জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বজায় থাকবে : প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : 08:41:30 pm, Monday, 31 December 2018
  • 2 সংবাদটি দেখা হয়েছে




অনলাইন ডেস্ক:মাদক, দুর্নীতি ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আগে যেমন সোচ্চার ছিল তা এখনো বজায় থাকবে।আজ ( ৩১ ডিসেম্বর) গণভবনে বিদেশে পর্যবেক্ষকদের সাথে মত বিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ আমাদের শত্রু নয়। কিন্তু কেউ রাজনৈতিক চর্চা করতে গিয়ে নৈরাজ্য করবে তা সহ্য করা হবেনা। তারা রাজনীতির নামে যা করছে তাতে জানমালের ক্ষতি হয়। এটা মেনে নেওয়া যায় না। প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটাই বিদেশী পর্যবেক্ষকদের সাথে প্রথম মতবিনিময়।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের জন্য রাজনীতি করলে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় যাওয়া যায়। আজকের পরাজিতরা যদি জনগণের জন্য রাজনীতি করে তাহলে তারাও আগামীতে ক্ষমতায় যেতে পারে।

 

বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগ বিষয়ে আল জাজিরার এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, দেখুন। নির্বাচনের পরে কয় ঘণ্টা পার হয়েছে। ক্ষমতাসীন দল হিসেবে আমরা কিন্তু এখনও প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরূপ কোনো আচরণ করিনি। অথচ ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত আমাদের কর্মীদের মেরেছিল। নারীদের ধর্ষণ করেছে, বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের সংসদ সদস্য ও নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে। আমাদের অনেক খারাপ অভিজ্ঞতা হয়েছে। আমরা কিন্তু তেমনটা করিনি। আমাদের নেতাকর্মীরা বিরোধী দলকে কোনো হয়রানি করেনি।

 

 

শেখ হাসিনা বলেন,নির্বাচনের আগে আমি সবাইকে নিমন্ত্রণ জানিয়েছি। আলোচনা করেছি। তাদের দাবি শুনেছি। যাতে করে তারা নির্বাচনে অংশ নেয়। তাদের সঙ্গে অনেক সময় কাটিয়েছি।

 

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে আমাদের কর্মীদের হত্যা করেছে। নির্যাতন চালিয়েছে। আগুন লাগানো, মানুষ পুড়িয়ে হত্যা বিএনপি-জামায়াতের এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আমরা কখনোই মেনে নেব না।

 

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের ভিসা জটিলতা, ভিসা না দেওয়া তাদের আসতে না দেওয়া বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই রাজনৈতিক দলের সদস্য। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টদের কারণে তাদের আসতে দেওয়া হয়নি।

 

 

সাংবিধানিক ধারা অনুসারে, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বর্তমানে বা পূর্বে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন কেউ পর্যবেক্ষক হতে পারবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Facebook

জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বজায় থাকবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : 08:41:30 pm, Monday, 31 December 2018

অনলাইন ডেস্ক:মাদক, দুর্নীতি ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আগে যেমন সোচ্চার ছিল তা এখনো বজায় থাকবে।আজ ( ৩১ ডিসেম্বর) গণভবনে বিদেশে পর্যবেক্ষকদের সাথে মত বিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ আমাদের শত্রু নয়। কিন্তু কেউ রাজনৈতিক চর্চা করতে গিয়ে নৈরাজ্য করবে তা সহ্য করা হবেনা। তারা রাজনীতির নামে যা করছে তাতে জানমালের ক্ষতি হয়। এটা মেনে নেওয়া যায় না। প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এটাই বিদেশী পর্যবেক্ষকদের সাথে প্রথম মতবিনিময়।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের জন্য রাজনীতি করলে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় যাওয়া যায়। আজকের পরাজিতরা যদি জনগণের জন্য রাজনীতি করে তাহলে তারাও আগামীতে ক্ষমতায় যেতে পারে।

 

বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগ বিষয়ে আল জাজিরার এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, দেখুন। নির্বাচনের পরে কয় ঘণ্টা পার হয়েছে। ক্ষমতাসীন দল হিসেবে আমরা কিন্তু এখনও প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরূপ কোনো আচরণ করিনি। অথচ ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত আমাদের কর্মীদের মেরেছিল। নারীদের ধর্ষণ করেছে, বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। আমাদের সংসদ সদস্য ও নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে। আমাদের অনেক খারাপ অভিজ্ঞতা হয়েছে। আমরা কিন্তু তেমনটা করিনি। আমাদের নেতাকর্মীরা বিরোধী দলকে কোনো হয়রানি করেনি।

 

 

শেখ হাসিনা বলেন,নির্বাচনের আগে আমি সবাইকে নিমন্ত্রণ জানিয়েছি। আলোচনা করেছি। তাদের দাবি শুনেছি। যাতে করে তারা নির্বাচনে অংশ নেয়। তাদের সঙ্গে অনেক সময় কাটিয়েছি।

 

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে আমাদের কর্মীদের হত্যা করেছে। নির্যাতন চালিয়েছে। আগুন লাগানো, মানুষ পুড়িয়ে হত্যা বিএনপি-জামায়াতের এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আমরা কখনোই মেনে নেব না।

 

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের ভিসা জটিলতা, ভিসা না দেওয়া তাদের আসতে না দেওয়া বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই রাজনৈতিক দলের সদস্য। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টদের কারণে তাদের আসতে দেওয়া হয়নি।

 

 

সাংবিধানিক ধারা অনুসারে, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বর্তমানে বা পূর্বে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন কেউ পর্যবেক্ষক হতে পারবে না।