বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




বই বিতরণে বিলম্ব, প্রশ্নে এনসিটিবির সক্ষমতা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 11:25:25 am, Monday, 12 January 2026
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ডেস্ক রিপোর্ট ॥ শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই পাঠ্যবই সংকট বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এক পরিচিত চিত্রে পরিণত হয়েছে। ২০২৬ সালেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। নতুন বছর শুরুর পরও মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ি মাদ্রাসার বহু শিক্ষার্থী এখনো সব পাঠ্যবই পায়নি। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই সরবরাহ করতে ব্যর্থ হওয়ায় শিক্ষাকার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

এনসিটিবির তথ্যমতে, প্রাথমিক স্তরের বই বিতরণ প্রায় শেষ হলেও মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ি পর্যায়ে মুদ্রণ ও বিতরণে উল্লেখযোগ্য বিলম্ব হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া দেরিতে শুরু হওয়াকে এই সংকটের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

রোববার (১১ জানুয়ারি) এনসিটিবি জানায়, এখনো দুই কোটি ৯২ লাখ ১৮ হাজার ৬০৯টি পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছায়নি, যা মোট বইয়ের ১৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বই ছাড়া পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।

এনসিটিবির বিতরণ নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মতিউর রহমান খান পাঠান জানান, ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তরের (ইবতেদায়িসহ) ১৮ কোটি ৫০ লাখ ৯৫ হাজার ৬৬৫টি বই সরবরাহ করা হয়েছে। তার দাবি, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই শতভাগ পাঠ্যবই বিতরণ শেষ হবে।

তবে অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে এই আশ্বাস নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ, এর আগেও একাধিকবার নির্ধারিত সময় ঘোষণা করেও তা রক্ষা করতে পারেনি এনসিটিবি।

গত ৪ জানুয়ারি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক মিলিয়ে মোট পাঠ্যবইয়ের ৮৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এনসিটিবি ২৮ ডিসেম্বর সব শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। তবে গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধা সীমিত হওয়ায় এই উদ্যোগ সবার জন্য সমান কার্যকর হচ্ছে না। দীর্ঘদিনের এই বিতরণ সংকট থেকে কবে মুক্তি মিলবে—সে প্রশ্নই এখন বড় হয়ে উঠছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

বই বিতরণে বিলম্ব, প্রশ্নে এনসিটিবির সক্ষমতা

প্রকাশের সময় : 11:25:25 am, Monday, 12 January 2026

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই পাঠ্যবই সংকট বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এক পরিচিত চিত্রে পরিণত হয়েছে। ২০২৬ সালেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। নতুন বছর শুরুর পরও মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ি মাদ্রাসার বহু শিক্ষার্থী এখনো সব পাঠ্যবই পায়নি। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই সরবরাহ করতে ব্যর্থ হওয়ায় শিক্ষাকার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

এনসিটিবির তথ্যমতে, প্রাথমিক স্তরের বই বিতরণ প্রায় শেষ হলেও মাধ্যমিক ও ইবতেদায়ি পর্যায়ে মুদ্রণ ও বিতরণে উল্লেখযোগ্য বিলম্ব হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া দেরিতে শুরু হওয়াকে এই সংকটের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

রোববার (১১ জানুয়ারি) এনসিটিবি জানায়, এখনো দুই কোটি ৯২ লাখ ১৮ হাজার ৬০৯টি পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছায়নি, যা মোট বইয়ের ১৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বই ছাড়া পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।

এনসিটিবির বিতরণ নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মতিউর রহমান খান পাঠান জানান, ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তরের (ইবতেদায়িসহ) ১৮ কোটি ৫০ লাখ ৯৫ হাজার ৬৬৫টি বই সরবরাহ করা হয়েছে। তার দাবি, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই শতভাগ পাঠ্যবই বিতরণ শেষ হবে।

তবে অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে এই আশ্বাস নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ, এর আগেও একাধিকবার নির্ধারিত সময় ঘোষণা করেও তা রক্ষা করতে পারেনি এনসিটিবি।

গত ৪ জানুয়ারি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক মিলিয়ে মোট পাঠ্যবইয়ের ৮৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এনসিটিবি ২৮ ডিসেম্বর সব শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। তবে গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধা সীমিত হওয়ায় এই উদ্যোগ সবার জন্য সমান কার্যকর হচ্ছে না। দীর্ঘদিনের এই বিতরণ সংকট থেকে কবে মুক্তি মিলবে—সে প্রশ্নই এখন বড় হয়ে উঠছে।