সংবাদ শিরোনাম:




দা-ছুরি-কাঁচি দিয়ে চিকিৎসা

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 11:29:49 pm, Monday, 31 August 2020
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ ফেনীতে দীর্ঘদিন ধরে হাড়ভাঙার চিকিৎসার নামে হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে আলাবকস। চিকিৎসার সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে দা, ছুরি, কাঁচি।

 

 

ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতিরেকেই ফিজিওথেরাপি দিচ্ছেন চিকিৎসক পরিচয়ে। এতে চরম ক্ষতির স্বীকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছেন এ সব ভুয়া হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে আসা রোগীরা।

 

 

সোমবার ফেনীর শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়ক এবং পাঁচগাছিয়ায় আলাবকস এর তিনটি শাখায় অভিযান চালান সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মৌমিতা দাস।

 

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. তাহসিন-নূর অমিসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

 

 

এ সময় জাহিদ ইকবাল মামুন নামে এক ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং মো. সাইফ উদ্দিন জুলফিকার নামে এক ব্যক্তিকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

ক্ষুধার্ত বাবাকে খাওয়াতে চা-রুটি নিয়ে গেল শিশুসন্তান

দা-ছুরি-কাঁচি দিয়ে চিকিৎসা

প্রকাশের সময় : 11:29:49 pm, Monday, 31 August 2020

ভয়েস অব বরিশাল ডেস্ক॥ ফেনীতে দীর্ঘদিন ধরে হাড়ভাঙার চিকিৎসার নামে হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে আলাবকস। চিকিৎসার সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে দা, ছুরি, কাঁচি।

 

 

ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতিরেকেই ফিজিওথেরাপি দিচ্ছেন চিকিৎসক পরিচয়ে। এতে চরম ক্ষতির স্বীকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছেন এ সব ভুয়া হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে আসা রোগীরা।

 

 

সোমবার ফেনীর শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়ক এবং পাঁচগাছিয়ায় আলাবকস এর তিনটি শাখায় অভিযান চালান সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মৌমিতা দাস।

 

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. তাহসিন-নূর অমিসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

 

 

এ সময় জাহিদ ইকবাল মামুন নামে এক ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং মো. সাইফ উদ্দিন জুলফিকার নামে এক ব্যক্তিকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।