বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




বরিশালে গণপরিবহনে চালক-যাত্রীদের মাস্ক ব্যবহারে অনীহা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 08:43:49 pm, Wednesday, 9 December 2020
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




নিজস্ব প্রতিবেদক॥ মহামারি করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সারাদেশ শঙ্কিত। যার কারণে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের ওপর জোর দিয়েছে সরকার। এ সময়েও বরিশাল নগরীর ভেতরে চলাচলকারী গণপরিবহনে নেই স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই।

 

 

রাস্তা-ঘাটসহ গণপরিবহনে মাস্ক ছাড়াই অবাধে চলাচল করছেন মানুষজন, আর এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিনিয়তই বাড়ছে।

 

 

সরেজমিনে দেখা যায়, মাস্ক ছাড়া যে কোনো সেবা দেওয়া থেকে বিরত থাকার কথা থাকলেও গণপরিবহনে এর কোনো বালাই নেই, যাত্রীরা মাস্ক ছাড়াই উঠছেন। এমনকি ওই সব গাড়ির চালকদের মুখেও নেই মাস্ক।গণপরিবহনে অনেক যাত্রীই মাস্ক ব্যবহার করছেন না। আবার কারো মাস্ক থাকলেও তা মুখের নিচে ঝুলিয়ে রেখেছেন।

 

 

দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়া নিষেধ থাকলেও তা মানছে না চালকরা। বাসে ওঠার আগে জীবাণুনাশক দিয়ে হাত পরিষ্কার করার শর্তও মানছেন না তারা। প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাস্ক না ব্যবহারের জরিমানা ও সাজা দেওয়া কমে আসায় মানুষের মধ্যে এমন অনীহা দেখা দিয়েছে বলে মনে করে সুশীল সমাজ।

 

 

অঞ্জনা রানী নামে এক মাহিন্দা যাত্রী বলেন, বাড়ি থেকে মাস্ক আনতে ভুলে গিয়েছি, আর এখন তো করোনায় মানুষ মরে না! অযথা কেন মুখ আটকিয়ে রাখবো। যারা বেশি সচেতন তাদের এ রোগে আক্রান্ত হয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

 

 

মুখে মাস্ক নেই কেন এমন প্রশ্নের জবাবে আমানুর রহমান নামের এক বাস যাত্রীর সোজাসাপটা উত্তর, মাস্ক পরে কী হবে, যে পরিমাণ ঘনবসতি, কোনো শারীরিক দূরত্ব মানার উপায় নেই। করোনা হওয়ার হলে এমনিতেই হবে।

 

 

অটোরিকশা চালক সোহেল মল্লিকের মুখেও মাস্ক নেই। সেটা কেন ব্যবহার করছেন না কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারাদিন মাস্ক পরে থাকাটা অস্বস্তি লাগে। তাই তিনি কিছু সময়ের জন্য খুলে রেখেছেন।

 

 

সচেতন যাত্রী নজরুল ইসলাম বলেন, সচেতন না হলে করোনার প্রকোপ বাড়বে। তাই চালক-যাত্রী সবাইকে সচেতন হয়ে মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই।

 

 

এদিকে মাস্ক না ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমানের নির্দেশে নগরীতে প্রতিদিন দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন। ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদার বলেন, আমরা মাঠে থাকায় মানুষ সচেতন হচ্ছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে মানুষকে সচেতন করতে এ অভিযান চলমান থাকবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

বরিশালে গণপরিবহনে চালক-যাত্রীদের মাস্ক ব্যবহারে অনীহা

প্রকাশের সময় : 08:43:49 pm, Wednesday, 9 December 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ মহামারি করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সারাদেশ শঙ্কিত। যার কারণে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের ওপর জোর দিয়েছে সরকার। এ সময়েও বরিশাল নগরীর ভেতরে চলাচলকারী গণপরিবহনে নেই স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই।

 

 

রাস্তা-ঘাটসহ গণপরিবহনে মাস্ক ছাড়াই অবাধে চলাচল করছেন মানুষজন, আর এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি প্রতিনিয়তই বাড়ছে।

 

 

সরেজমিনে দেখা যায়, মাস্ক ছাড়া যে কোনো সেবা দেওয়া থেকে বিরত থাকার কথা থাকলেও গণপরিবহনে এর কোনো বালাই নেই, যাত্রীরা মাস্ক ছাড়াই উঠছেন। এমনকি ওই সব গাড়ির চালকদের মুখেও নেই মাস্ক।গণপরিবহনে অনেক যাত্রীই মাস্ক ব্যবহার করছেন না। আবার কারো মাস্ক থাকলেও তা মুখের নিচে ঝুলিয়ে রেখেছেন।

 

 

দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়া নিষেধ থাকলেও তা মানছে না চালকরা। বাসে ওঠার আগে জীবাণুনাশক দিয়ে হাত পরিষ্কার করার শর্তও মানছেন না তারা। প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাস্ক না ব্যবহারের জরিমানা ও সাজা দেওয়া কমে আসায় মানুষের মধ্যে এমন অনীহা দেখা দিয়েছে বলে মনে করে সুশীল সমাজ।

 

 

অঞ্জনা রানী নামে এক মাহিন্দা যাত্রী বলেন, বাড়ি থেকে মাস্ক আনতে ভুলে গিয়েছি, আর এখন তো করোনায় মানুষ মরে না! অযথা কেন মুখ আটকিয়ে রাখবো। যারা বেশি সচেতন তাদের এ রোগে আক্রান্ত হয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

 

 

মুখে মাস্ক নেই কেন এমন প্রশ্নের জবাবে আমানুর রহমান নামের এক বাস যাত্রীর সোজাসাপটা উত্তর, মাস্ক পরে কী হবে, যে পরিমাণ ঘনবসতি, কোনো শারীরিক দূরত্ব মানার উপায় নেই। করোনা হওয়ার হলে এমনিতেই হবে।

 

 

অটোরিকশা চালক সোহেল মল্লিকের মুখেও মাস্ক নেই। সেটা কেন ব্যবহার করছেন না কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সারাদিন মাস্ক পরে থাকাটা অস্বস্তি লাগে। তাই তিনি কিছু সময়ের জন্য খুলে রেখেছেন।

 

 

সচেতন যাত্রী নজরুল ইসলাম বলেন, সচেতন না হলে করোনার প্রকোপ বাড়বে। তাই চালক-যাত্রী সবাইকে সচেতন হয়ে মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই।

 

 

এদিকে মাস্ক না ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমানের নির্দেশে নগরীতে প্রতিদিন দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন। ম্যাজিস্ট্রেট নিরুপম মজুমদার বলেন, আমরা মাঠে থাকায় মানুষ সচেতন হচ্ছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে মানুষকে সচেতন করতে এ অভিযান চলমান থাকবে।