ভয়েস অব বরিশাল॥ বরিশাল নগরীতে ফুটপাতের হকারদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে একাধীক দোকান মালিকদের বিরেুদ্ধে। সড়ক দখল করে দোকানের সামনে বসিয়ে জন প্রতি ১০০/১৫০ টাকা নেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে পথচারীদের পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি।

ফলে সড়ক দুর্ঘটনা যেন নিত্য দিনের সঙ্গি হচ্ছে। নগরীর ২০ নং ওয়ার্ডের হোসিনিায়া মাদ্রাসার সামনে এমন চিত্র দেখে গেছে। পাশাপাশি নথুল্লাবাদের পোলের দুই পাশের রাস্তায় কেউ বেঞ্চ বসিয়ে ফুটপাতের ওপর রেখে এ দখল বজায় রেখেছেন।
অন্যদিকে পোলের উপরে ৪/৫টি ফলের দোকান ফুটপাতজুড়ে চালাচ্ছে বেচাকেনা। পোলের দুই পাশে হকারদের দখলে থাকায় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। ফুটপাত দখলমুক্ত করার কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না বিসিসি বলে অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর।

অধিকাংশ দোকানই দাঁড়িয়ে আছে ফুটপাত দখল করে। জানা গেছে , একাধীক স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, এমনিতেই রাস্তাগুলো অপ্রশস্ত। সিএনজি,ব্যাটারি চালিত অটো আর মোটরসাইকেল রাস্তার ওপরই রাখা থাকে। ফুটপাত দিয়েও হাঁটার উপায় নেই। ফুটপাতগুলো দোকানিরা দখল করে রেখেছেন।
চলাচলে দারুণ বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এদিকে নথুল্লাবাদ থেকে বিভিন্ন যানবহন চলাচল করে থাকে। যাত্রী উঠাতে নথুল্লাবাদ পোল নামক স্থানে গাড়ি থামানো হয়।
সেখান থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাত্রীরা যেয়ে থাকেন। পোলের দুইপাশ জুড়ে এমন ভাবে সড়ক দখল করে রাখা হয়েছে যা চোঁখে পরার মত। ফুটপাতের এক মাছ ব্যবসায়ী বলেন, দুপর থেকে বিকেল পর্যন্ত দোকানের সামনে মাছ বিক্রি করতে বসলে দোকান মালিককে ১০০/১৫০ টাকা দিতে হয়। রাত হলে লাইট প্রতি ১০০ টাকা দিতে হবে। করোনা ভাইরাসে বেকার হয়ে পরা বেশ কিছু যুবক ওই ফুটপাত বেচে নিয়েছেন। উৎকোচ দিয়ে ব্যবসা করতে হচ্ছে তাদের।

এমত অবস্থায় ফুটপাত দখল মুক্ত চাইছেন ওই এলাকার একাধীক ভবন মালিক ও স্থানীয়রা। ফুটপাত দখলের বিষয়টি জানতে চাইলে রোড ইন্সপেক্টর আনিচ চৌধুরী বলেন, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
Reporter Name 















