বিজ্ঞপ্তি :
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প
সংবাদ শিরোনাম:
ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, অবরোধ বহাল রাখলেন ট্রাম্প




বরিশালে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, ৬ সাংবাদিকসহ আহত ২০

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 06:24:10 pm, Wednesday, 31 July 2024
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




নিজস্ব প্রতিবেদক: কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের হত্যার বিচার, গণগ্রেপ্তার বন্ধ, কেন্দ্র্রীয় সমন্বয়কসহ সারাদেশে শিক্ষার্থীদের মুক্তি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নয় দফা মেনে নেওয়ার দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের লাঠির আঘাতে ৬ সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনার পর সড়ক থেকে দুই ছাত্রীসহ ১১ জনকে পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়েছে। পুলিশের দাবি শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে শিবিরের কিছু কর্মী অংশ নেয়ায় তাদেরকে আটক করা হয়েছে। আর শিক্ষার্থীরা বলছেন, তারা রাষ্ট্রবিরোধী কিংবা কোনো ধরনের সংঘাতে ছিল না। তারপরও বিনা উসকানিতে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে এবং সহপাঠীদের ধরে নিয়ে গেছে।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা দিকে নগরীর সদর রোড ও ফজলুল হক অ্যাভিনিউ এলাকা জুড়ে এ ঘটনা ঘটে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, সকাল থেকে বরিশাল নগরীর প্রধান সড়কগুলো আটকে রাখে পুলিশ। নানা বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে তারা দাবি আদায়ে সুশৃঙ্খলভাবে ফকিরবাড়ি রোড থেকে সদর রোডে উঠতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এরপরও বাধা উপেক্ষা করে তারা অশ্বিনী কুমার হলে সামনে চলে আসলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। পরে তারা আদালত পাড়ার সামনের সড়কে গেলে সেখানেও পুলিশ বাধা দেয় এবং ১০-১১ জনকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে আসা শিক্ষক বিপ্লব দাস বলেন, শিক্ষার্থীরা ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি পালন করেছে। তারা বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে ডেকেছিলেন। সবাই আমার ছাত্র। সেই কারণে আমি এসে ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছি। শিক্ষার্থীরা সদর রোড থেকে আদালত পাড়ায় আসার সময় পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করেছে। অথচ শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের গোলযোগ করেনি।

ঘটনাস্থলে থাকা বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার এসএম তানভীর আরাফাত বলেন, বিরোধী ছাত্রসংগঠনের কিছু নেতা রাস্তা অবরোধ করেছিল। কোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এটার সামনেও অবরোধ করেছিল। তারা পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা করে, ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে, গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে তাদের উঠিয়ে দিয়েছি। বেশ কয়েকজনকে আটক করেছি।

তিনি দাবি করেন, এখানে (শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে) বেশ কিছু শিবিরের ছাত্র ছিল, যাদের আটক করেছে তারা। তবে এতে ভিন্নমত জানিয়েছেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর বরিশাল জেলার আহ্বায়ক ডা. মনীষা চক্রবর্তী। তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি ছিল। এটা সাধারণ শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি। এখানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছিল। সেখানে এসে পুলিশ হামলা করেছে। নারী শিক্ষার্থীদের আহত করেছেন। তিনি বলেন, অন্তত ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। যেভাবে গ্রেপ্তার চালিয়েছে, সেটাও ন্যক্কারজনক। অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের মুক্তি দাবি করে ডা. মনীষা পুলিশি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।

হামলার শিকার শিক্ষার্থী মৌসুমি জানিয়েছেন, পুলিশ নিজেদের দোষ ঢাকতে জামায়াত শিবিরের তকমা লাগানোর চেষ্টা করছে। পুরুষ পুলিশরা এসে আমাদের সবাইকে ইচ্ছেমতো পিটিয়েছে। কাউকে বাদ দেয়নি, চুল ধরে লাঠিপেটা করছে। যদিও কোতোয়ালি থানা পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থলে নারী পুলিশ সদস্যরা ছিল, যারা নারীদের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করেছে।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১টার দিকে বরিশাল নগরীর ফকিরবাড়ী রোড থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল বের করেন। তখন পুলিশ লাঠিপেটা করে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে। ঘটনার ছবি ধারণ করতে যাওয়া দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ফটো সাংবাদিক শামীম আহমেদ, হৃদয়, তুহিনসহ অন্তত ৬ সাংবাদিক পুলিশি লাঠিপেটার শিকার হন এবং আহত হন।

লাঠিপেটার শিকার সাংবাদিকরা জানান, বিনা উসকানিতে উপ-কমিশনার এসএম তানভীর আরাফাতের নেতৃত্বে পুলিশ আন্দোলনকারীদের বাদ দিয়ে সাংবাদিকদের পিটিয়েছে। এমনকি পরে গিয়ে আহত হওয়া সাংবাদিক শামীম আহমেদও বাদ যায়নি লাঠিপেটা থেকে। ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকরা এর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদও জানালে, তারা ঘটনা অস্বীকার করেন। পরে বিষয়টি পুলিশ কমিশনারকে তাৎক্ষণিক জানানো হয়। তিনি নিজে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানালে সাংবাদিকরা আহতদের নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য চলে যায়।

এদিকে বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ছাড়া পেয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের সমন্বয়ক হুজাইফা রহমান জানান, ১ জন প্রতিবন্ধী পথচারীসহ পুলিশ ১১ জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। ওই প্রতিবন্ধীসহ ৫ জনকে কিছুক্ষণ আগে ছেড়েছে। বাকি ৬ শিক্ষার্থী এখনও তাদের হেফাজতে রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

