সংবাদ শিরোনাম:




বরিশালের শোলনায় তিন ভাইর অত্যাচারে অতিষ্ট স্থানীয়রা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 11:34:33 pm, Tuesday, 5 May 2020
  • 3 সংবাদটি দেখা হয়েছে




নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বরিশাল সদর উপজেলার ১নং রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের শোলনা গ্রামের তিন ভাইর অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন শোলনা গ্রামের স্থানীয়রা। জমি দখল, হুমকি,ও বসতঘরলুট করাসহ নানান অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্যায়-অত্যাচার থেকে রক্ষা পেতে এয়ারপোর্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভুগি জাফর মিয়াসহ একাধিক বাসিন্দারা। রবিবার (৩ মে) জাফর মিয়ার অনুপস্থিতে একটি বসতঘরসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায় মৃত আয়ুব আলী খানের পুত্র রিতু,ইয়াসিন,নাইম।

বিষয়টি নিয়ে এলাকায় হট্রগোল হলেও জানেনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান খোকন।

বসতঘর লুটের বিষয়টি নিয়ে এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদ বিন আলম বলেন, কেউ আমাদের কাছে অভিযোগ দেননি তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দিয়েছেন এই কর্মকর্তা

। এসকল কর্মকান্ডে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন মৃত আমজেদ আলি খানের ছেলে মনিুরুল ইসলাম। ভুক্তভুগি কলাডেমা এলাকার মৃত সামসুদ্দিন মিয়ার পুত্র জাফর জানান,সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন( আয়নাল) স্থানীয় সারভেয়ার মাসুদ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি উপস্তিত থেকে ২০১২ সালের এপ্রিল মাসের ২৬ তারিখে ৬০৫২ নং দলিল মুলে ক্ষমতা বলে বিভিন্ন দাগে ৯০ শতাংশ জমি জাফরের ভাই হুমায়ুন কবিরের কাছে হস্তান্তর করেন মনিরুল ইসলাম। ২০১৫ সালে মার্চ মাসের তিন তারিখে ২৬৬৪ নং দলিল ক্ষমতা বলে হুমায়ুন কবির তার ভাই জাফরের কাছে হস্তান্তর করেন।

মনিরুল ইসলাম ওই জমি পেতে ভাইর ছেলেদের হাতিয়ার বানিয়ে রবিবার (৩ মে) গভীর রাতে একটি ঘসতর ঘর লুটে নেয়,ঘরে থাকা একটি পানি সেচ মেশিনসহ ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার মালামাল লুটে নেয় হয়েছে বলে জানান জাফর। সোমবার সকালে জাফর মিয়ার বড় ভাই জুলফিকার মিয়া বিষয়টি দেখে তার ভাইকে জানান।

অপরদিকে জুলফিকার মিয়াকে বিভিন্ন সময় প্রান নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ওই তিন ভাই। এদিকে জাফর তার জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফলজ গাছ রোপন করে সেই গাছের ফল বস্ত ভর্তি করে নেয় তিন ভাই। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছে না। এলাকার যে কোনো ব্যাক্তি চেয়ারম্যান বা থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ দিলেই হতে হয় মামলার আসমি ।

সুত্র বলছে, ২০১০ সালের ফেব্রয়ারি মাসের ২৩ তারিখে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে আল্লাহর নামে ছাড়া ষাড় গরু চুরি করে বিক্রি করার বিচার চেয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেন এলাকাবসী। মৃত আয়ুব আলী খানের পুত্র ইয়াসিন গুটিয়ার হাটে নিয়ে আল্লাহর নামে ছাড়া ষাড় গরুটি ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করে।

একই এলাকার মৃত নবি নেওয়াজ খানের ছেলে সাবেক পুলিশ সদস্য আব্দুল মালেক খান বলেন, ওই তিন জনের কারনে এলাকায় বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পরেছে। জমিতে রোপন কৃত গাছপালা জোরপূর্বক কেটে নেয়ার কারনে একটি মামলা দায়ের করেছি যার নং ১৬৭।তিনি আরো বলেন, এরা এতটাই ভয়ংকর তিন ভাইকে কিছু বললে তার মা দেশীও অস্ত্র নিয়া প্রকাশ্যে আসে । এমত অবস্থা প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষন করছে গ্রামবাসী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

