বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




নির্বাচনের সময় ও রূপরেখা প্রকাশ করলেন ড. ইউনূস

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 04:41:24 pm, Monday, 16 December 2024
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ডেস্ক রিপোর্ট ॥ আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে—এমনটি জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন হবে সময়মতো, তবে এর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

 

ড. ইউনূস জানান, যদি নির্বাচনের জন্য অল্প কিছু সংস্কারসহ নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করা যায়, তবে ২০২৫ সালের শেষের দিকে নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে। তবে, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন কমিশনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে যদি বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন হয়, তাহলে নির্বাচনের সময় আরও অন্তত ছয় মাস পিছিয়ে যেতে পারে। মোটের ওপর তিনি বলেন, ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

 

প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে বলেন, তিনি বারবার নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য সরকারের প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা। বিশেষ করে গত তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণের সুযোগ না হওয়ায়, এখন নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

ড. ইউনূস আরও বলেন, আগামী নির্বাচনে তরুণ-তরুণীদের ভোটদান একটি স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে। দীর্ঘদিন পর এবার বহু তরুণ ভোট দিতে পারবে, যারা আগে কখনো ভোটের সুযোগ পায়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রথমবারের ভোটাররা নির্বাচনে শতভাগ ভোটদান করে একটি ঐতিহ্য সৃষ্টি করবে, যা ভবিষ্যতে সকল নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াবে এবং ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

 

এছাড়া, প্রবাসীদের ভোটদান নিশ্চিত করার প্রসঙ্গেও বক্তব্য দেন তিনি। ড. ইউনূস বলেন, এ বিষয়ে বহুবার আশ্বাস দেওয়া হলেও, এখন এটা বাস্তবায়নের সময় এসেছে। তিনি বলেন, প্রবাসী ভোটারদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে, যাতে তাদের ভোটাধিকার সুরক্ষিত হয়।

 

অতএব, নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল এবং সমাজের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে প্রক্রিয়া আরও উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সময়ের প্রয়োজন হতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

নির্বাচনের সময় ও রূপরেখা প্রকাশ করলেন ড. ইউনূস

প্রকাশের সময় : 04:41:24 pm, Monday, 16 December 2024

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে—এমনটি জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন হবে সময়মতো, তবে এর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

 

ড. ইউনূস জানান, যদি নির্বাচনের জন্য অল্প কিছু সংস্কারসহ নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করা যায়, তবে ২০২৫ সালের শেষের দিকে নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হবে। তবে, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন কমিশনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে যদি বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন হয়, তাহলে নির্বাচনের সময় আরও অন্তত ছয় মাস পিছিয়ে যেতে পারে। মোটের ওপর তিনি বলেন, ২০২৫ সালের শেষ থেকে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

 

প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে বলেন, তিনি বারবার নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য সরকারের প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা। বিশেষ করে গত তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণের সুযোগ না হওয়ায়, এখন নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

ড. ইউনূস আরও বলেন, আগামী নির্বাচনে তরুণ-তরুণীদের ভোটদান একটি স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে। দীর্ঘদিন পর এবার বহু তরুণ ভোট দিতে পারবে, যারা আগে কখনো ভোটের সুযোগ পায়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রথমবারের ভোটাররা নির্বাচনে শতভাগ ভোটদান করে একটি ঐতিহ্য সৃষ্টি করবে, যা ভবিষ্যতে সকল নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াবে এবং ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

 

এছাড়া, প্রবাসীদের ভোটদান নিশ্চিত করার প্রসঙ্গেও বক্তব্য দেন তিনি। ড. ইউনূস বলেন, এ বিষয়ে বহুবার আশ্বাস দেওয়া হলেও, এখন এটা বাস্তবায়নের সময় এসেছে। তিনি বলেন, প্রবাসী ভোটারদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে, যাতে তাদের ভোটাধিকার সুরক্ষিত হয়।

 

অতএব, নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল এবং সমাজের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে প্রক্রিয়া আরও উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সময়ের প্রয়োজন হতে পারে।