বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




বরিশাল নগরীতে ঈদে খুশি নেই দর্জিদের মাঝে

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 01:49:29 am, Wednesday, 13 May 2020
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




এইচ, এম হেলাল॥ রমজানের রোজার শেষে আসছে খুশির ঈদ। কিন্তু সবুজ হাওলাদার , কবির উদ্দিন, মিলনদের ঈদের খুশি কেড়ে নিয়েছে লকডাউন। সবুজ পেশায় একজন দর্জি। লকডাউনের জন্য তাঁদের দোকানে তালা ঝুলছে। এখন কী করে ছেলেমেয়েদের মুখে ঈদে হাসি ফোটাবেন, কী করে সারা বছর ভাত-কাপড়ের জোগাড় করবেন ভেবে পাচ্ছেন না তাঁরা।

দুশ্চিন্তায় রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। শুধু সবুজদেরই নয়, বরিশাল নগরীর অধিকাংশ দর্জিদেরই একই অবস্থা। দর্জি দোকানে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরাও পড়েছেন চরম সমস্যায়। দর্জিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, সারা বছর টুকটাক কাজ চললেও পুজো এবং ইদে তাঁদের দম ফেলার সময় থাকে না। মাস দু’য়েক আগে থেকেই অর্ডার নেওয়ার পাশাপাশি চলে সেলাইয়ের কাজও।

ওই দুই মৌসুমে সেলাইয়ের কাজ করেই পুজো বা ঈদের খরচ-সহ সারা বছরের ভাত কাপড়ের সংস্থান করে নেন দর্জিরা। কিন্তু এ বারে সেই সম্ভাবনায় বাদ সেধেছে লকডাউন। অর্ডার নেওয়ার সময় থেকেই তালা ঝুলছে দোকানে। হাতে আর সময় আছে বারো দিনের মত।

আইনি ছাড়পত্র নিয়ে দোকান খুলতে কতদিন লাগবে তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। তারপর কবেই বা অর্ডার পাবেন, কবেই বা সেলাই করবেন ভেবে পাচ্ছেন না তাঁরা। ৬ বছর ধরে দর্জির কাজ করছেন নগরীর কাজিপাড়া এলাকার সবুজ । তাঁর দোকানে ৩জন কর্মী কাজ করেন।

গত বছর ঈদে জামা প্যান্ট সেলাই করে ২৫ হাজার টাকা আয় হয়েছিল। তিনি ভয়েস অব বরিশালকে বলেন,ঈদের ১০ দিন আগেই ৯ হাজার টাকার জামা প্যান্ট সেলাই হয়ে যায়। এ বারে কোনও অর্ডারই মেলেনি।
এখন দোকান খুললেও আর ঈদের বাজার ধরতে পারব না। অন্যবার মাস দু’য়েক আগে থেকে অর্ডার নিয়েও সেলাই করতে হিমশিম খেয়ে যাই। এ বার কাপড়ের দোকান বন্ধ থাকায় অনেকে ছিটই কিনতে পারেননি। অর্ডার পেলেও খুব একটা লাভ হবে না।

কাশিপুর ইছাকাঠী শাহাপরান সড়কের কবির ভয়েস অব বরিশালকে বলেন, ঈদ আর পুজোর কাজ করেই আমাদের সারা বছরের ভাত কাপড়ের সংস্থান হয়। ঈদে স্ত্রী ছলেমেয়েদের মুখে হাসি ফোটে। এবারে আর সেই আশা নেই । শুধু দর্জিরাই নন, দর্জি দোকানের কর্মীরাও বিপাকে।

 

নথুল্লাবাদ এলাকার জুয়েল ভয়েস অব বরিশালকে বলেন, ‘‘দর্জি দোকানে কাজ করেই আমাদের সংসার চলে। অন্যবার মালিকের কাছে কিছু করে অগ্রিম টাকা নিয়ে ঈদের বাজার করা হয় । এ বার দোকান বন্ধ থাকায় সেই সুযোগ নেই। ত্রাণের চাল-ডালে দিন কাটছে। কী করে ছেলেমেয়েদের জামাপ্যান্ট কিনে দেব ভেবে পাচ্ছি না।’’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

