বরিশালে ঘুষ না পেয়ে পেনশনের কাগজে স্বাক্ষর করেননি মাদ্রাসার সুপার

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 08:48:02 pm, Thursday, 12 November 2020
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




থানা প্রতিনিধি॥ বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠিত নরসিংহপুর কেরামতিয়া দাখিল মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর পেনশন ও কল্যাণ ট্রাস্টের কাগজে স্বাক্ষর করতে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সুপার মোঃ হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে।ভুক্তভোগী মোঃ দলিল উদ্দিন হাওলাদার জানান, উক্ত প্রতিষ্ঠানে ১৯৮১ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরপর অবসরে রয়েছেন সে।

 

 

অবসরকালীন তার পেনশন ও কল্যাণ ট্রাস্টের কোনো কাগজেই স্বাক্ষর করেননি বর্তমান সুপার মোঃ হারুন অর রশিদ। সুপার কাগজে স্বাক্ষর করতে তার কাছে এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন, আর সেই টাকা না পেয়ে মাসের পর মাস বিভিন্ন অজুহাতে তাকে হয়রানি করে যাচ্ছে। সুপারের এই অপকর্মের কথা উল্লেখ করে চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর হিজলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন সে। অপরদিকে সুপার হারুন অর রশিদের সাথে মোবাইলে আলাপ কালে তিনি সম্পূর্ণ ঘটনাটি অস্বীকার করে বলেন তার সাথে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাথে আদৌ কোনো দ্বন্দ্ব নেই।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

বরিশালে ঘুষ না পেয়ে পেনশনের কাগজে স্বাক্ষর করেননি মাদ্রাসার সুপার

প্রকাশের সময় : 08:48:02 pm, Thursday, 12 November 2020

থানা প্রতিনিধি॥ বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠিত নরসিংহপুর কেরামতিয়া দাখিল মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর পেনশন ও কল্যাণ ট্রাস্টের কাগজে স্বাক্ষর করতে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সুপার মোঃ হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে।ভুক্তভোগী মোঃ দলিল উদ্দিন হাওলাদার জানান, উক্ত প্রতিষ্ঠানে ১৯৮১ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরপর অবসরে রয়েছেন সে।

 

 

অবসরকালীন তার পেনশন ও কল্যাণ ট্রাস্টের কোনো কাগজেই স্বাক্ষর করেননি বর্তমান সুপার মোঃ হারুন অর রশিদ। সুপার কাগজে স্বাক্ষর করতে তার কাছে এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন, আর সেই টাকা না পেয়ে মাসের পর মাস বিভিন্ন অজুহাতে তাকে হয়রানি করে যাচ্ছে। সুপারের এই অপকর্মের কথা উল্লেখ করে চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর হিজলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন সে। অপরদিকে সুপার হারুন অর রশিদের সাথে মোবাইলে আলাপ কালে তিনি সম্পূর্ণ ঘটনাটি অস্বীকার করে বলেন তার সাথে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাথে আদৌ কোনো দ্বন্দ্ব নেই।