পটুয়াখালীতে মা ও ছয় মাসের শিশুকে বেঁধে কেরোসিন ঢেলে আগুন

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 01:31:27 am, Friday, 9 June 2023
  • 0 সংবাদটি দেখা হয়েছে




পটুয়াখালী প্রতিনিধি॥ পটুয়াখালীর দুমকি বন্দরে ঘরে ঢুকে মা ও ছয় মাসের শিশুর মুখ, হাত-পা বেঁধে কেরোসিন ঢেলে অগুন ধরিয়ে পালিয়ে গেছে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দগ্ধ মা ও শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

আগুনের ধোঁয়া দেখে প্রতিবেশীরা এসে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দগ্ধ মা ও ছয় মাসের শিশুকে উদ্ধার করেন। পরে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। মা ও শিশুটির শরীরের অধিকাংশই আগুনে ঝলসে গেছে। বৃহস্পতিবার ৮ জুন এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

 

 

ওই নারীর স্বামী জামাল হোসেন প্রিন্স বন্দরে একটি কম্পিউটার দোকানের কর্মচারী। জামাল হোসেন প্রিন্স তার স্ত্রী হালিমা আক্তার মীম (২০) ও ছয় মাস বয়সী পুত্র ওয়ালিদ ইসলাম জিসানকে নিয়ে বন্দরের একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। জামাল হোসেন দুপুরের খাবার খেয়ে ঘর থেকে দোকানের উদ্দেশে বের হওয়ার ২০ মিনিটের মাথায় এ ঘটনা ঘটে।

 

 

পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

পটুয়াখালীতে মা ও ছয় মাসের শিশুকে বেঁধে কেরোসিন ঢেলে আগুন

প্রকাশের সময় : 01:31:27 am, Friday, 9 June 2023

পটুয়াখালী প্রতিনিধি॥ পটুয়াখালীর দুমকি বন্দরে ঘরে ঢুকে মা ও ছয় মাসের শিশুর মুখ, হাত-পা বেঁধে কেরোসিন ঢেলে অগুন ধরিয়ে পালিয়ে গেছে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দগ্ধ মা ও শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

আগুনের ধোঁয়া দেখে প্রতিবেশীরা এসে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দগ্ধ মা ও ছয় মাসের শিশুকে উদ্ধার করেন। পরে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। মা ও শিশুটির শরীরের অধিকাংশই আগুনে ঝলসে গেছে। বৃহস্পতিবার ৮ জুন এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

 

 

ওই নারীর স্বামী জামাল হোসেন প্রিন্স বন্দরে একটি কম্পিউটার দোকানের কর্মচারী। জামাল হোসেন প্রিন্স তার স্ত্রী হালিমা আক্তার মীম (২০) ও ছয় মাস বয়সী পুত্র ওয়ালিদ ইসলাম জিসানকে নিয়ে বন্দরের একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। জামাল হোসেন দুপুরের খাবার খেয়ে ঘর থেকে দোকানের উদ্দেশে বের হওয়ার ২০ মিনিটের মাথায় এ ঘটনা ঘটে।

 

 

পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।