সংবাদ শিরোনাম:




বরিশালে মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় পুলিশ কর্মকর্তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা!

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 03:57:37 pm, Monday, 13 April 2020
  • 3 সংবাদটি দেখা হয়েছে




স্টাফ রিপোর্টার : বরিশালে মাদক ব্যবসায় বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় মাদক ব্যবসায়ীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন হয়েছেন বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই বশির।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতিতে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম -বার। তারই ধারাবাহিকতায় বরিশালে আগের তুলনায় অনেক আংশে কমেছে মাদক।এবার মাদক ব্যবসায় বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় মাদক ব্যবসায়ীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই বশির।

 

সূত্র জানায়, এয়ারপোর্ট থানাধীন বাসিন্দা কোতোয়ালি মডেল থানার এস আই বশির রবিবার (১২ এপ্রিল) এয়ারপোর্ট থানাধীন কাশিপুর ২৯নং ওয়ার্ড ইছাকাঠী এলাকায় সাথে মাদক থাকায় কয়েকজন যুবককে ধাওয়া করে। পরে যুবকরা তার ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায়।সূত্র আরও জানায়, মাদক ব্যবসায়ী ওইসকল যুকদের বাঁধা দেওয়ায় এসআই বশিরের বিরুদ্ধে মিথ্যে নাটক সাজিয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন একটি কুচক্রী মহল।কুচক্রী মহল পুরো ঘটনাটিকে আড়াল করতে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে নিজ কর্মস্থল ছেড়ে নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন কাশিপুর ২৯নং ওয়ার্ড ইছাকাঠী থেকে ৪জন চিহিৃত মাদক ব্যাবসায়ীকে মাদকসহ আটক করেন এসআই বশির। পরবর্তিতে কাশিপুর এলাকার বাসীন্দা যুবলীগ নেতা লিখনের সমঝোতায় ৮০ হাজার টাকার রফাদফায় ৪ মাদক ব্যাবসায়ীকে ছেড়েদেন এসআই বশির।

 

এব্যাপারে এসআই বশির বলেন,’পুলিশ কমিশনার স্যার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের মহামারী চলছে, আমার সামনে মাদকের কারবার চলবে আমি কি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তা দেখতে পারি! মানবিক কারনে মাদক ব্যাবসায়ীদের ধাওয়া করেছিলাম আমি। আর ওদের কাজে বাঁধা হয়ে দাঁড়ানোর জন্য আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ দেয়া হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর যুবলীগ নেতা কামরুজ্জামান লিখন বলেন, ‘আমার বাসা থেকে কিছুটা সামনে ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছে এমন কথা শুনে আমি সেখানে উপস্থিত হই এবং এস আই বশির ভাই দীর্ঘদিন যাবত আমাদের এলাকায় বসবাস ও চাকুরী করার সুবাধে তার সাথে আমার সুসম্পর্ক থাকায় আমি তার কাছে ঘটনাটি জানতে চেয়েছি এছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে তার সাথে আমার কথা হয়নি অন্যদিকে আমাকে জড়িয়ে যে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করেছে ,সেখানে উল্ল্যেখ করেছে আমার বাসায় বসে নাকি আর্থিক লেনদেন হয়েছে ,আমার বাসার আসে পাশে কয়েকটি সিসি ক্যামেরা রয়েছে,আপনারা আসুন এবং দেখুন আমার বাসা তো দূরের কথা, আমার এড়িয়ার মধ্যে বসেও তাদের সাথে আমার কোনো কথা হয়নি।

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র একজন সৈনিক, পুলিশের সাথে রফাদফা ও মাদক ব্যাবসায়ী সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে যে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি , আমি এবিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

বরিশালে মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় পুলিশ কর্মকর্তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা!

প্রকাশের সময় : 03:57:37 pm, Monday, 13 April 2020

স্টাফ রিপোর্টার : বরিশালে মাদক ব্যবসায় বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় মাদক ব্যবসায়ীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন হয়েছেন বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই বশির।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতিতে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম -বার। তারই ধারাবাহিকতায় বরিশালে আগের তুলনায় অনেক আংশে কমেছে মাদক।এবার মাদক ব্যবসায় বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় মাদক ব্যবসায়ীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার এসআই বশির।

 

সূত্র জানায়, এয়ারপোর্ট থানাধীন বাসিন্দা কোতোয়ালি মডেল থানার এস আই বশির রবিবার (১২ এপ্রিল) এয়ারপোর্ট থানাধীন কাশিপুর ২৯নং ওয়ার্ড ইছাকাঠী এলাকায় সাথে মাদক থাকায় কয়েকজন যুবককে ধাওয়া করে। পরে যুবকরা তার ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায়।সূত্র আরও জানায়, মাদক ব্যবসায়ী ওইসকল যুকদের বাঁধা দেওয়ায় এসআই বশিরের বিরুদ্ধে মিথ্যে নাটক সাজিয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন একটি কুচক্রী মহল।কুচক্রী মহল পুরো ঘটনাটিকে আড়াল করতে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে নিজ কর্মস্থল ছেড়ে নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন কাশিপুর ২৯নং ওয়ার্ড ইছাকাঠী থেকে ৪জন চিহিৃত মাদক ব্যাবসায়ীকে মাদকসহ আটক করেন এসআই বশির। পরবর্তিতে কাশিপুর এলাকার বাসীন্দা যুবলীগ নেতা লিখনের সমঝোতায় ৮০ হাজার টাকার রফাদফায় ৪ মাদক ব্যাবসায়ীকে ছেড়েদেন এসআই বশির।

 

এব্যাপারে এসআই বশির বলেন,’পুলিশ কমিশনার স্যার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের মহামারী চলছে, আমার সামনে মাদকের কারবার চলবে আমি কি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তা দেখতে পারি! মানবিক কারনে মাদক ব্যাবসায়ীদের ধাওয়া করেছিলাম আমি। আর ওদের কাজে বাঁধা হয়ে দাঁড়ানোর জন্য আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ দেয়া হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর যুবলীগ নেতা কামরুজ্জামান লিখন বলেন, ‘আমার বাসা থেকে কিছুটা সামনে ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছে এমন কথা শুনে আমি সেখানে উপস্থিত হই এবং এস আই বশির ভাই দীর্ঘদিন যাবত আমাদের এলাকায় বসবাস ও চাকুরী করার সুবাধে তার সাথে আমার সুসম্পর্ক থাকায় আমি তার কাছে ঘটনাটি জানতে চেয়েছি এছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে তার সাথে আমার কথা হয়নি অন্যদিকে আমাকে জড়িয়ে যে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করেছে ,সেখানে উল্ল্যেখ করেছে আমার বাসায় বসে নাকি আর্থিক লেনদেন হয়েছে ,আমার বাসার আসে পাশে কয়েকটি সিসি ক্যামেরা রয়েছে,আপনারা আসুন এবং দেখুন আমার বাসা তো দূরের কথা, আমার এড়িয়ার মধ্যে বসেও তাদের সাথে আমার কোনো কথা হয়নি।

 

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র একজন সৈনিক, পুলিশের সাথে রফাদফা ও মাদক ব্যাবসায়ী সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে যে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি , আমি এবিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।