বরিশালের শোলনায় তিন ভাইর অত্যাচারে অতিষ্ট স্থানীয়রা

প্রকাশের সময় : 11:34:33 pm, Tuesday, 5 May 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বরিশাল সদর উপজেলার ১নং রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের শোলনা গ্রামের তিন ভাইর অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন শোলনা গ্রামের স্থানীয়রা। জমি দখল, হুমকি,ও বসতঘরলুট করাসহ নানান অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্যায়-অত্যাচার থেকে রক্ষা পেতে এয়ারপোর্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভুগি জাফর মিয়াসহ একাধিক বাসিন্দারা। রবিবার (৩ মে) জাফর মিয়ার অনুপস্থিতে একটি বসতঘরসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায় মৃত আয়ুব আলী খানের পুত্র রিতু,ইয়াসিন,নাইম।

বিষয়টি নিয়ে এলাকায় হট্রগোল হলেও জানেনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান খোকন।

বসতঘর লুটের বিষয়টি নিয়ে এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদ বিন আলম বলেন, কেউ আমাদের কাছে অভিযোগ দেননি তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দিয়েছেন এই কর্মকর্তা

। এসকল কর্মকান্ডে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন মৃত আমজেদ আলি খানের ছেলে মনিুরুল ইসলাম। ভুক্তভুগি কলাডেমা এলাকার মৃত সামসুদ্দিন মিয়ার পুত্র জাফর জানান,সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন( আয়নাল) স্থানীয় সারভেয়ার মাসুদ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি উপস্তিত থেকে ২০১২ সালের এপ্রিল মাসের ২৬ তারিখে ৬০৫২ নং দলিল মুলে ক্ষমতা বলে বিভিন্ন দাগে ৯০ শতাংশ জমি জাফরের ভাই হুমায়ুন কবিরের কাছে হস্তান্তর করেন মনিরুল ইসলাম। ২০১৫ সালে মার্চ মাসের তিন তারিখে ২৬৬৪ নং দলিল ক্ষমতা বলে হুমায়ুন কবির তার ভাই জাফরের কাছে হস্তান্তর করেন।

মনিরুল ইসলাম ওই জমি পেতে ভাইর ছেলেদের হাতিয়ার বানিয়ে রবিবার (৩ মে) গভীর রাতে একটি ঘসতর ঘর লুটে নেয়,ঘরে থাকা একটি পানি সেচ মেশিনসহ ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার মালামাল লুটে নেয় হয়েছে বলে জানান জাফর। সোমবার সকালে জাফর মিয়ার বড় ভাই জুলফিকার মিয়া বিষয়টি দেখে তার ভাইকে জানান।

অপরদিকে জুলফিকার মিয়াকে বিভিন্ন সময় প্রান নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ওই তিন ভাই। এদিকে জাফর তার জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফলজ গাছ রোপন করে সেই গাছের ফল বস্ত ভর্তি করে নেয় তিন ভাই। তাদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছে না। এলাকার যে কোনো ব্যাক্তি চেয়ারম্যান বা থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ দিলেই হতে হয় মামলার আসমি ।

সুত্র বলছে, ২০১০ সালের ফেব্রয়ারি মাসের ২৩ তারিখে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে আল্লাহর নামে ছাড়া ষাড় গরু চুরি করে বিক্রি করার বিচার চেয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেন এলাকাবসী। মৃত আয়ুব আলী খানের পুত্র ইয়াসিন গুটিয়ার হাটে নিয়ে আল্লাহর নামে ছাড়া ষাড় গরুটি ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করে।

একই এলাকার মৃত নবি নেওয়াজ খানের ছেলে সাবেক পুলিশ সদস্য আব্দুল মালেক খান বলেন, ওই তিন জনের কারনে এলাকায় বসবাস করা অসম্ভব হয়ে পরেছে। জমিতে রোপন কৃত গাছপালা জোরপূর্বক কেটে নেয়ার কারনে একটি মামলা দায়ের করেছি যার নং ১৬৭।তিনি আরো বলেন, এরা এতটাই ভয়ংকর তিন ভাইকে কিছু বললে তার মা দেশীও অস্ত্র নিয়া প্রকাশ্যে আসে । এমত অবস্থা প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষন করছে গ্রামবাসী।