বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাই বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ভিত্তি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 09:18:18 pm, Saturday, 10 April 2021
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ভিত্তি ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা। এ ঘোষণা এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আমাদের সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

 

 

শনিবার বিকেলে ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের বিরোধীতা, রাষ্ট্রদ্রোহিতা তুল্য অপরাধ’ শীর্ষক ওয়েবিনারে রাজধানীর সরকারি বাসভবন থেকে সংযুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

 

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনি মোশতাক ও পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতায় এলেও বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে তারা কোনো বিতর্ক তোলেননি। কিন্তু জিয়ার মৃত্যুর পরে তার তৈরি বিএনপিতে স্বাধীনতাবিরোধী ও প্রতিক্রিয়াশীলদের সম্পৃক্ত করার পরই বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে জিয়াউর রহমানের কথিত স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠকে ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়।

 

 

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। সে ঘোষণাটি ১০ এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলা সরকার তথা মুজিব নগর সরকার অনুমোদন দেয় এবং এ আলোকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হয়। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায় বিচারের কথা উল্লেখ করা ছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে প্রণয়নও অনুমোদনের পূর্ব পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ও ঘোষণাপত্রই ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান। তার ভিত্তিতেই পরিচালিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলা সরকার। সে সরকারের সঙ্গেই ভারতের মৈত্রী চুক্তি হয়।

 

 

স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুকে রক্ষার ব্যর্থতাই সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থান ঘটিয়েছে বলে এ সময় মন্তব্য করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

 

 

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের বাইরে ২৬ বছর ক্ষমতায় থাকা সরকারগুলো সুপরিকল্পিতভাবে বঙ্গবন্ধুর কীর্তিকে ছোট করে জিয়াকে বড় বানানোর চেষ্টা করে। স্বাধীনতা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি নানা মত ও দলে বিভক্ত হলেও স্বাধীনতাবিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

 

 

শ ম রেজাউল করিম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি যেভাবে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিল, স্বাধীনতা পরবর্তীতে তাদের কেউ কেউ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সম্মিলিতভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা ও পুনর্গঠনে ভূমিকা না রেখে বরং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করেছিল। সেই সুযোগে স্বাধীনতাবিরোধী দেশি-বিদেশি চক্র বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে হত্যা করেছিল। এজন্য সাম্প্রতিক সময়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থান নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে একাত্তর সালের মতো ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিচ্ছে।

 

 

ওয়েবিনারে সঞ্চালনা করেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির। এতে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের রচয়িতা ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহ-সভাপতি বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, এমপি অ্যারোমা দত্ত, বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাই বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ভিত্তি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশের সময় : 09:18:18 pm, Saturday, 10 April 2021

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ভিত্তি ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা। এ ঘোষণা এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আমাদের সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

 

 

শনিবার বিকেলে ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের বিরোধীতা, রাষ্ট্রদ্রোহিতা তুল্য অপরাধ’ শীর্ষক ওয়েবিনারে রাজধানীর সরকারি বাসভবন থেকে সংযুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

 

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনি মোশতাক ও পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতায় এলেও বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে তারা কোনো বিতর্ক তোলেননি। কিন্তু জিয়ার মৃত্যুর পরে তার তৈরি বিএনপিতে স্বাধীনতাবিরোধী ও প্রতিক্রিয়াশীলদের সম্পৃক্ত করার পরই বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে জিয়াউর রহমানের কথিত স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠকে ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়।

 

 

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। সে ঘোষণাটি ১০ এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলা সরকার তথা মুজিব নগর সরকার অনুমোদন দেয় এবং এ আলোকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হয়। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায় বিচারের কথা উল্লেখ করা ছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে প্রণয়নও অনুমোদনের পূর্ব পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ও ঘোষণাপত্রই ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান। তার ভিত্তিতেই পরিচালিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলা সরকার। সে সরকারের সঙ্গেই ভারতের মৈত্রী চুক্তি হয়।

 

 

স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুকে রক্ষার ব্যর্থতাই সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থান ঘটিয়েছে বলে এ সময় মন্তব্য করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

 

 

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের বাইরে ২৬ বছর ক্ষমতায় থাকা সরকারগুলো সুপরিকল্পিতভাবে বঙ্গবন্ধুর কীর্তিকে ছোট করে জিয়াকে বড় বানানোর চেষ্টা করে। স্বাধীনতা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি নানা মত ও দলে বিভক্ত হলেও স্বাধীনতাবিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

 

 

শ ম রেজাউল করিম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি যেভাবে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিল, স্বাধীনতা পরবর্তীতে তাদের কেউ কেউ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সম্মিলিতভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা ও পুনর্গঠনে ভূমিকা না রেখে বরং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করেছিল। সেই সুযোগে স্বাধীনতাবিরোধী দেশি-বিদেশি চক্র বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে হত্যা করেছিল। এজন্য সাম্প্রতিক সময়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থান নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে একাত্তর সালের মতো ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিচ্ছে।

 

 

ওয়েবিনারে সঞ্চালনা করেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির। এতে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের রচয়িতা ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সহ-সভাপতি বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, এমপি অ্যারোমা দত্ত, বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।