দীর্ঘ ঈদ ছুটি হলেও ভোগ করতে পারবেন না যারা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 03:44:09 pm, Monday, 9 March 2026
  • 4 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ডেস্ক রিপোর্ট ॥ বাংলাদেশ সরকার ১৭ থেকে ২৩ মার্চ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঈদুল ফিতর ও শবে কদর উপলক্ষে টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১৮ মার্চ এক দিনের বিশেষ সরকারি ছুটিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তবে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে যে সব ধরনের প্রতিষ্ঠান ও সেবা এই ছুটির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হবে না।

সরকারি ছুটির বাইরে রাখা হয়েছে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সেবা, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন, ইন্টারনেট ও ডাক সেবা। হাসপাতাল ও জরুরি সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মী এবং ওষুধ-চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহনও এর বাইরে থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিবে। আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত জানাবে। বেসরকারি খাতের শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটি প্রদান করবে।

সরকারি ছুটি সাধারণত সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এবং নির্ধারিত ছুটি বিধিমালা-১৯৫৯ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলেও, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী এটি অনুসরণ করে।

এভাবে সরকার ধর্মীয় উৎসব উদযাপনকে গুরুত্ব দিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ছুটি নিশ্চিত করছে, পাশাপাশি জরুরি সেবা সচল রাখার বিষয়েও ব্যবস্থা নিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

দীর্ঘ ঈদ ছুটি হলেও ভোগ করতে পারবেন না যারা

প্রকাশের সময় : 03:44:09 pm, Monday, 9 March 2026

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ বাংলাদেশ সরকার ১৭ থেকে ২৩ মার্চ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঈদুল ফিতর ও শবে কদর উপলক্ষে টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১৮ মার্চ এক দিনের বিশেষ সরকারি ছুটিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তবে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে যে সব ধরনের প্রতিষ্ঠান ও সেবা এই ছুটির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হবে না।

সরকারি ছুটির বাইরে রাখা হয়েছে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সেবা, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন, ইন্টারনেট ও ডাক সেবা। হাসপাতাল ও জরুরি সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মী এবং ওষুধ-চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহনও এর বাইরে থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিবে। আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত জানাবে। বেসরকারি খাতের শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটি প্রদান করবে।

সরকারি ছুটি সাধারণত সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এবং নির্ধারিত ছুটি বিধিমালা-১৯৫৯ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলেও, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী এটি অনুসরণ করে।

এভাবে সরকার ধর্মীয় উৎসব উদযাপনকে গুরুত্ব দিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ছুটি নিশ্চিত করছে, পাশাপাশি জরুরি সেবা সচল রাখার বিষয়েও ব্যবস্থা নিয়েছে।