বরিশাল নগরীতে ঈদে খুশি নেই দর্জিদের মাঝে

প্রকাশের সময় : 01:49:29 am, Wednesday, 13 May 2020

এইচ, এম হেলাল॥ রমজানের রোজার শেষে আসছে খুশির ঈদ। কিন্তু সবুজ হাওলাদার , কবির উদ্দিন, মিলনদের ঈদের খুশি কেড়ে নিয়েছে লকডাউন। সবুজ পেশায় একজন দর্জি। লকডাউনের জন্য তাঁদের দোকানে তালা ঝুলছে। এখন কী করে ছেলেমেয়েদের মুখে ঈদে হাসি ফোটাবেন, কী করে সারা বছর ভাত-কাপড়ের জোগাড় করবেন ভেবে পাচ্ছেন না তাঁরা।

দুশ্চিন্তায় রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। শুধু সবুজদেরই নয়, বরিশাল নগরীর অধিকাংশ দর্জিদেরই একই অবস্থা। দর্জি দোকানে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরাও পড়েছেন চরম সমস্যায়। দর্জিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, সারা বছর টুকটাক কাজ চললেও পুজো এবং ইদে তাঁদের দম ফেলার সময় থাকে না। মাস দু’য়েক আগে থেকেই অর্ডার নেওয়ার পাশাপাশি চলে সেলাইয়ের কাজও।

ওই দুই মৌসুমে সেলাইয়ের কাজ করেই পুজো বা ঈদের খরচ-সহ সারা বছরের ভাত কাপড়ের সংস্থান করে নেন দর্জিরা। কিন্তু এ বারে সেই সম্ভাবনায় বাদ সেধেছে লকডাউন। অর্ডার নেওয়ার সময় থেকেই তালা ঝুলছে দোকানে। হাতে আর সময় আছে বারো দিনের মত।

আইনি ছাড়পত্র নিয়ে দোকান খুলতে কতদিন লাগবে তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। তারপর কবেই বা অর্ডার পাবেন, কবেই বা সেলাই করবেন ভেবে পাচ্ছেন না তাঁরা। ৬ বছর ধরে দর্জির কাজ করছেন নগরীর কাজিপাড়া এলাকার সবুজ । তাঁর দোকানে ৩জন কর্মী কাজ করেন।

গত বছর ঈদে জামা প্যান্ট সেলাই করে ২৫ হাজার টাকা আয় হয়েছিল। তিনি ভয়েস অব বরিশালকে বলেন,ঈদের ১০ দিন আগেই ৯ হাজার টাকার জামা প্যান্ট সেলাই হয়ে যায়। এ বারে কোনও অর্ডারই মেলেনি।
এখন দোকান খুললেও আর ঈদের বাজার ধরতে পারব না। অন্যবার মাস দু’য়েক আগে থেকে অর্ডার নিয়েও সেলাই করতে হিমশিম খেয়ে যাই। এ বার কাপড়ের দোকান বন্ধ থাকায় অনেকে ছিটই কিনতে পারেননি। অর্ডার পেলেও খুব একটা লাভ হবে না।

কাশিপুর ইছাকাঠী শাহাপরান সড়কের কবির ভয়েস অব বরিশালকে বলেন, ঈদ আর পুজোর কাজ করেই আমাদের সারা বছরের ভাত কাপড়ের সংস্থান হয়। ঈদে স্ত্রী ছলেমেয়েদের মুখে হাসি ফোটে। এবারে আর সেই আশা নেই । শুধু দর্জিরাই নন, দর্জি দোকানের কর্মীরাও বিপাকে।

 

নথুল্লাবাদ এলাকার জুয়েল ভয়েস অব বরিশালকে বলেন, ‘‘দর্জি দোকানে কাজ করেই আমাদের সংসার চলে। অন্যবার মালিকের কাছে কিছু করে অগ্রিম টাকা নিয়ে ঈদের বাজার করা হয় । এ বার দোকান বন্ধ থাকায় সেই সুযোগ নেই। ত্রাণের চাল-ডালে দিন কাটছে। কী করে ছেলেমেয়েদের জামাপ্যান্ট কিনে দেব ভেবে পাচ্ছি না।’’