো বিপুল পরিমান গাড়ি চলাচল করলেও বরিশাল বিভাগের যেকোন এলাকার চেয়ে এখানকার চালকরা দিগুন ভাড়া আদায় করে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। আর এ কারেনই এখানকার সড়কে এতো পরিমান গাড়ি চলছে। আর প্রতিদিনই কোন না কোন দূর্ঘটনা লেগেই আছে। জানাগেছে কোন প্রকার জবাবদিহিতা না থাকার ফলে এ উপজেলার হালকা যানবাহনের চালক বা মালিকদের লাগাম টানা সম্ভব হচ্ছেনা।

নাগ কান ও গলা বিশেষজ্ঞদের মতে হালকা যানবাহনে ডিজিটাল হর্ণ লাগানোর ফলে পথচারিসহ যাত্রীদের শ্রবণশক্তি দিনের পর দিন মারাত্বক ঝুঁকির দিকে পতিত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে কোমলমতি শিশুরা।

এদিকে সড়কের ওপরে বসে বৌ গাড়ি তৈরি করা হলেও প্রসাশনের দিক থেকে প্রকার নজরদারি না থাকায় যে কোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এখানকার সাধারণ মানুষ। সরেজমিনে ২ সেপ্টেম্বর সকালে বাস স্ট্যান্ড লাগোয়া সড়কের ওপরে বসে একজন বৌ গাড়ি তৈরির শ্রমিক বিদ্যুতের লাইন সংযুক্ত মেশিন দিয়ে গাড়ির ঝালাই দিচ্ছিলেন আর ঝালাইয়ের আগুনের ফুলকিগুলো গিয়ে মানুষের গায়ে পড়ছিলো। তার পরেও সড়কে বসে গাড়ি তৈরির কাজ থেমে থাকেনি। এই অনিয়মের প্রতিকার চান এখানকার ভূক্তভোগী এলাকাবাসী।