বিজ্ঞপ্তি :
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই
সংবাদ শিরোনাম:
কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান ইরান উত্তেজনার মধ্যে মিত্রদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগোল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান স্বৈরাচার শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে: প্রধানমন্ত্রী ‘গুপ্ত রাজনীতি করে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’: ফয়জুল করীম একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে পহেলা মে এড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুদ্ধজাহাজে রসদ সরবরাহ শুরু, সামরিক প্রস্তুতি জোরদার ইতিহাসের মে দিবস, বর্তমানেও অধিকার আদায়ের লড়াই




নলছিটিতে রোগী বাগিয়ে নিলেন আয়া

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 03:51:30 am, Thursday, 24 October 2019
  • 1 সংবাদটি দেখা হয়েছে




নলছিটি প্রতিনিধি॥  ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কমপ্লেক্সের আয়া হালিমা কর্তৃক হাসপাতালের এক ভর্তি রোগীকে তার স্বামীর ক্লিনিকে নিয়ে নরমাল ডেলিভারি করে ১১ হাজার ২শ টাকা দাবী করছে এবং টাকার জন্য রোগীকে আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নলছিটি উপজেলার হদুয়া গ্রামের হযরত আলীর পুত্র জাকির হোসেন বুধবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তার নিকট লিখিতভাবে ওই অভিযোগ করেন। লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, জাকির হোসেন ডেলিভারি সংক্রান্ত ব্যাপারে তার স্ত্রী লাভলী বেগমকে গত রাত ১ ঘটিকার দিকে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে।

সকাল ৬ ঘটিকার দিকে আয়া হালিমা জানায় রোগীর সিজার লাগবে। তখন জাকির হোসেন তার স্ত্রীকে বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি মাহেন্দ্র নিয়ে হাসপাতালের সামনে আসে। এসময় আয়া হালিমা ফারজানা ক্লিনিকে সিজার করা বাবদ ১৪ হাজার টাকা কন্টাক্ট করে। এবং আয়া হালিমা ওই রোগীকে হাসপাতালের পাশে ফারজানা ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি করে। ভর্তির সময় ১২০০ টাকা নেয়, যার মধ্য থেকে ১ হাজার টাকা আয়া হালিমা নিয়ে যায়। রোগী ক্লিনিকে ভর্তির ৩০ মিনিটের মাথায় নরমাল ডেলিভারি হয়।

এরপর আয়া হালিমা জাকির হোসেনের নিকট আরে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। জাকির হোসেন আগের দেয়া ১২০০ টাকার পাশাপাশি আরো ২ হাজার টাকা দিয়ে রোগী নিয়ে যেতে চাইলে ১০ হাজার টাকাই লাগবে বলে আয়া হালিমা দাবী করে। জাকির হোসেন বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা: মানষ কৃষ্ণ কুন্ড জানিয়েছেন, অভিযোগ তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং ওই রোগীর কাছ থেকে টাকা না নেয়ার জন্য আয়া হালিমাকে বলে দেয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

কাশিপুরে ককটেল ফাটিয়ে জয় বাংলা স্লোগান

নলছিটিতে রোগী বাগিয়ে নিলেন আয়া

প্রকাশের সময় : 03:51:30 am, Thursday, 24 October 2019

নলছিটি প্রতিনিধি॥  ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কমপ্লেক্সের আয়া হালিমা কর্তৃক হাসপাতালের এক ভর্তি রোগীকে তার স্বামীর ক্লিনিকে নিয়ে নরমাল ডেলিভারি করে ১১ হাজার ২শ টাকা দাবী করছে এবং টাকার জন্য রোগীকে আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নলছিটি উপজেলার হদুয়া গ্রামের হযরত আলীর পুত্র জাকির হোসেন বুধবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তার নিকট লিখিতভাবে ওই অভিযোগ করেন। লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, জাকির হোসেন ডেলিভারি সংক্রান্ত ব্যাপারে তার স্ত্রী লাভলী বেগমকে গত রাত ১ ঘটিকার দিকে নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে।

সকাল ৬ ঘটিকার দিকে আয়া হালিমা জানায় রোগীর সিজার লাগবে। তখন জাকির হোসেন তার স্ত্রীকে বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি মাহেন্দ্র নিয়ে হাসপাতালের সামনে আসে। এসময় আয়া হালিমা ফারজানা ক্লিনিকে সিজার করা বাবদ ১৪ হাজার টাকা কন্টাক্ট করে। এবং আয়া হালিমা ওই রোগীকে হাসপাতালের পাশে ফারজানা ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি করে। ভর্তির সময় ১২০০ টাকা নেয়, যার মধ্য থেকে ১ হাজার টাকা আয়া হালিমা নিয়ে যায়। রোগী ক্লিনিকে ভর্তির ৩০ মিনিটের মাথায় নরমাল ডেলিভারি হয়।

এরপর আয়া হালিমা জাকির হোসেনের নিকট আরে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। জাকির হোসেন আগের দেয়া ১২০০ টাকার পাশাপাশি আরো ২ হাজার টাকা দিয়ে রোগী নিয়ে যেতে চাইলে ১০ হাজার টাকাই লাগবে বলে আয়া হালিমা দাবী করে। জাকির হোসেন বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা: মানষ কৃষ্ণ কুন্ড জানিয়েছেন, অভিযোগ তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং ওই রোগীর কাছ থেকে টাকা না নেয়ার জন্য আয়া হালিমাকে বলে দেয়া হয়েছে।