বিজ্ঞপ্তি :
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প




বাজার দখল নিতে..

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 06:59:50 pm, Monday, 11 October 2021
  • 0 সংবাদটি দেখা হয়েছে




সুমন তালুকদার,স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌসুমের শুরুতে জমে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ সাদা মাছের পাইকারী বাজার। বাজারটি এক সময়ের অবহেলিত বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা এলাকায় অবস্থিত। এ বাজারে প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার মণ পর্যন্ত মাছ বিক্রি হয়।

 

 

প্রতিদিন বিকেল চারটা থেকে সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত সাদা মাছের স্বল্প সময়ের এ বাজারে কোটি টাকার মাছ বিক্রি হয়। মাছ বাজারের সাথে কমপক্ষে পাঁচ হাজার মানুষ জড়িত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছেন। হারতার সাদা মাছের বাজারের কারণে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি সৃষ্টি হয়েছে অনেক কর্মসংস্থান। পাশাপাশি সারাদেশের মাছের চাহিদা পূরণে ব্যাপক অবদান রাখছে এ বাজার।

 

 

বেকার সমস্যা সমাধান করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে একসময়ের অবহেলিত হারতা এলাকায় সাদা মাছের বাজার বসিয়ে সর্বস্তরে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ডাঃ হরেন রায়। তিনি এ বাজারে আগত মাছ ব্যবসায়ী ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধা ও সমস্যা দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন।

 

 

ফলে প্রতিদিনের কোটি টাকার ওই মাছ বাজার নিয়ন্ত্রনে নিয়ে চাঁদাবাজি করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহল। তারা ইতোমধ্যে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শুরু করেছেন নানা ষড়যন্ত্র। এনিয়ে বিশেষ অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য।

 

 

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিরা জানান, ওই প্রভাবশালী মহলটি আওয়ামী লীগ নেতা ও দুইবারের জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান ডাঃ হরেন রায়কে বিভিন্নভাবে হয়রানী করার জন্য তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, নারী কেলেঙ্কারি, খাস জমি দখল, মৎস্যজীবীদের চাল আত্মসাত এমনকি মুসলিম বিদ্বেষী আখ্যাদিয়ে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

 

 

সূত্রমতে, ওই প্রভাবশালী মহলটি ইউপি চেয়ারম্যানকে হেনেস্তা করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ সাদা মাছের বাজারকে দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। ফলে প্রভাবশালী মহলটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

 

 

মুসলিম বিদ্বেষী উল্লেখ করে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওই মহলটি হারতা বাজার জামে মসজিদের নামে প্রস্তাবিত জমি দখলের অপপ্রচার করেন। এ ব্যাপারে ওই মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল হাই তালুকদার বলেন, মসজিদের জমি দখল হলেতো আগে আমরা জানবো। যেখানে এ ধরনের কোন ঘটনাই ঘটেনি, সেখানে কেবা কারা ইউপি চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে মসজিদের জমি দখলের মনগড়া অভিযোগ এনে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

 

 

মৎস্যজীবীদের চাল আত্মসাতের বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিমুল রানী পাল বলেন, সরকারী ট্যাগ অফিসারদের উপস্থিতিতে চাল বিতরন করা হয়। সেখানে ইউপি চেয়ারম্যানদের চাল আত্মসাতের কোন সুযোগ নেই। এছাড়া ডাঃ হরেন রায়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোন অভিযোগও নেই।

 

 

সার্বিক বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনতী বিশ্বাস বলেন, হারতা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে কোন অভিযোগ নেই। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে শুনেছি। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাইলে অবশ্যই তাকে আইনী সহায়তা করা হবে।

 

 

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বাসুদেব বিশ্বাস, আশুতোষ মল্লিক, ফারুক হোসেন তালুকদার, দুলাল মল্লিকসহ অসংখ্য নেতাকর্মীরা জানান, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত হারতা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ডাঃ হরেন রায়ের নেতৃত্বে একসময়ের অবহেলিত এলাকা এখন একটি মাছ বাজারের কারণে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ এলাকায় পরিনত হয়েছে। এ কারণে একটি প্রভাবশালী মহলের গাত্রদাহ শুরু হওয়ায় তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মনগড়া অপপ্রচার শুরু করছে। বিষয়টি দলের নেতৃত্বস্থানীয়দের অবহিত করা হয়েছে।

 

 

ইউপি চেয়ারম্যান ডাঃ হরেন রায় বলেন, তীলে তীলে মাছ বাজারটি জমানো হয়েছে। যা আজ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে সর্ববৃহত মাছ বাজারে পরিনত হয়েছে। ওই বাজার দখল করে চাঁদাবাজি করার জন্যই একটি মহল তাদের ভাড়াটিয়া কতিপয় অসাধু ব্যক্তিদের দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মনগড়া মিথ্যে অভিযোগ এনে অপপ্রচার চালাচ্ছে। যার কোন সত্যতা নেই। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কোন অপপ্রচারই আমার ভাল কাজকে দাবিয়ে রাখতে পারবেনা। ইতোমধ্যে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

বাজার দখল নিতে..

