সংবাদ শিরোনাম:




বানারীপাড়ায় করোনা যোদ্ধা সজল চৌধুরীকে ৩নং ওয়ার্ড বাসী কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায়

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 11:42:49 pm, Friday, 23 October 2020
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




মো. সুজন মোল্লা,বানারীপাড়া॥ দিনক্ষণ চুড়ান্ত না হলেও বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডেই নির্বাচনের আগাম আমেজে সরগরম হয়ে উঠেছে পুরো উপ-শহরটি।। ইতোমধ্যেই সরকারে থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে একাধিক মেয়র প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা জানান দিয়ে পোষ্টার ও ফেস্টুন সাটিয়েছেন শহরের বিভিন্ন স্থানে। সমানতালে গণসংযোগও করছেন সেই প্রার্থীরা। মেয়র প্রার্থীদের সাথে সাথে ৯টি ওয়ার্ডের একেকটিতে একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের নির্বাচন করার কথা গণমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাদের কথা জানান দিচ্ছেন। আবার কোন কোন কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের এলাকায় গণসংযোগও নেমে পড়েছেন।

 

 

তবে এই প্রথম বানারীপাড়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সাধারণ জনগনই তাদের কাউন্সিল প্রার্থী বেছে নিয়ে নাম ঘোষণা করলেন। ওই ওয়ার্ডের অনেকে বানারীপাড়া প্রেসক্লাবকে মুঠোফোনে জানান, যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে তারা এবার তাদের ওয়ার্ডে পৌর শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সজল চৌধুরীকে দেখতে চায়। তারা আরও জানান, এবারের নির্বাচনে এমন প্রার্থী তারা বাছাই করেছেন যিনি ওয়ার্ডটিকে একটি মডেল ওয়ার্ডে রূপান্তর করতে পারবেন। কেননা রাজনৈতিকভাবে সরকারে থাকা দলটির কাছে বিশেষ গ্রহন যোগ্যতা রয়েছে সজল চৌধুরীর। সেই পারবে এই ওয়ার্ডের সকল প্রকার সমস্যার সমাধান করতে। জোয়ারের বিপরীতে গিয়ে তারা উন্নয়ন বঞ্চিত হতেও চান না বলেও জানান মিডিয়ার কাছে।

 

 

এদিকে সজল চৌধুরীকে ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ঘোষণা করায় ওখানকার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে এক প্রকার উৎসবের আমেজ সুষ্টি হয়েছে। সজলের মাথার ওপরে রয়েছে এখানকার নিতীনির্ধারণী মহলের ¯েœহের পরশ। তাই এমন একজন প্রার্থীর নাম ঘোষণা দিয়ে ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটার’রা বেজায় খুশিই হয়েছেন। সজল চৌধুরী ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন। করোনা মহামারির লকডাউনের সময়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সাথে থেকে উপজেলার প্রত্যন্তণাঞ্চলে ঘুরে ঘুরে কর্মহীন ও সাধারণ পরিবারের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও খাদ্য সামগ্রী উপহার দিতে গিয়ে এক সময় সজল চৌধুরী করোনারোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন।

 

 

মুজিব অন্তপ্রাণ এই ছাত্র নেতা কাউন্সিলর প্রার্থী হলে ৩নং ওয়ার্ডের জনগন তাদের হারোনো ঐতিহ্য ফিরে পাবেন বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেণ। এখন দেখার বিষয় ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের আহবানে সজল চৌধুরী শেষ পর্যন্ত সাড়া দেন কিনা। কারণ তার কাঁধের ওপরে উপ-মহাদেশের প্রাচীনতম সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বানারীপাড়া পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদকের গুরু দায়িত্ব রয়েছে। দিনরাত একাকার করে সেই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তার নিজ ওয়ার্ডের দায়িত্ব ভারও সে পালন করতে পারবেন কিনা সেটা তার একান্ত বিষয়। এ ব্যপারে সজল চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, এলাকাবাসী যদি চায় তবে জীবনে যতটুকু সময় পাবো সেটুকুর সবই ৩নং ওয়ার্ডের মানুষের কল্যানের জন্য ব্যয় করতে সে কাজ করে যাবেন। মহান মালিক রাজি খুশি থাকলে জনগনকে সাথে নিয়েই তিনি ৩নং ওয়ার্ডকে সাজাতে চান।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