Facebook

ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

বরিশালে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ, ৬ সাংবাদিকসহ আহত ২০

প্রকাশের সময় : 06:24:10 pm, Wednesday, 31 July 2024

নিজস্ব প্রতিবেদক: কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের হত্যার বিচার, গণগ্রেপ্তার বন্ধ, কেন্দ্র্রীয় সমন্বয়কসহ সারাদেশে শিক্ষার্থীদের মুক্তি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নয় দফা মেনে নেওয়ার দাবিতে বরিশালে শিক্ষার্থীদের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের লাঠির আঘাতে ৬ সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনার পর সড়ক থেকে দুই ছাত্রীসহ ১১ জনকে পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়েছে। পুলিশের দাবি শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে শিবিরের কিছু কর্মী অংশ নেয়ায় তাদেরকে আটক করা হয়েছে। আর শিক্ষার্থীরা বলছেন, তারা রাষ্ট্রবিরোধী কিংবা কোনো ধরনের সংঘাতে ছিল না। তারপরও বিনা উসকানিতে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে এবং সহপাঠীদের ধরে নিয়ে গেছে।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা দিকে নগরীর সদর রোড ও ফজলুল হক অ্যাভিনিউ এলাকা জুড়ে এ ঘটনা ঘটে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, সকাল থেকে বরিশাল নগরীর প্রধান সড়কগুলো আটকে রাখে পুলিশ। নানা বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে তারা দাবি আদায়ে সুশৃঙ্খলভাবে ফকিরবাড়ি রোড থেকে সদর রোডে উঠতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এরপরও বাধা উপেক্ষা করে তারা অশ্বিনী কুমার হলে সামনে চলে আসলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। পরে তারা আদালত পাড়ার সামনের সড়কে গেলে সেখানেও পুলিশ বাধা দেয় এবং ১০-১১ জনকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে আসা শিক্ষক বিপ্লব দাস বলেন, শিক্ষার্থীরা ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি পালন করেছে। তারা বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে ডেকেছিলেন। সবাই আমার ছাত্র। সেই কারণে আমি এসে ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছি। শিক্ষার্থীরা সদর রোড থেকে আদালত পাড়ায় আসার সময় পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করেছে। অথচ শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের গোলযোগ করেনি।

ঘটনাস্থলে থাকা বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার এসএম তানভীর আরাফাত বলেন, বিরোধী ছাত্রসংগঠনের কিছু নেতা রাস্তা অবরোধ করেছিল। কোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এটার সামনেও অবরোধ করেছিল। তারা পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা করে, ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে, গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে তাদের উঠিয়ে দিয়েছি। বেশ কয়েকজনকে আটক করেছি।

তিনি দাবি করেন, এখানে (শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে) বেশ কিছু শিবিরের ছাত্র ছিল, যাদের আটক করেছে তারা। তবে এতে ভিন্নমত জানিয়েছেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর বরিশাল জেলার আহ্বায়ক ডা. মনীষা চক্রবর্তী। তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি ছিল। এটা সাধারণ শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি। এখানে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছিল। সেখানে এসে পুলিশ হামলা করেছে। নারী শিক্ষার্থীদের আহত করেছেন। তিনি বলেন, অন্তত ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। যেভাবে গ্রেপ্তার চালিয়েছে, সেটাও ন্যক্কারজনক। অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের মুক্তি দাবি করে ডা. মনীষা পুলিশি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন।

হামলার শিকার শিক্ষার্থী মৌসুমি জানিয়েছেন, পুলিশ নিজেদের দোষ ঢাকতে জামায়াত শিবিরের তকমা লাগানোর চেষ্টা করছে। পুরুষ পুলিশরা এসে আমাদের সবাইকে ইচ্ছেমতো পিটিয়েছে। কাউকে বাদ দেয়নি, চুল ধরে লাঠিপেটা করছে। যদিও কোতোয়ালি থানা পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থলে নারী পুলিশ সদস্যরা ছিল, যারা নারীদের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করেছে।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১টার দিকে বরিশাল নগরীর ফকিরবাড়ী রোড থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল বের করেন। তখন পুলিশ লাঠিপেটা করে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে। ঘটনার ছবি ধারণ করতে যাওয়া দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ফটো সাংবাদিক শামীম আহমেদ, হৃদয়, তুহিনসহ অন্তত ৬ সাংবাদিক পুলিশি লাঠিপেটার শিকার হন এবং আহত হন।

লাঠিপেটার শিকার সাংবাদিকরা জানান, বিনা উসকানিতে উপ-কমিশনার এসএম তানভীর আরাফাতের নেতৃত্বে পুলিশ আন্দোলনকারীদের বাদ দিয়ে সাংবাদিকদের পিটিয়েছে। এমনকি পরে গিয়ে আহত হওয়া সাংবাদিক শামীম আহমেদও বাদ যায়নি লাঠিপেটা থেকে। ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকরা এর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদও জানালে, তারা ঘটনা অস্বীকার করেন। পরে বিষয়টি পুলিশ কমিশনারকে তাৎক্ষণিক জানানো হয়। তিনি নিজে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানালে সাংবাদিকরা আহতদের নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য চলে যায়।

এদিকে বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ছাড়া পেয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের সমন্বয়ক হুজাইফা রহমান জানান, ১ জন প্রতিবন্ধী পথচারীসহ পুলিশ ১১ জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। ওই প্রতিবন্ধীসহ ৫ জনকে কিছুক্ষণ আগে ছেড়েছে। বাকি ৬ শিক্ষার্থী এখনও তাদের হেফাজতে রয়েছে।