বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




বরিশাল নগরীতে লোকসানের ভয়ে হোটেল-রেস্তরা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 03:40:18 am, Friday, 12 June 2020
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ লোকসানের ভয়ে হোটেল, রেস্তরা খোলা হয়েছে তা আবার বন্ধ করে দিচ্ছেন । কেউ কেউ দাবী করেন. তাঁরা কোনও রকম ভাবে ঝুঁকি নিতে চাইছেনা না। রেস্তারার মালিক পিন্টু জানান, অনেক মানুষ আছেন যাঁরা উপসর্গবিহীন ভাবে ভাইরাস আক্রান্ত ।

ফলে কোনও ভাবেই বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই যে কে আক্রান্ত আর কে নন। তিনি আরও বলেন, যখন বাইরে থেকে লোক ঢুকছে, আমরা কাউকেই আটকাতে পারব না।

আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই তাই ব্যবসা বন্ধ রাখছি। পাশাপাশি তাঁরা এ-ও জানাচ্ছেন যে, হোম ডেলিভারিতে মানুষ উৎসাহ দেখালেও হোটেল-রেস্তারায় এসে, বসে খাওয়ার বিষয়ে এখনও মানুষ কতটা উৎসাহ দেখাবেন, সেটা নিয়ে তাঁরা নিশ্চিত নন।

আদৌ ব্যবসার খরচ উঠবে কিনা, সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। লোকসানের কথা ভেবে হোটেল- রেস্তরা মালিক দোকান খোলতে রাজি নন।

নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার একটি নামী রেস্তরা যেমন দুই দিন আগে থেকেই খোলা হয়েছে। সেখানে ঢোকার মুখে রাখা হয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজয়ার। কমিয়ে দেওয়া হয়েছে টেবিল। প্রতিটি টেবিলে দুটো করে চেয়ার রেখে মুখোমুখি বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

একজন ক্রেতা খেয়ে চলে যাওয়ার পর টেবিল স্যানিটাইজয় করা হচ্ছে। টেবিল-বয় মাস্ক ও গ্লভস পরে থাকছেন। রেস্তরাটির মালিক আমিনুল বলেন, রেস্তরা খোলার পর থেকে মোটামুটি সাড়া পাচ্ছি।

আমাদের এখানে সরকারি নির্দেশ মেনে সমস্ত রকম নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্য দিকে, হোটেল-রেস্টুরেন্ট খোলা থাকলেও সে ভাবে মানুষের ভিড় চোখে পড়েনি।

নগরীর বিভিন্ন জায়গায় খাবারের হোটেল খুলতে দেখা গিয়েছে। এক হোটেলের মালিক বলেন, “ডাল, ভাত, তরকারি, ভাজা এবং মাছের ঝোল রান্না করেছি। তা-ও কেউ খেতে আসছেন না।

দু’-চার জন দোকান থেকে খাবার কিনে নিয়ে গিয়েছেন। অপরদিকে বেশ কয়েকটি হোটেল খুললেও সে ভাবে মানুষ আসেননি।

বাসে যাত্রী কম হওয়ার কারনে হোটেল গুলোতে তেমন ভির দেখা যাচ্ছে না। ফলে যে কারণে বাইরের লোকজন আসছে না।

এছাড়াও মানুষের মধ্যে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। কেউ সাহস করে হোটেলের খাবার খাচ্ছেন না। হোটেল চালানোর খরচই উঠছে না তাঁদের।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

বরিশাল নগরীতে লোকসানের ভয়ে হোটেল-রেস্তরা

প্রকাশের সময় : 03:40:18 am, Friday, 12 June 2020

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ লোকসানের ভয়ে হোটেল, রেস্তরা খোলা হয়েছে তা আবার বন্ধ করে দিচ্ছেন । কেউ কেউ দাবী করেন. তাঁরা কোনও রকম ভাবে ঝুঁকি নিতে চাইছেনা না। রেস্তারার মালিক পিন্টু জানান, অনেক মানুষ আছেন যাঁরা উপসর্গবিহীন ভাবে ভাইরাস আক্রান্ত ।

ফলে কোনও ভাবেই বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই যে কে আক্রান্ত আর কে নন। তিনি আরও বলেন, যখন বাইরে থেকে লোক ঢুকছে, আমরা কাউকেই আটকাতে পারব না।

আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই তাই ব্যবসা বন্ধ রাখছি। পাশাপাশি তাঁরা এ-ও জানাচ্ছেন যে, হোম ডেলিভারিতে মানুষ উৎসাহ দেখালেও হোটেল-রেস্তারায় এসে, বসে খাওয়ার বিষয়ে এখনও মানুষ কতটা উৎসাহ দেখাবেন, সেটা নিয়ে তাঁরা নিশ্চিত নন।

আদৌ ব্যবসার খরচ উঠবে কিনা, সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। লোকসানের কথা ভেবে হোটেল- রেস্তরা মালিক দোকান খোলতে রাজি নন।

নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার একটি নামী রেস্তরা যেমন দুই দিন আগে থেকেই খোলা হয়েছে। সেখানে ঢোকার মুখে রাখা হয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজয়ার। কমিয়ে দেওয়া হয়েছে টেবিল। প্রতিটি টেবিলে দুটো করে চেয়ার রেখে মুখোমুখি বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

একজন ক্রেতা খেয়ে চলে যাওয়ার পর টেবিল স্যানিটাইজয় করা হচ্ছে। টেবিল-বয় মাস্ক ও গ্লভস পরে থাকছেন। রেস্তরাটির মালিক আমিনুল বলেন, রেস্তরা খোলার পর থেকে মোটামুটি সাড়া পাচ্ছি।

আমাদের এখানে সরকারি নির্দেশ মেনে সমস্ত রকম নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্য দিকে, হোটেল-রেস্টুরেন্ট খোলা থাকলেও সে ভাবে মানুষের ভিড় চোখে পড়েনি।

নগরীর বিভিন্ন জায়গায় খাবারের হোটেল খুলতে দেখা গিয়েছে। এক হোটেলের মালিক বলেন, “ডাল, ভাত, তরকারি, ভাজা এবং মাছের ঝোল রান্না করেছি। তা-ও কেউ খেতে আসছেন না।

দু’-চার জন দোকান থেকে খাবার কিনে নিয়ে গিয়েছেন। অপরদিকে বেশ কয়েকটি হোটেল খুললেও সে ভাবে মানুষ আসেননি।

বাসে যাত্রী কম হওয়ার কারনে হোটেল গুলোতে তেমন ভির দেখা যাচ্ছে না। ফলে যে কারণে বাইরের লোকজন আসছে না।

এছাড়াও মানুষের মধ্যে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। কেউ সাহস করে হোটেলের খাবার খাচ্ছেন না। হোটেল চালানোর খরচই উঠছে না তাঁদের।