বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




নির্বাচনী প্রচারণায় লাউডস্পিকারে সময়সীমা নির্ধারণ

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 12:07:30 pm, Sunday, 25 January 2026
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ডেস্ক রিপোর্ট ॥ নির্বাচনী প্রচারণায় শৃঙ্খলা ও জনদুর্ভোগ কমাতে রাত ৮টার পর জনসভায় মাইক ও লাউডস্পিকার ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের বাইরে শব্দবর্ধক যন্ত্র ব্যবহার করা হলে তা আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি ২০২৫ অনুযায়ী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, তাদের মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তাদের পক্ষে কোনো ব্যক্তি শুধুমাত্র দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে লাউডস্পিকার বা মাইক ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন। এর বাইরে কোনো সময় এসব যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

বিধিমালায় প্রতি সমাবেশে সর্বোচ্চ তিনটি লাউডস্পিকার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ প্রচারণায় ব্যবহৃত মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকারের ক্ষেত্রে এই সীমা প্রযোজ্য নয়। শব্দের মাত্রা অবশ্যই ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে রাখতে হবে।

নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের কাছ থেকে আলাদা অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে। কোনো প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলকেও জরিমানা করার ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে দলের পাশাপাশি তাকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। প্রার্থীর দেওয়া অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ রয়েছে, তিনি ও তার নির্বাচনী সহযোগীরা আইন লঙ্ঘন করলে প্রচলিত বিধান অনুযায়ী শাস্তি মেনে নেবেন।

আইনে বলা হয়েছে, আচরণবিধি ভাঙলে ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দেড় লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে। দলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জরিমানা আরোপের বিধান রয়েছে। গুরুতর ক্ষেত্রে আরপিও অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

নির্বাচনী সংস্কার কমিশনের সদস্য ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন তুলি বলেন, “রাত ৮টার পর জনসভায় মাইক ব্যবহার করা স্পষ্টভাবে আইনভঙ্গ। আচরণবিধিতে এ বিষয়ে পরিষ্কার উল্লেখ রয়েছে। আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

নির্বাচনী প্রচারণায় লাউডস্পিকারে সময়সীমা নির্ধারণ

প্রকাশের সময় : 12:07:30 pm, Sunday, 25 January 2026

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ নির্বাচনী প্রচারণায় শৃঙ্খলা ও জনদুর্ভোগ কমাতে রাত ৮টার পর জনসভায় মাইক ও লাউডস্পিকার ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের বাইরে শব্দবর্ধক যন্ত্র ব্যবহার করা হলে তা আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি ২০২৫ অনুযায়ী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, তাদের মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তাদের পক্ষে কোনো ব্যক্তি শুধুমাত্র দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে লাউডস্পিকার বা মাইক ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন। এর বাইরে কোনো সময় এসব যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

বিধিমালায় প্রতি সমাবেশে সর্বোচ্চ তিনটি লাউডস্পিকার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সাধারণ প্রচারণায় ব্যবহৃত মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকারের ক্ষেত্রে এই সীমা প্রযোজ্য নয়। শব্দের মাত্রা অবশ্যই ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে রাখতে হবে।

নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের কাছ থেকে আলাদা অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে। কোনো প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলকেও জরিমানা করার ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে দলের পাশাপাশি তাকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। প্রার্থীর দেওয়া অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ রয়েছে, তিনি ও তার নির্বাচনী সহযোগীরা আইন লঙ্ঘন করলে প্রচলিত বিধান অনুযায়ী শাস্তি মেনে নেবেন।

আইনে বলা হয়েছে, আচরণবিধি ভাঙলে ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দেড় লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে। দলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জরিমানা আরোপের বিধান রয়েছে। গুরুতর ক্ষেত্রে আরপিও অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

নির্বাচনী সংস্কার কমিশনের সদস্য ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন তুলি বলেন, “রাত ৮টার পর জনসভায় মাইক ব্যবহার করা স্পষ্টভাবে আইনভঙ্গ। আচরণবিধিতে এ বিষয়ে পরিষ্কার উল্লেখ রয়েছে। আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।”