প্রকাশের সময় : 06:59:50 pm, Monday, 11 October 2021

সুমন তালুকদার,স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌসুমের শুরুতে জমে উঠেছে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ সাদা মাছের পাইকারী বাজার। বাজারটি এক সময়ের অবহেলিত বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা এলাকায় অবস্থিত। এ বাজারে প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার মণ পর্যন্ত মাছ বিক্রি হয়।

 

 

প্রতিদিন বিকেল চারটা থেকে সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত সাদা মাছের স্বল্প সময়ের এ বাজারে কোটি টাকার মাছ বিক্রি হয়। মাছ বাজারের সাথে কমপক্ষে পাঁচ হাজার মানুষ জড়িত থেকে জীবিকা নির্বাহ করছেন। হারতার সাদা মাছের বাজারের কারণে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি সৃষ্টি হয়েছে অনেক কর্মসংস্থান। পাশাপাশি সারাদেশের মাছের চাহিদা পূরণে ব্যাপক অবদান রাখছে এ বাজার।

 

 

বেকার সমস্যা সমাধান করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে একসময়ের অবহেলিত হারতা এলাকায় সাদা মাছের বাজার বসিয়ে সর্বস্তরে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ডাঃ হরেন রায়। তিনি এ বাজারে আগত মাছ ব্যবসায়ী ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধা ও সমস্যা দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন।

 

 

ফলে প্রতিদিনের কোটি টাকার ওই মাছ বাজার নিয়ন্ত্রনে নিয়ে চাঁদাবাজি করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহল। তারা ইতোমধ্যে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শুরু করেছেন নানা ষড়যন্ত্র। এনিয়ে বিশেষ অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য।

 

 

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিরা জানান, ওই প্রভাবশালী মহলটি আওয়ামী লীগ নেতা ও দুইবারের জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান ডাঃ হরেন রায়কে বিভিন্নভাবে হয়রানী করার জন্য তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, নারী কেলেঙ্কারি, খাস জমি দখল, মৎস্যজীবীদের চাল আত্মসাত এমনকি মুসলিম বিদ্বেষী আখ্যাদিয়ে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

 

 

সূত্রমতে, ওই প্রভাবশালী মহলটি ইউপি চেয়ারম্যানকে হেনেস্তা করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ সাদা মাছের বাজারকে দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। ফলে প্রভাবশালী মহলটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে।

 

 

মুসলিম বিদ্বেষী উল্লেখ করে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওই মহলটি হারতা বাজার জামে মসজিদের নামে প্রস্তাবিত জমি দখলের অপপ্রচার করেন। এ ব্যাপারে ওই মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল হাই তালুকদার বলেন, মসজিদের জমি দখল হলেতো আগে আমরা জানবো। যেখানে এ ধরনের কোন ঘটনাই ঘটেনি, সেখানে কেবা কারা ইউপি চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে মসজিদের জমি দখলের মনগড়া অভিযোগ এনে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

 

 

মৎস্যজীবীদের চাল আত্মসাতের বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিমুল রানী পাল বলেন, সরকারী ট্যাগ অফিসারদের উপস্থিতিতে চাল বিতরন করা হয়। সেখানে ইউপি চেয়ারম্যানদের চাল আত্মসাতের কোন সুযোগ নেই। এছাড়া ডাঃ হরেন রায়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোন অভিযোগও নেই।

 

 

সার্বিক বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনতী বিশ্বাস বলেন, হারতা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে কোন অভিযোগ নেই। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে শুনেছি। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাইলে অবশ্যই তাকে আইনী সহায়তা করা হবে।

 

 

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বাসুদেব বিশ্বাস, আশুতোষ মল্লিক, ফারুক হোসেন তালুকদার, দুলাল মল্লিকসহ অসংখ্য নেতাকর্মীরা জানান, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত হারতা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ডাঃ হরেন রায়ের নেতৃত্বে একসময়ের অবহেলিত এলাকা এখন একটি মাছ বাজারের কারণে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ এলাকায় পরিনত হয়েছে। এ কারণে একটি প্রভাবশালী মহলের গাত্রদাহ শুরু হওয়ায় তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মনগড়া অপপ্রচার শুরু করছে। বিষয়টি দলের নেতৃত্বস্থানীয়দের অবহিত করা হয়েছে।

 

 

ইউপি চেয়ারম্যান ডাঃ হরেন রায় বলেন, তীলে তীলে মাছ বাজারটি জমানো হয়েছে। যা আজ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে সর্ববৃহত মাছ বাজারে পরিনত হয়েছে। ওই বাজার দখল করে চাঁদাবাজি করার জন্যই একটি মহল তাদের ভাড়াটিয়া কতিপয় অসাধু ব্যক্তিদের দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মনগড়া মিথ্যে অভিযোগ এনে অপপ্রচার চালাচ্ছে। যার কোন সত্যতা নেই। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কোন অপপ্রচারই আমার ভাল কাজকে দাবিয়ে রাখতে পারবেনা। ইতোমধ্যে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।