সংবাদ শিরোনাম:




নগরীতে সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 10:56:43 pm, Sunday, 9 February 2020
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥  বরিশাল নগরীর ‘জগদীশ সারস্বাত বালিকা বিদ্যালয়ের’ সহকারী শিক্ষক কাওছার হোসেনের বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যালয়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম জানান, কয়েকজন সহকারী শিক্ষক বিদ্যালয়ে কোচিং বাণিজ্য করছেন। এতে তিনি বাধা দেওয়ায় ওই শিক্ষকরা তার বিরোধিতা করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার দুপুরে বিদ্যালয়ে তার দপ্তরে অবস্থানকালে সহকারী শিক্ষক মো. কাওছার হোসেন সেখানে গিয়ে তার সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে সহকারী শিক্ষক কাওছার তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়েরের করবেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই প্রধান শিক্ষক।

তবে সহকারী শিক্ষক কাওছার হোসেন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। হাতাহাতি বা মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, এ বছরের শুরু থেকে বিদ্যালয়ে ক্লাস রুটিন প্রণয়ন করা হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে। শিক্ষকদের দাবির মুখে রুটিন প্রণয়নের জন্য ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) কমিটি রুটিন প্রণয়ন করলেও প্রধান শিক্ষক সেটি কার্যকর করেননি। এজন্য রবিবার তিনি প্রধান শিক্ষকের কাছে গিয়ে রুটিন প্রণয়নের দাবি জানালে তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়।

তবে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকরা এ বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলতে রাজি হননি। প্রসঙ্গত, ‘জগদীশ সারস্বাত বালিকা বিদ্যালয়’ বরিশাল নগরীর একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম ২০১৭ সালের ১ আগস্ট যোগদান করার পর শিক্ষকদের একটি গ্রুপের সঙ্গে তার প্রকাশ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। বিরোধীপক্ষ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে এটির তদন্ত দাবি করছেন। অপরদিকে প্রধান শিক্ষকের দাবি- বেপরোয়া কোচিং বাণিজ্যে বাধা দেওয়ায় একদল শিক্ষক তার বিরোধিতা করছেন।

এ নিয়ে বেশ কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় উভয়পক্ষ পরস্পরের বিরুদ্ধে একাধিক জিডি করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

নগরীতে সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : 10:56:43 pm, Sunday, 9 February 2020

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥  বরিশাল নগরীর ‘জগদীশ সারস্বাত বালিকা বিদ্যালয়ের’ সহকারী শিক্ষক কাওছার হোসেনের বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যালয়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম জানান, কয়েকজন সহকারী শিক্ষক বিদ্যালয়ে কোচিং বাণিজ্য করছেন। এতে তিনি বাধা দেওয়ায় ওই শিক্ষকরা তার বিরোধিতা করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার দুপুরে বিদ্যালয়ে তার দপ্তরে অবস্থানকালে সহকারী শিক্ষক মো. কাওছার হোসেন সেখানে গিয়ে তার সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে সহকারী শিক্ষক কাওছার তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দায়েরের করবেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই প্রধান শিক্ষক।

তবে সহকারী শিক্ষক কাওছার হোসেন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। হাতাহাতি বা মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, এ বছরের শুরু থেকে বিদ্যালয়ে ক্লাস রুটিন প্রণয়ন করা হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে। শিক্ষকদের দাবির মুখে রুটিন প্রণয়নের জন্য ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) কমিটি রুটিন প্রণয়ন করলেও প্রধান শিক্ষক সেটি কার্যকর করেননি। এজন্য রবিবার তিনি প্রধান শিক্ষকের কাছে গিয়ে রুটিন প্রণয়নের দাবি জানালে তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়।

তবে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকরা এ বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলতে রাজি হননি। প্রসঙ্গত, ‘জগদীশ সারস্বাত বালিকা বিদ্যালয়’ বরিশাল নগরীর একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম ২০১৭ সালের ১ আগস্ট যোগদান করার পর শিক্ষকদের একটি গ্রুপের সঙ্গে তার প্রকাশ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। বিরোধীপক্ষ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে এটির তদন্ত দাবি করছেন। অপরদিকে প্রধান শিক্ষকের দাবি- বেপরোয়া কোচিং বাণিজ্যে বাধা দেওয়ায় একদল শিক্ষক তার বিরোধিতা করছেন।

এ নিয়ে বেশ কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় উভয়পক্ষ পরস্পরের বিরুদ্ধে একাধিক জিডি করেছেন।