বানারীপাড়ায় করোনা যোদ্ধা সজল চৌধুরীকে ৩নং ওয়ার্ড বাসী কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায়

প্রকাশের সময় : 11:42:49 pm, Friday, 23 October 2020

মো. সুজন মোল্লা,বানারীপাড়া॥ দিনক্ষণ চুড়ান্ত না হলেও বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডেই নির্বাচনের আগাম আমেজে সরগরম হয়ে উঠেছে পুরো উপ-শহরটি।। ইতোমধ্যেই সরকারে থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে একাধিক মেয়র প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা জানান দিয়ে পোষ্টার ও ফেস্টুন সাটিয়েছেন শহরের বিভিন্ন স্থানে। সমানতালে গণসংযোগও করছেন সেই প্রার্থীরা। মেয়র প্রার্থীদের সাথে সাথে ৯টি ওয়ার্ডের একেকটিতে একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের নির্বাচন করার কথা গণমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাদের কথা জানান দিচ্ছেন। আবার কোন কোন কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের এলাকায় গণসংযোগও নেমে পড়েছেন।

 

 

তবে এই প্রথম বানারীপাড়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সাধারণ জনগনই তাদের কাউন্সিল প্রার্থী বেছে নিয়ে নাম ঘোষণা করলেন। ওই ওয়ার্ডের অনেকে বানারীপাড়া প্রেসক্লাবকে মুঠোফোনে জানান, যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে তারা এবার তাদের ওয়ার্ডে পৌর শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সজল চৌধুরীকে দেখতে চায়। তারা আরও জানান, এবারের নির্বাচনে এমন প্রার্থী তারা বাছাই করেছেন যিনি ওয়ার্ডটিকে একটি মডেল ওয়ার্ডে রূপান্তর করতে পারবেন। কেননা রাজনৈতিকভাবে সরকারে থাকা দলটির কাছে বিশেষ গ্রহন যোগ্যতা রয়েছে সজল চৌধুরীর। সেই পারবে এই ওয়ার্ডের সকল প্রকার সমস্যার সমাধান করতে। জোয়ারের বিপরীতে গিয়ে তারা উন্নয়ন বঞ্চিত হতেও চান না বলেও জানান মিডিয়ার কাছে।

 

 

এদিকে সজল চৌধুরীকে ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ঘোষণা করায় ওখানকার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে এক প্রকার উৎসবের আমেজ সুষ্টি হয়েছে। সজলের মাথার ওপরে রয়েছে এখানকার নিতীনির্ধারণী মহলের ¯েœহের পরশ। তাই এমন একজন প্রার্থীর নাম ঘোষণা দিয়ে ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটার’রা বেজায় খুশিই হয়েছেন। সজল চৌধুরী ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন। করোনা মহামারির লকডাউনের সময়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সাথে থেকে উপজেলার প্রত্যন্তণাঞ্চলে ঘুরে ঘুরে কর্মহীন ও সাধারণ পরিবারের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও খাদ্য সামগ্রী উপহার দিতে গিয়ে এক সময় সজল চৌধুরী করোনারোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন।

 

 

মুজিব অন্তপ্রাণ এই ছাত্র নেতা কাউন্সিলর প্রার্থী হলে ৩নং ওয়ার্ডের জনগন তাদের হারোনো ঐতিহ্য ফিরে পাবেন বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেণ। এখন দেখার বিষয় ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের আহবানে সজল চৌধুরী শেষ পর্যন্ত সাড়া দেন কিনা। কারণ তার কাঁধের ওপরে উপ-মহাদেশের প্রাচীনতম সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বানারীপাড়া পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদকের গুরু দায়িত্ব রয়েছে। দিনরাত একাকার করে সেই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তার নিজ ওয়ার্ডের দায়িত্ব ভারও সে পালন করতে পারবেন কিনা সেটা তার একান্ত বিষয়। এ ব্যপারে সজল চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, এলাকাবাসী যদি চায় তবে জীবনে যতটুকু সময় পাবো সেটুকুর সবই ৩নং ওয়ার্ডের মানুষের কল্যানের জন্য ব্যয় করতে সে কাজ করে যাবেন। মহান মালিক রাজি খুশি থাকলে জনগনকে সাথে নিয়েই তিনি ৩নং ওয়ার্ডকে সাজাতে চান।